ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির-২০২৩ কার্যকরী পরিষদের নির্বাচনে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ১৫টি পদের মধ্যে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪ পদেই আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে একটিমাত্র পদে জয় পেয়েছেন জাতীয়তাবাদ ও ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান। তিনি নীল দলের প্রার্থী অধ্যাপক ড. লাফিফা জামালকে হারিয়ে সহসভাপতি নির্বাচিত হন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে নির্বাচনের এ ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালক ও ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার।
সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন নীল দলের অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া। তিনি পেয়েছেন ৮১৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাদা দলের অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৮৪ ভোট। এছাড়া নীল দলের অপর বিদ্রোহী প্রার্থী অধ্যাপক ড. আ. ক. ম জামাল উদ্দিন পেয়েছেন ১৩২ ভোট।
সহসভাপতি পদে অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান ৬৭৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ড. লাফিফা জামাল পেয়েছেন ৬৩২ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা পেয়েছেন ৭১২; তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান পেয়েছেন ৫৮১ ভোট। কোষাধ্যক্ষ পদে ড. মো. মাসুদুর রহমান ৮২৮; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ড. মো. মহিউদ্দিন ৪৬১ ভোট পেয়েছেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে আবু খালেদ মো. খাদেমুল হক ৮৪৫ ভোট এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেবাশীষ পাল পেয়েছেন ৩৬৬ ভোট।
১০টি সদস্য পদে নির্বাচিতরা হলেন—অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান (জিয়া রহমান), অধ্যাপক আবু জাফর মো. শফিউল আলম ভূঁইয়া, ড. মো. আমজাদ আলী, ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, ড. শারমিন মূসা, অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান, অধ্যাপক ড. শরীফ আখতারুজ্জামান, ড. একেএম সাইফুল ইসলাম খান, ড. মো. মাকসুদুর রহমান, অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আক্কাছ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির-২০২৩ কার্যকরী পরিষদের নির্বাচনে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ১৫টি পদের মধ্যে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪ পদেই আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে একটিমাত্র পদে জয় পেয়েছেন জাতীয়তাবাদ ও ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান। তিনি নীল দলের প্রার্থী অধ্যাপক ড. লাফিফা জামালকে হারিয়ে সহসভাপতি নির্বাচিত হন।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে নির্বাচনের এ ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালক ও ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার।
সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন নীল দলের অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া। তিনি পেয়েছেন ৮১৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাদা দলের অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৮৪ ভোট। এছাড়া নীল দলের অপর বিদ্রোহী প্রার্থী অধ্যাপক ড. আ. ক. ম জামাল উদ্দিন পেয়েছেন ১৩২ ভোট।
সহসভাপতি পদে অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান ৬৭৯ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ড. লাফিফা জামাল পেয়েছেন ৬৩২ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা পেয়েছেন ৭১২; তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান পেয়েছেন ৫৮১ ভোট। কোষাধ্যক্ষ পদে ড. মো. মাসুদুর রহমান ৮২৮; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ড. মো. মহিউদ্দিন ৪৬১ ভোট পেয়েছেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে আবু খালেদ মো. খাদেমুল হক ৮৪৫ ভোট এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেবাশীষ পাল পেয়েছেন ৩৬৬ ভোট।
১০টি সদস্য পদে নির্বাচিতরা হলেন—অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান (জিয়া রহমান), অধ্যাপক আবু জাফর মো. শফিউল আলম ভূঁইয়া, ড. মো. আমজাদ আলী, ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার, ড. শারমিন মূসা, অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান, অধ্যাপক ড. শরীফ আখতারুজ্জামান, ড. একেএম সাইফুল ইসলাম খান, ড. মো. মাকসুদুর রহমান, অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আক্কাছ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে