নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক বন্ধে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। এ সময় নামে-বেনামে প্রেস স্টিকার লাগানো প্রায় অর্ধশত ইজিবাইক জব্দ করা হয়। অবৈধ এসব যানবাহনের মালিক ও চালকদের কাছ থেকে স্টিকারের বিনিময়ে মাসোয়ারা আদায়েরও অভিযোগ রয়েছে।
ট্র্যাফিক পুলিশের বিশেষ অভিযানে আজ সোমবার সকালে এসব ইজিবাইক আটক করা হয়। পরে জরিমানা আদায় করে এবং শহরে প্রবেশ না করার শর্তে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, ইজিবাইকের কারণে পুরো শহরে যানজট তৈরি হয়। শহরের প্রধান সড়কগুলোতে অবৈধ অটোরিকশার স্ট্যান্ডও তৈরি করা হয়েছে। এতে সব সময় যানজটের কবলে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। মহামারির আগে এই ব্যাটারিচালিত রিকশা, মিশুক ও অটো অলিগলিতে চললেও করোনার পর তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। নিয়ন্ত্রণহীন এই বাহনে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা।
ইজিবাইক চালক করিম বলেন, ‘বাবু নামে এক লোক আমাদের এই স্টিকার দিছে। তারে মাসে কিছু টাকা দিলে ইজিবাইক পুলিশ আটকাইতো না। কিন্তু আজ তো ঠিকই আটকাইলো। স্টিকার দেখলে আগে কিছু বলত না। এখন বাসায় গিয়া স্টিকার তুইলা ফেলমু।’
এদিকে অধিকাংশ ইজিবাইকে প্রেস স্টিকার থাকার বিষয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘শহরে বেশ কিছু ইজিবাইকে আমরা প্রেস বা নানান গণমাধ্যমের নাম দেখতে পেয়েছি। আইন অমান্য করে তারা চলাচলের চেষ্টা করছিল। সেসব ইজিবাইক জব্দ করে নিয়মিত মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে। শহরে কোনোভাবেই ইজিবাইক প্রবেশ করতে পারবে না।’
এদিকে প্রেস স্টিকার লাগিয়ে মাসোয়ারা আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর (অ্যাডমিন) একে করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা কাউকে এই স্টিকার লাগিয়ে চলাচলের অনুমতি দেইনি। কারা এসব স্টিকার চালকদের দিয়েছে, তা আমরা জানি না। তবে স্টিকার লাগিয়ে অবৈধ ইজিবাইক শহরে প্রবেশ করতে পারবে না। ইজিবাইকগুলোকে আজ সর্বনিম্ন এক হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক বন্ধে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। এ সময় নামে-বেনামে প্রেস স্টিকার লাগানো প্রায় অর্ধশত ইজিবাইক জব্দ করা হয়। অবৈধ এসব যানবাহনের মালিক ও চালকদের কাছ থেকে স্টিকারের বিনিময়ে মাসোয়ারা আদায়েরও অভিযোগ রয়েছে।
ট্র্যাফিক পুলিশের বিশেষ অভিযানে আজ সোমবার সকালে এসব ইজিবাইক আটক করা হয়। পরে জরিমানা আদায় করে এবং শহরে প্রবেশ না করার শর্তে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, ইজিবাইকের কারণে পুরো শহরে যানজট তৈরি হয়। শহরের প্রধান সড়কগুলোতে অবৈধ অটোরিকশার স্ট্যান্ডও তৈরি করা হয়েছে। এতে সব সময় যানজটের কবলে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। মহামারির আগে এই ব্যাটারিচালিত রিকশা, মিশুক ও অটো অলিগলিতে চললেও করোনার পর তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। নিয়ন্ত্রণহীন এই বাহনে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা।
ইজিবাইক চালক করিম বলেন, ‘বাবু নামে এক লোক আমাদের এই স্টিকার দিছে। তারে মাসে কিছু টাকা দিলে ইজিবাইক পুলিশ আটকাইতো না। কিন্তু আজ তো ঠিকই আটকাইলো। স্টিকার দেখলে আগে কিছু বলত না। এখন বাসায় গিয়া স্টিকার তুইলা ফেলমু।’
এদিকে অধিকাংশ ইজিবাইকে প্রেস স্টিকার থাকার বিষয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘শহরে বেশ কিছু ইজিবাইকে আমরা প্রেস বা নানান গণমাধ্যমের নাম দেখতে পেয়েছি। আইন অমান্য করে তারা চলাচলের চেষ্টা করছিল। সেসব ইজিবাইক জব্দ করে নিয়মিত মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে। শহরে কোনোভাবেই ইজিবাইক প্রবেশ করতে পারবে না।’
এদিকে প্রেস স্টিকার লাগিয়ে মাসোয়ারা আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর (অ্যাডমিন) একে করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা কাউকে এই স্টিকার লাগিয়ে চলাচলের অনুমতি দেইনি। কারা এসব স্টিকার চালকদের দিয়েছে, তা আমরা জানি না। তবে স্টিকার লাগিয়ে অবৈধ ইজিবাইক শহরে প্রবেশ করতে পারবে না। ইজিবাইকগুলোকে আজ সর্বনিম্ন এক হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আমরা অতিরিক্ত সুবিধা চাই না, ন্যায়বিচার চাই। তাহরিমা জান্নাত সুরভী নাগরিক সুবিধা পাননি। তাঁর সাথে কোনো ন্যায়বিচার করা হয়নি। একটি মিথ্যা মামলায় তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।’
১২ মিনিট আগে
দেশে আগামী মাসের ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই গণভোট সামনে রেখে এরই মধ্যে সরকারের তরফ থেকে শুরু হয়েছে প্রচারণা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ভোটের গাড়ি। তবে মৌলভীবাজারে এই প্রচারণা সীমাবদ্ধ রয়েছে কেবল জেলা শহর পর্যন্ত। কিন্তু জেলার ৯২টি চা-বাগানের ভোটার এবং
৬ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণের কাজ আট বছরেও শুরু হয়নি। জমি অধিগ্রহণ ও সাইনবোর্ড স্থাপনেই থেমে আছে প্রকল্প। এদিকে উপজেলার কোথাও অগ্নিকাণ্ড ঘটলে সময়মতো ফায়ার সার্ভিসের সেবা মিলছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
তীব্র শীত এবং ঘন কুয়াশার কারণে গাইবান্ধা ও নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় বোরো ধানের বীজতলায় ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। অনেক জায়গায় চারা মরে যাচ্ছে, আবার জীবিত চারাগুলো হলদে হয়ে পাতা নষ্ট হচ্ছে। ছত্রাকনাশক ও বালাইনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জমিতে চারা রোপণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকে
৭ ঘণ্টা আগে