নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

হাইকোর্টের বেঞ্চ বিভাগীয় শহরে স্থানান্তর না করার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আইনজীবীরা। আজ সোমবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় আইনজীবীরা হাইকোর্টের বেঞ্চ বিভাগীয় শহরে স্থানান্তরের উদ্যোগের জন্য সরকারকে হুঁশিয়ারি দেন। প্রয়োজনে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
বিক্ষোভে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিলন বলেন, হাইকোর্টের বেঞ্চ বিভাগীয় শহরে স্থানান্তর করতে গিয়ে জুডিসিয়ারিকে দুর্বল করলে এর খারাপ কিছু আর হবে না। হাইকোর্টের বেঞ্চ বিভাগীয় শহরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসলে আইনজীবীরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।
সাধারণ আইনজীবীদের ব্যানারে এই কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন—শেখ আতিয়ার রহমান, ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম ও মাহবুবুর রহমান খান প্রমুখ।
এদিকে হাইকোর্টের বেঞ্চ বিভাগীয় শহরে স্থানান্তরের উদ্যোগ না নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম।
আজ সোমবার প্রধান বিচারপতির কাছে লেখা আবেদনে বলা হয়, সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের মূল আসন রাজধানী ঢাকায় থাকবে। হাইকোর্ট ডিভিশনের সেশন অন্যত্র বসানো গেলেও সেটি অস্থায়ী। এর স্থায়ী স্থানান্তর সাংবিধানিক চেতনার পরিপন্থী। বিভিন্ন বিভাগে আলাদা বেঞ্চ স্থাপন করা হলে একমুখী আইনপ্রয়োগে ভিন্নতা ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতে পারে। এটি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এককতা ও নীতিনির্ধারণের ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

আবেদনে আরও বলা হয়, বিভাগীয় শহরে বিচারপতি, স্টাফ, অবকাঠামো ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত ব্যয়সাধ্য ও জটিল। এতে রাষ্ট্রের অর্থ, সময় ও দক্ষতার অপচয় হবে। স্থানীয় প্রভাব, সামাজিক চাপ ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিচারকার্যে প্রভাব ফেলতে পারে। এটি হাইকোর্টের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা হ্রাস করতে পারে। ঢাকায় হাইকোর্টের মামলার সংখ্যা অনেক বেশি। বিচারপতিদের বিভাগে পাঠানো হলে ঢাকায় বিচারিক জট আরও বেড়ে যাবে।

হাইকোর্টের বেঞ্চ বিভাগীয় শহরে স্থানান্তর না করার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আইনজীবীরা। আজ সোমবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় আইনজীবীরা হাইকোর্টের বেঞ্চ বিভাগীয় শহরে স্থানান্তরের উদ্যোগের জন্য সরকারকে হুঁশিয়ারি দেন। প্রয়োজনে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
বিক্ষোভে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিলন বলেন, হাইকোর্টের বেঞ্চ বিভাগীয় শহরে স্থানান্তর করতে গিয়ে জুডিসিয়ারিকে দুর্বল করলে এর খারাপ কিছু আর হবে না। হাইকোর্টের বেঞ্চ বিভাগীয় শহরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসলে আইনজীবীরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে।
সাধারণ আইনজীবীদের ব্যানারে এই কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন—শেখ আতিয়ার রহমান, ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম ও মাহবুবুর রহমান খান প্রমুখ।
এদিকে হাইকোর্টের বেঞ্চ বিভাগীয় শহরে স্থানান্তরের উদ্যোগ না নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম।
আজ সোমবার প্রধান বিচারপতির কাছে লেখা আবেদনে বলা হয়, সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের মূল আসন রাজধানী ঢাকায় থাকবে। হাইকোর্ট ডিভিশনের সেশন অন্যত্র বসানো গেলেও সেটি অস্থায়ী। এর স্থায়ী স্থানান্তর সাংবিধানিক চেতনার পরিপন্থী। বিভিন্ন বিভাগে আলাদা বেঞ্চ স্থাপন করা হলে একমুখী আইনপ্রয়োগে ভিন্নতা ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতে পারে। এটি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এককতা ও নীতিনির্ধারণের ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

আবেদনে আরও বলা হয়, বিভাগীয় শহরে বিচারপতি, স্টাফ, অবকাঠামো ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা অত্যন্ত ব্যয়সাধ্য ও জটিল। এতে রাষ্ট্রের অর্থ, সময় ও দক্ষতার অপচয় হবে। স্থানীয় প্রভাব, সামাজিক চাপ ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিচারকার্যে প্রভাব ফেলতে পারে। এটি হাইকোর্টের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা হ্রাস করতে পারে। ঢাকায় হাইকোর্টের মামলার সংখ্যা অনেক বেশি। বিচারপতিদের বিভাগে পাঠানো হলে ঢাকায় বিচারিক জট আরও বেড়ে যাবে।

ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
৩২ মিনিট আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
৩৪ মিনিট আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
৩৬ মিনিট আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে