নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিত প্রতিদিনই খারাপের দিকে যাচ্ছে। আক্রান্তের সংখ্যা দিনের পর দিন বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৯৪ জন। এদের মধ্যে ১৮১ জনই রাজধানী ঢাকায়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গতকাল বুধবার সকাল আটটা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটা পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ১৯৪ জন। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় রোগী ভর্তি হয়েছিল ১৫৩ জন এবং এর আগের দিনের ২৪ ঘণ্টায় রোগী ভর্তি হয়েছিলেন ১৪৩। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্যে এই চিত্র দেখা গেছে।
গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছিল ৪০৯ জন। অন্যদিকে চলতি মাসের ২৯ দিনেই রোগী শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯২০ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর জানুয়ারিতে দেশে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছিলেন ৩২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৯ জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে তিনজন, মে মাসে ৪৩ জন, জুনে ২৭১ জন। আর চলতি মাসের ২৯ দিনে এক হাজার ৯২০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত এবং বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন দুই হাজার ২৯২ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন এক হাজার ৬৪৬ জন। রাজধানীর ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন ৬১৮ জন এবং ঢাকার বাইরে ভর্তি রয়েছেন ২৪ জন।
দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। প্রতিদিনই অভিযান চালাচ্ছে এডিসের লার্ভা শনাক্ত করতে। এতে জেল–জরিমানাও করা হচ্ছে। এরই মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সার্ভে সপ্তাহ শুরু করেছে। দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনা মূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিত প্রতিদিনই খারাপের দিকে যাচ্ছে। আক্রান্তের সংখ্যা দিনের পর দিন বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৯৪ জন। এদের মধ্যে ১৮১ জনই রাজধানী ঢাকায়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গতকাল বুধবার সকাল আটটা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটা পর্যন্ত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ১৯৪ জন। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় রোগী ভর্তি হয়েছিল ১৫৩ জন এবং এর আগের দিনের ২৪ ঘণ্টায় রোগী ভর্তি হয়েছিলেন ১৪৩। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্যে এই চিত্র দেখা গেছে।
গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছিল ৪০৯ জন। অন্যদিকে চলতি মাসের ২৯ দিনেই রোগী শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯২০ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর জানুয়ারিতে দেশে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছিলেন ৩২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৯ জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে তিনজন, মে মাসে ৪৩ জন, জুনে ২৭১ জন। আর চলতি মাসের ২৯ দিনে এক হাজার ৯২০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত এবং বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন দুই হাজার ২৯২ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন এক হাজার ৬৪৬ জন। রাজধানীর ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন ৬১৮ জন এবং ঢাকার বাইরে ভর্তি রয়েছেন ২৪ জন।
দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। প্রতিদিনই অভিযান চালাচ্ছে এডিসের লার্ভা শনাক্ত করতে। এতে জেল–জরিমানাও করা হচ্ছে। এরই মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সার্ভে সপ্তাহ শুরু করেছে। দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিনা মূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে