নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকার পরিবর্তনের পর পরিবহন সেক্টরে ঢাকা পরিবহন মালিকদের নতুন আহ্বায়ক কমিটি হয়েছে। এই সেক্টরে চাঁদা ও দখলদারির নৈরাজ্য কমছে। তবে রাস্তায় বা টার্মিনালে চাঁদাবাজি বন্ধ হলেও এর সঙ্গে বাসভাড়া কমানোর সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক মো. সাইফুল আলম।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘চাঁদামুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, নিরাপদ যাত্রীবান্ধব ও সুশৃঙ্খল সড়ক ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। এ সময় ভাড়া সরকার থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠিক করা হয়ে থাকে, তাই ভাড়ার বিষয়টি বাদে অন্যান্য দুর্ভোগ এখন থেকে কমানোর চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি।
চাঁদাবাজি না থাকলে সেটা যাত্রীদের ভাড়ার ওপর কোনো ইতিবাচক প্রভাব রাখবে কি না জানতে চাইলে সাইফুল আলম বলেন, চাঁদার সঙ্গে ভাড়ার বিষয়টি প্রাসঙ্গিক নয়। ভাড়া নির্ধারণ সরকার থেকে করা হয়। চাঁদাবাজির কারণে যানজট, দুর্ভোগ, নৈরাজ্য তৈরি হয়। সেগুলো এখন থেকে যাতে না হয়, সেই বিষয়ে তাঁরা খেয়াল রাখবেন।
রাজধানীর ভেতর চলাচলকারী বাসে সর্বনিম্ন ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে বাসশ্রমিকদের বিরোধ হয়। সে ক্ষেত্রে ভাড়া যারা বেশি নিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সেই বিষয়ে সাইফুল আলম বলেন, এই ভাড়াও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত। তবে যেসব বাস কোম্পানি তাদের মনমতো ভাড়া নির্ধারণ করে, সেগুলো মালিক সমিতি বন্ধ করবে।
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সাইফুল আলম বলেন, কমিউনিটি ট্রাফিকের নামে বাসপ্রতি ১০ টাকা, টার্মিনাল ও অন্যান্য চার্জ ২০ টাকা। এ ছাড়া মালিক সমিতি নিত ৩০ টাকা করে। এই টাকাটা বৈধভাবেই নেওয়া হতো। এর বাইরে কোনো টাকা চাঁদা নেওয়ার সুযোগ নেই।
মতবিনিময় সভায় সড়কে বিশৃঙ্খলার ৮০ ভাগের জন্য দায়ী সরকার ও প্রশাসন বলে অভিযোগ করেন বাস মালিক সমিতির নেতারা।
সভায় ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম কাজল বলেন, পরিবহন সেক্টরের বেশির ভাগ সমস্যাই কাঠামোগত। ৮০ ভাগ সমস্যা সরকার ও প্রশাসনের জন্য হয়। এখানে বাসমালিকদের সমস্যা মাত্র ২০ ভাগ হতে পারে।
বিশৃঙ্খলা শুধু বাসমালিকেরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না জানিয়ে সাইফুল আলম বলেন, একই সড়কের যন্ত্রচালিত যানবাহন এবং অযন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচল সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এ ছাড়া অবৈধ যেসব যানবাহন রয়েছে, সেগুলো বন্ধ সরকারকেই নিশ্চিত করতে হবে। হাঁটার জন্য ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হবে এবং বাসস্টপেজ নিশ্চিত করতে হবে।
মতবিনিময় সভা থেকে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ছয়টি কর্মসূচি ঘোষণা করে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নেতৃত্বে যানবাহনে চাঁদাবাজি বন্ধ ও যাত্রীবান্ধব পরিবহনসেবা নিশ্চিত করা। সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার জন্য মালিক/শ্রমিক ও প্রশাসনের সহযোগিতায় চেষ্টা অব্যাহত রাখা। টার্মিনালে চালক-শ্রমিকদের নিয়মিত কাউন্সেলিং/মোটিভেশন সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সরকার পরিবর্তনের পর পরিবহন সেক্টরে ঢাকা পরিবহন মালিকদের নতুন আহ্বায়ক কমিটি হয়েছে। এই সেক্টরে চাঁদা ও দখলদারির নৈরাজ্য কমছে। তবে রাস্তায় বা টার্মিনালে চাঁদাবাজি বন্ধ হলেও এর সঙ্গে বাসভাড়া কমানোর সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক মো. সাইফুল আলম।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘চাঁদামুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, নিরাপদ যাত্রীবান্ধব ও সুশৃঙ্খল সড়ক ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। এ সময় ভাড়া সরকার থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠিক করা হয়ে থাকে, তাই ভাড়ার বিষয়টি বাদে অন্যান্য দুর্ভোগ এখন থেকে কমানোর চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি।
চাঁদাবাজি না থাকলে সেটা যাত্রীদের ভাড়ার ওপর কোনো ইতিবাচক প্রভাব রাখবে কি না জানতে চাইলে সাইফুল আলম বলেন, চাঁদার সঙ্গে ভাড়ার বিষয়টি প্রাসঙ্গিক নয়। ভাড়া নির্ধারণ সরকার থেকে করা হয়। চাঁদাবাজির কারণে যানজট, দুর্ভোগ, নৈরাজ্য তৈরি হয়। সেগুলো এখন থেকে যাতে না হয়, সেই বিষয়ে তাঁরা খেয়াল রাখবেন।
রাজধানীর ভেতর চলাচলকারী বাসে সর্বনিম্ন ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে বাসশ্রমিকদের বিরোধ হয়। সে ক্ষেত্রে ভাড়া যারা বেশি নিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সেই বিষয়ে সাইফুল আলম বলেন, এই ভাড়াও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত। তবে যেসব বাস কোম্পানি তাদের মনমতো ভাড়া নির্ধারণ করে, সেগুলো মালিক সমিতি বন্ধ করবে।
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সাইফুল আলম বলেন, কমিউনিটি ট্রাফিকের নামে বাসপ্রতি ১০ টাকা, টার্মিনাল ও অন্যান্য চার্জ ২০ টাকা। এ ছাড়া মালিক সমিতি নিত ৩০ টাকা করে। এই টাকাটা বৈধভাবেই নেওয়া হতো। এর বাইরে কোনো টাকা চাঁদা নেওয়ার সুযোগ নেই।
মতবিনিময় সভায় সড়কে বিশৃঙ্খলার ৮০ ভাগের জন্য দায়ী সরকার ও প্রশাসন বলে অভিযোগ করেন বাস মালিক সমিতির নেতারা।
সভায় ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম কাজল বলেন, পরিবহন সেক্টরের বেশির ভাগ সমস্যাই কাঠামোগত। ৮০ ভাগ সমস্যা সরকার ও প্রশাসনের জন্য হয়। এখানে বাসমালিকদের সমস্যা মাত্র ২০ ভাগ হতে পারে।
বিশৃঙ্খলা শুধু বাসমালিকেরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না জানিয়ে সাইফুল আলম বলেন, একই সড়কের যন্ত্রচালিত যানবাহন এবং অযন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচল সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এ ছাড়া অবৈধ যেসব যানবাহন রয়েছে, সেগুলো বন্ধ সরকারকেই নিশ্চিত করতে হবে। হাঁটার জন্য ফুটপাত দখলমুক্ত করতে হবে এবং বাসস্টপেজ নিশ্চিত করতে হবে।
মতবিনিময় সভা থেকে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ছয়টি কর্মসূচি ঘোষণা করে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নেতৃত্বে যানবাহনে চাঁদাবাজি বন্ধ ও যাত্রীবান্ধব পরিবহনসেবা নিশ্চিত করা। সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার জন্য মালিক/শ্রমিক ও প্রশাসনের সহযোগিতায় চেষ্টা অব্যাহত রাখা। টার্মিনালে চালক-শ্রমিকদের নিয়মিত কাউন্সেলিং/মোটিভেশন সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে