নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য আগামী ২২ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম এই তারিখ ধার্য করেন।
আজ আত্মপক্ষ সমর্থনের তারিখ ধার্য ছিল। আত্মপক্ষ সমর্থনে মির্জা আব্বাস নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি আদালতকে বলেন, তিনি লিখিত বক্তব্য দাখিল করবেন। পরে বিচারক মির্জা আব্বাস এর লিখিত বক্তব্য দাখিল ও যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের বিশেষ পিপি মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এর আগে বিভিন্ন তারিখে এ মামলায় ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপন করার অভিযোগে ২০০৭ সালে ১৬ আগস্ট মির্জা আব্বাস ও তাঁর স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলাটি করে দুদক।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মোট ৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেন মির্জা আব্বাস। তিনি সম্পদের হিসাব বিবরণীতে ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকার তথ্য গোপন করেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক রমনা থানায় মামলা করে।
দুর্নীতি দমন কমিশন ২০০৮ সালের ১৪ মে মির্জা আব্বাস ও আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। একই বছরের ১৬ জুন দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত।
অভিযোগ গঠনকে চ্যালেঞ্জ করে দুজনই হাইকোর্টে মামলা বাতিলের আবেদন করেন। হাইকোর্ট আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ বাতিল করে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।
এদিকে মির্জা আব্বাস তার অংশটুকু বাতিল করার জন্য আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর লিভ টু আপিল খারিজ হয়। মির্জা আব্বাস আবার রিভিউ আবেদন করেন। এ বছর ১৬ ফেব্রুয়ারি রিভিউ আবেদন খারিজ হয়। এরপর মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য আগামী ২২ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম এই তারিখ ধার্য করেন।
আজ আত্মপক্ষ সমর্থনের তারিখ ধার্য ছিল। আত্মপক্ষ সমর্থনে মির্জা আব্বাস নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি আদালতকে বলেন, তিনি লিখিত বক্তব্য দাখিল করবেন। পরে বিচারক মির্জা আব্বাস এর লিখিত বক্তব্য দাখিল ও যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের বিশেষ পিপি মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, এর আগে বিভিন্ন তারিখে এ মামলায় ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপন করার অভিযোগে ২০০৭ সালে ১৬ আগস্ট মির্জা আব্বাস ও তাঁর স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলাটি করে দুদক।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মোট ৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেন মির্জা আব্বাস। তিনি সম্পদের হিসাব বিবরণীতে ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকার তথ্য গোপন করেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক রমনা থানায় মামলা করে।
দুর্নীতি দমন কমিশন ২০০৮ সালের ১৪ মে মির্জা আব্বাস ও আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। একই বছরের ১৬ জুন দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত।
অভিযোগ গঠনকে চ্যালেঞ্জ করে দুজনই হাইকোর্টে মামলা বাতিলের আবেদন করেন। হাইকোর্ট আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ বাতিল করে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।
এদিকে মির্জা আব্বাস তার অংশটুকু বাতিল করার জন্য আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর লিভ টু আপিল খারিজ হয়। মির্জা আব্বাস আবার রিভিউ আবেদন করেন। এ বছর ১৬ ফেব্রুয়ারি রিভিউ আবেদন খারিজ হয়। এরপর মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পাঁচ দিন পিছিয়ে ২৫ জানুয়ারি ধার্য করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই তারিখ ধার্য করেন।
৮ মিনিট আগে
নির্বাচন কমিশনে আপিল মঞ্জুর হওয়ায় টাঙ্গাইলের দুই নারীসহ ১৮ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এর ফলে টাঙ্গাইলের আটটি আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়াল ৫৫। টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
১০ মিনিট আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত র্যাব কর্মকর্তা মো. মোতালেব হোসেনের প্রথম জানাজা চট্টগ্রামে র্যাব কার্যালয়ে সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় তাঁর সহকর্মীরা তাঁকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। জানাজা শেষে তাঁর লাশ নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স কুমিল্লায় নিজ গ্রামের পথে রওনা দিয়েছে বলে
১১ মিনিট আগে
‘গণভোটের ব্যাপারে সরকারের যে তৎপরতা দেখছি, দুষ্কৃতকারীদের দমনে সেই তৎপরতা দেখছি না। তফসিল ঘোষণার পর ১৫ জন নেতা-কর্মী নিহত হয়েছে, কিন্তু নির্বাচন কমিশন কী করছে?’
৩১ মিনিট আগে