রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) এলাকা থেকে নূরজাহান বেগম (৭৭) নামের এক বৃদ্ধা নিখোঁজ হয়েছেন। গত রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি হাসপাতাল এলাকা থেকে হারিয়ে যান। পুলিশ জানিয়েছে, নূরজাহান বেগম মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
নূরজাহান বেগমের নিখোঁজের ঘটনায় তাঁর স্বামী মো. ইসমাইল মিয়া (৭৭) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তাঁদের বাড়ি রাজধানীর উত্তরার উত্তরখানের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের দোবাদিয়া এলাকায়।
জিডির তথ্য অনুযায়ী, নূরজাহান বেগমের গায়ের রং শ্যামলা, উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি। নিখোঁজের সময় তাঁর পরনে ছিল কাঁঠালি রঙের চাদর, নীল সোয়েটার, নীল বা বেগুনি রঙের ম্যাক্সি এবং মাথায় সাদা স্কার্ফ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, নিখোঁজের পর থেকে তাঁরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর নিচ্ছেন। নূরজাহান বেগম কিডনি রোগে আক্রান্ত। তাঁকে নিয়মিত ডায়ালাইসিস করানো হয়। তাঁর স্মৃতিশক্তি মারাত্মকভাবে লোপ পেয়েছে। এখন তিনি নিজের নামও মনে রাখতে পারেন না। কোনো ব্যক্তি তাঁর সন্ধান পেলে ০১৬৭০০৮০৩১৫ অথবা ০১৭১২০১৩৯৩৫ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আজ মঙ্গলবার সকালে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নূরজাহান বেগমের নিখোঁজের ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে। আমরা তাঁর অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা করছি।’

জামায়াত আমিরকে উদ্দেশ্য করে জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, ‘যে মা-বোনেরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কাজ করে, সংসার বাঁচান, নিজেদের মর্যাদা বাঁচান, বাচ্চাদের বড় করেন, আর আপনি তাঁদের পতিতা বললেন?
১২ মিনিট আগে
নওগাঁয় জামায়াত ইসলামী ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের মাখনা কোমলগোটা গ্রামে এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে।
১৬ মিনিট আগে
দল থেকে বহিষ্কারের খবরে দিনাজপুরের বিএনপি নেতা মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেছেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
২৫ মিনিট আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি ‘রাজার ছেলে রাজা’-এই ধারার অবসান ঘটাতে হবে। একজন শ্রমিকের সন্তান যদি মেধাবী হয়, রাষ্ট্র তার মেধা বিকাশের দায়িত্ব নেবে। তাদের মধ্য থেকে আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী উঠে আসুক, এটাই স্বপ্ন।
২৬ মিনিট আগে