ঢাকা: করোনার ঊর্ধ্বগতিতে দেশে বাড়ছে ভারতীয় ডেল্টা ধরনে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এর মধ্যে রাজধানীর দুই–তৃতীয়াংশই এই ধরনে আক্রান্ত বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি)।
আইসিডিডিআরবি জানিয়েছে, মে মাসের শেষের দিকে এবং জুনের প্রথম দিকে রাজধানীর ৬০ জনের নমুনা সিকুয়েন্স করে ৪০ জনের বেশি শরীরে ডেল্টা ধরনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যা প্রায় ৬৮ শতাংশ। এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার ধরন শনাক্ত হয়েছে ২ শতাংশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে আইসিডিডিবিআরবির মিডিয়া ম্যানেজার এ কে এম তারিফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, যাদের ডেল্টা ধরন পাওয়া গেছে প্রত্যেকই ঢাকায় বসবাস করেন। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানো হবে।
এ ব্যাপারে জানতে আইইডিসিআরে প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি, তবে এখনো বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানিনা।
সীমান্তে নিষেধাজ্ঞার পরও স্থল যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ না হওয়ায় সম্প্রতি দেশে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ভারতীয় বা ডেল্টা ধরন। এরই মধ্যে সংক্রমণের ৮০ শতাংশই এই ধরন বলছে গবেষণা। পাশাপাশি দেশে আরও একটি অজানা ধরনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এর আগে গত ৮ মে যশোরে প্রথম ভারত ফেরত দুজনের শরীরে এই ধরনে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। পরে কয়েক দফা পরীক্ষায় গত মাসের শেষ নাগাদ ভারতসহ ব্রিটেন, আফ্রিকা ও নাইজেরিয়ার ধরনে ভুগছেন এমন রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২০০ ছাড়িয়ে যায়। নতুন করে ৪০ জন যোগ হওয়ায় যা আড়াই ছুঁয়েছে।

দেশের অন্যান্য শিল্পাঞ্চলের মতো গ্যাস-সংকটে ভুগছে নরসিংদীর শিল্পাঞ্চল। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রয়োজনের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ ৬০-৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম। ফলে গত দুই সপ্তাহে নরসিংদীর কোনো কোনো কারখানায় উৎপাদন ৭০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আমন মৌসুম শুরু হয়েছে। কৃষকেরা জমি প্রস্তুত করছেন। বীজতলা থেকে চারা তোলা হচ্ছে। কোথাও কোথাও চারা রোপণও শুরু হয়েছে। তবে কৃষকেরা সারের দোকানে গিয়ে সার পাচ্ছেন না। ডিলাররা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বিসিআইসি ও বিএডিসি তাঁদেরকে সার সরবরাহ করছে না।
৫ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীতে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নগরীর পাঁচটি এলাকায় এডিস মশার প্রজনন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপে ব্রেটো সূচক ৬১ দশমিক ৩৩ পাওয়া গেছে, যেখানে ২০-এর বেশি সূচককে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
নান্দাইল-হোসেনপুর-পাকুন্দিয়া পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়কটি খানাখন্দে ভরে গেছে। ভাঙাচোরা আর অপ্রশস্ত সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা। আধা ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে দেড়-দুই ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে তাঁদের।
৬ ঘণ্টা আগে