নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আগামীকাল বুধবার ঢাকার বেশ কয়েকটি এলাকায় ১২ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। পাইপলাইনের জরুরি মেরামতের জন্য এদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার কথা জানিয়েছে গ্যাস পরিবহন সংস্থা তিতাস গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড।
আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সাময়িক এই অসুবিধার কারণে সব ধরনের গ্রাহকের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কোম্পানি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার ঢাকার আশুলিয়া, খেজুরবাগান, গৌরীপুর, খাগান, কুমকুমারি, আক্রান এলাকায় সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত (১২ ঘণ্টা) গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

আগামীকাল বুধবার ঢাকার বেশ কয়েকটি এলাকায় ১২ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। পাইপলাইনের জরুরি মেরামতের জন্য এদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার কথা জানিয়েছে গ্যাস পরিবহন সংস্থা তিতাস গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড।
আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সাময়িক এই অসুবিধার কারণে সব ধরনের গ্রাহকের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কোম্পানি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার ঢাকার আশুলিয়া, খেজুরবাগান, গৌরীপুর, খাগান, কুমকুমারি, আক্রান এলাকায় সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত (১২ ঘণ্টা) গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে