ঢাবি প্রতিনিধি

রাজধানীর বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের হোস্টেলের নতুন ভবনের ২০০৭ নং কক্ষ 'জোর করে' দখলের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাবীবা আক্তার সাইমুনের বিরুদ্ধে। সাইমুন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
কলেজ সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার দুপুর থেকে ঐ রুম দখলের চেষ্টা করে সাইমুনের অনুসারীরা। জোর করে সিট চেঞ্জ করে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে সাইমুনের অনুসারীরা। পরে রাত ১০ টার সময়ে আবার আসে তারা, এসময় তাদের সঙ্গে রুমে থাকা ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কিও হয় বলে জানায় সূত্র।
পরে ঘটনাস্থলে যান চকবাজার থানা পুলিশ। এ বিষয়ে চকবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কাইউম বলেন, ‘কলেজের অধ্যক্ষ এবং প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে জানিয়েছেন—তারা বিষয়টি দেখছেন।’
২০০৭ নং কক্ষে আগে থাকা এমন এক শিক্ষার্থী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি লিগ্যালি হলে থাকি। আমাদের রুমের সিনিয়র এক আপুকে ছাড়া সবাইকে রুম পরিবর্তন করে দিচ্ছে। উনি(সাইমুন) ইচ্ছা করে আমাদের সবাইকে পরিবর্তন করে দিচ্ছে। কোনো কারণ ছাড়াই। তিনি আমাদের বলেন, আমার ইচ্ছা আমি পরিবর্তন করে দেব, ওই রুমে তোমাদের থাকা যাবে না।’
ওই রুমে কি মধু বের হইছে?— প্রশ্ন তুলেন ঐ শিক্ষার্থী।
ঐ শিক্ষার্থী আরো বলেন, ‘তারা (সাইমুনের অনুসারীরা) যখন আমার রুমে আসে তখন তাদের কার্যক্রম ও জিনিসপত্র তছনছ করার ভিডিও করতে গেলে তারা আমার মোবাইল কেড়ে নেয় এবং ধাক্কা দেয়, আমি আঘাত পাই।’
হাবীবা আক্তার সাইমুম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রুম শিফটের ব্যাপার প্রশাসনের দায়িত্বের ভেতরে পড়ে, হয়তো সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে কোনো কথা কাটাকাটি হয়েছে। আমি এর সঙ্গে যুক্ত নই।’
কলেজের অধ্যাক্ষ সাবিকুন নাহার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সিট শিফটিং নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছে বলে শুনেছি, আমি নিজেও অসুস্থ। হোস্টেল সুপারকে বিষয়টি দেখতে বলেছি৷’
তবে কোনো ধরণের মারধরের ঘটনা ঘটেনি বলে জানান হোস্টেল সুপার নাজমুন নাহার। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মারধরের ঘটনা ঘটেনি। সিট নিয়ে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছে, বিষয়টি এখন সমাধান হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে ও স্বাভাবিক আছে।’

রাজধানীর বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের হোস্টেলের নতুন ভবনের ২০০৭ নং কক্ষ 'জোর করে' দখলের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাবীবা আক্তার সাইমুনের বিরুদ্ধে। সাইমুন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
কলেজ সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার দুপুর থেকে ঐ রুম দখলের চেষ্টা করে সাইমুনের অনুসারীরা। জোর করে সিট চেঞ্জ করে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে সাইমুনের অনুসারীরা। পরে রাত ১০ টার সময়ে আবার আসে তারা, এসময় তাদের সঙ্গে রুমে থাকা ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কিও হয় বলে জানায় সূত্র।
পরে ঘটনাস্থলে যান চকবাজার থানা পুলিশ। এ বিষয়ে চকবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কাইউম বলেন, ‘কলেজের অধ্যক্ষ এবং প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে জানিয়েছেন—তারা বিষয়টি দেখছেন।’
২০০৭ নং কক্ষে আগে থাকা এমন এক শিক্ষার্থী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি লিগ্যালি হলে থাকি। আমাদের রুমের সিনিয়র এক আপুকে ছাড়া সবাইকে রুম পরিবর্তন করে দিচ্ছে। উনি(সাইমুন) ইচ্ছা করে আমাদের সবাইকে পরিবর্তন করে দিচ্ছে। কোনো কারণ ছাড়াই। তিনি আমাদের বলেন, আমার ইচ্ছা আমি পরিবর্তন করে দেব, ওই রুমে তোমাদের থাকা যাবে না।’
ওই রুমে কি মধু বের হইছে?— প্রশ্ন তুলেন ঐ শিক্ষার্থী।
ঐ শিক্ষার্থী আরো বলেন, ‘তারা (সাইমুনের অনুসারীরা) যখন আমার রুমে আসে তখন তাদের কার্যক্রম ও জিনিসপত্র তছনছ করার ভিডিও করতে গেলে তারা আমার মোবাইল কেড়ে নেয় এবং ধাক্কা দেয়, আমি আঘাত পাই।’
হাবীবা আক্তার সাইমুম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রুম শিফটের ব্যাপার প্রশাসনের দায়িত্বের ভেতরে পড়ে, হয়তো সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে কোনো কথা কাটাকাটি হয়েছে। আমি এর সঙ্গে যুক্ত নই।’
কলেজের অধ্যাক্ষ সাবিকুন নাহার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সিট শিফটিং নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছে বলে শুনেছি, আমি নিজেও অসুস্থ। হোস্টেল সুপারকে বিষয়টি দেখতে বলেছি৷’
তবে কোনো ধরণের মারধরের ঘটনা ঘটেনি বলে জানান হোস্টেল সুপার নাজমুন নাহার। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মারধরের ঘটনা ঘটেনি। সিট নিয়ে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছে, বিষয়টি এখন সমাধান হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে ও স্বাভাবিক আছে।’

ভুক্তভোগী সোহান বলেন, ‘তিন বছরের ভিসায় কিরগিজস্তানে মাসিক ৫০ হাজার টাকা বেতনে টেক্সটাইল কারখানায় চাকরির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু আমাকে দেওয়া হয় মাত্র দুই মাসের ভিসা। বিদেশে পৌঁছানোর পর কাগজপত্র নিয়ে আমাকে একটি ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। বাধ্য হয়ে আরও টাকা দিলে রাস্তায় ছেড়ে দেয়। পরে দেশে ফিরে আসি।’
২৬ মিনিট আগে
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টিতেই প্রধান শিক্ষক নেই। এ ছাড়া সহকারী শিক্ষকের ৭৪টি এবং দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরীর ২৪টি পদও শূন্য রয়েছে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান ওরফে কানা মিজান (৩৬) নামের এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন। নিহত যুবক আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য ও তাঁর বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে