নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ব্যাংকের কর্মকর্তা সেজে মাস্টার ও ভিসা কার্ড ব্যবহারকারীদের কাছে ফোন দিয়ে তথ্য হালনাগাদের নামে পিন নম্বর নিয়ে নেন। এরপর গ্রাহকের কাছে ওটিপি কোড পাঠিয়ে কৌশলে আসল ওটিপি কোড সংগ্রহ করে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে ‘অ্যাড মানি’করে টাকা হাতিয়ে নেয় একটি চক্র।
চক্রের দুই সদস্যকে দিনাজপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার ক্রাইম ইউনিট।
তারা হলেন মো. রবিউল মিয়া এবং নজরুল ইসলাম। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি মোবাইল এবং ১০টি সিম জব্দ করা হয়। যার অধিকাংশই ভুয়া ব্যক্তিদের নামে নিবন্ধিত।
আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় এসব তথ্য জানান সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজাদ রহমান।
তিনি বলেন, ভিসা ও মাস্টার কার্ড ব্যবহার করে অর্থ লেনদেন করে মানুষ। এই কার্ড ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট হ্যাকড করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল প্রতারক চক্র। এ ধরনের কয়েকটি ঘটনায় ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা হলে সিআইডির সাইবার ইন্টেলিজেন্স টিম চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে। পরে দিনাজপুর থেকে চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙায় হলেও গ্রেপ্তার এড়াতে দিনাজপুরে বাসাভাড়া নিয়ে প্রতারণার কাজ করে।
প্রতারণার কৌশল সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, চক্রের এক সদস্য বিভিন্ন কার্ডধারীদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে অন্য আরেক সহযোগীর কাছে পাঠায়। এরপর তারা বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা সেজে কার্ড ব্যবহারকারীদের নম্বরে ফোন দেন। এ সময় তারা তথ্য হালনাগাদ, কার্ডের পিন নম্বর চার ডিজিটের পরিবর্তে ছয় ডিজিট ও মেইল আপডেট না করার কারণে কার্ড বন্ধ হয়েছে বলে জানান। অনেক গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে বড় অংকের ব্যালেন্স থাকায় তারা আতঙ্কিত হয়ে তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে থাকেন। গ্রাহকদের পাঠানো ওটিপি কোড সংগ্রহ করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করে। গ্রেপ্তারদের রমনা থানার মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান আজাদ রহমান।

ব্যাংকের কর্মকর্তা সেজে মাস্টার ও ভিসা কার্ড ব্যবহারকারীদের কাছে ফোন দিয়ে তথ্য হালনাগাদের নামে পিন নম্বর নিয়ে নেন। এরপর গ্রাহকের কাছে ওটিপি কোড পাঠিয়ে কৌশলে আসল ওটিপি কোড সংগ্রহ করে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে ‘অ্যাড মানি’করে টাকা হাতিয়ে নেয় একটি চক্র।
চক্রের দুই সদস্যকে দিনাজপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার ক্রাইম ইউনিট।
তারা হলেন মো. রবিউল মিয়া এবং নজরুল ইসলাম। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি মোবাইল এবং ১০টি সিম জব্দ করা হয়। যার অধিকাংশই ভুয়া ব্যক্তিদের নামে নিবন্ধিত।
আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় এসব তথ্য জানান সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজাদ রহমান।
তিনি বলেন, ভিসা ও মাস্টার কার্ড ব্যবহার করে অর্থ লেনদেন করে মানুষ। এই কার্ড ব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট হ্যাকড করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল প্রতারক চক্র। এ ধরনের কয়েকটি ঘটনায় ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা হলে সিআইডির সাইবার ইন্টেলিজেন্স টিম চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে। পরে দিনাজপুর থেকে চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বাড়ি ফরিদপুরের ভাঙায় হলেও গ্রেপ্তার এড়াতে দিনাজপুরে বাসাভাড়া নিয়ে প্রতারণার কাজ করে।
প্রতারণার কৌশল সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, চক্রের এক সদস্য বিভিন্ন কার্ডধারীদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে অন্য আরেক সহযোগীর কাছে পাঠায়। এরপর তারা বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা সেজে কার্ড ব্যবহারকারীদের নম্বরে ফোন দেন। এ সময় তারা তথ্য হালনাগাদ, কার্ডের পিন নম্বর চার ডিজিটের পরিবর্তে ছয় ডিজিট ও মেইল আপডেট না করার কারণে কার্ড বন্ধ হয়েছে বলে জানান। অনেক গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে বড় অংকের ব্যালেন্স থাকায় তারা আতঙ্কিত হয়ে তাদের কথা অনুযায়ী কাজ করতে থাকেন। গ্রাহকদের পাঠানো ওটিপি কোড সংগ্রহ করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করে। গ্রেপ্তারদের রমনা থানার মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান আজাদ রহমান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর আগে ঢাকা-৭ আসনের প্রার্থীরা সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান, কুশল বিনিময় এবং মতবিনিময়ের মাধ্যমে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তবে ভোটারদের অনেকে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
৭ মিনিট আগে
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান সংস্থাপন কর্মকর্তার কার্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারী লুৎফা বেগম। অফিস করেন টয়োটা ব্র্যান্ডের ল্যান্ডক্রুজার ডাবল কেবিনের একটি পিকআপে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাড়িটির মালিক ঢাকা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর।
৭ মিনিট আগে
ব্যক্তিগত ক্ষমতার প্রদর্শনে সংকটে পড়েছে রাষ্ট্রীয় একটি বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র। পাবনার টেবুনিয়ায় বিএডিসি বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অসদাচরণ ও হেনস্তার অভিযোগে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে।
১৭ মিনিট আগে
সাইবার বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন বরিশাল বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা। একটি সংঘবদ্ধ চক্র শিক্ষার্থীদের মোবাইলে কল করে এবং ফেসবুকে নানাভাবে হয়রানি করছে। শারীরিকভাবে ক্যাম্পাসে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন তাঁরা। এসব ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করাসহ অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
২২ মিনিট আগে