নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাপানি নাগরিক নাকানো এরিকোর দুই শিশু কন্যাকে উদ্ধার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এই দুই শিশুকে ফিরে পেতে তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। গত বৃহস্পতিবার আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় তিনি আবেদনটি জমা দেন। এতে তিনি বাংলাদেশি-আমেরিকান স্বামীর কাছ থেকে সন্তানদের নিজের জিম্মায় পাওয়ার নির্দেশনা চেয়েছেন।
সিআইডির অতিরিক্ত একজন পুলিশ সুপার আজকের পত্রিকাকে বলেন, আজ রোববার বিকালে ওই জাপানি নারীর দুই কন্যা সন্তানকে উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে পরে আনুষ্ঠানিক ভাবে জানানো হবে।
জানা গেছে, নাকানো এরিকো (৪৬) পেশায় চিকিৎসক। তাঁর সঙ্গে ২০০৮ সালে বাংলাদেশি-আমেরিকান নাগরিক শরীফ ইমরানের (৫৮) বিয়ে হয়। জাপানের আইন অনুযায়ী বিয়ের পর তাঁরা টোকিওতে বাসবাস শুরু করেন। তাঁদের তিনটি সন্তান-জেসমিন মালিকা (১১), মাকানো লাইলা লিনা (৯) ও সানিয়া হেনা (৬)। তারা তিনজনই টোকিওর চফো সিটিতে অবস্থিত আমেরিকান স্কুল ইন জাপানের শিক্ষার্থী ছিল। চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি শরীফ ইমরান কৌশলে দুই কন্যা জেসমিন মালিকা ও মাকানো লাইলা লিনাকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন। চলতি বছরের ১৮ জুলাই নাকানো এরিকো সন্তানদের ফিরে পেতে বাংলাদেশে আসেন।
আদালতে দেওয়া নাকানো এরিকোর আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শরীফ ইমরান বর্তমানে ঢাকার আদাবরের মোহাম্মদীয়া হাউসিং সোসাইটিতে বসবাস করছেন। তিনি নাবালিকা দুই কন্যাকে নিয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন। জাপানের আদালতে চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি ডিভোর্সের আবেদন করেন। কিন্তু নির্ধারিত শুনানির তারিখে শরীফ ইমরান আদালতে হাজির হননি। এরিকো তাঁর দুই সন্তানকে আদালতে হাজির করার আবেদন করেন।
আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, শরীফ ইমরান তাঁর কন্যাদের নিয়ে এসে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করেছেন।

জাপানি নাগরিক নাকানো এরিকোর দুই শিশু কন্যাকে উদ্ধার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এই দুই শিশুকে ফিরে পেতে তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। গত বৃহস্পতিবার আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় তিনি আবেদনটি জমা দেন। এতে তিনি বাংলাদেশি-আমেরিকান স্বামীর কাছ থেকে সন্তানদের নিজের জিম্মায় পাওয়ার নির্দেশনা চেয়েছেন।
সিআইডির অতিরিক্ত একজন পুলিশ সুপার আজকের পত্রিকাকে বলেন, আজ রোববার বিকালে ওই জাপানি নারীর দুই কন্যা সন্তানকে উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে পরে আনুষ্ঠানিক ভাবে জানানো হবে।
জানা গেছে, নাকানো এরিকো (৪৬) পেশায় চিকিৎসক। তাঁর সঙ্গে ২০০৮ সালে বাংলাদেশি-আমেরিকান নাগরিক শরীফ ইমরানের (৫৮) বিয়ে হয়। জাপানের আইন অনুযায়ী বিয়ের পর তাঁরা টোকিওতে বাসবাস শুরু করেন। তাঁদের তিনটি সন্তান-জেসমিন মালিকা (১১), মাকানো লাইলা লিনা (৯) ও সানিয়া হেনা (৬)। তারা তিনজনই টোকিওর চফো সিটিতে অবস্থিত আমেরিকান স্কুল ইন জাপানের শিক্ষার্থী ছিল। চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি শরীফ ইমরান কৌশলে দুই কন্যা জেসমিন মালিকা ও মাকানো লাইলা লিনাকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন। চলতি বছরের ১৮ জুলাই নাকানো এরিকো সন্তানদের ফিরে পেতে বাংলাদেশে আসেন।
আদালতে দেওয়া নাকানো এরিকোর আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শরীফ ইমরান বর্তমানে ঢাকার আদাবরের মোহাম্মদীয়া হাউসিং সোসাইটিতে বসবাস করছেন। তিনি নাবালিকা দুই কন্যাকে নিয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন। জাপানের আদালতে চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি ডিভোর্সের আবেদন করেন। কিন্তু নির্ধারিত শুনানির তারিখে শরীফ ইমরান আদালতে হাজির হননি। এরিকো তাঁর দুই সন্তানকে আদালতে হাজির করার আবেদন করেন।
আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, শরীফ ইমরান তাঁর কন্যাদের নিয়ে এসে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করেছেন।

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৮ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৮ ঘণ্টা আগে