নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জোবাইদা রহমানের মামলায় আদালতে যখন সাক্ষ্য গ্রহণ হয়। বাইরে তখন বিএনপি ও আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা মিছিল করেন। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ও জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে এ ঘটনা ঘটে।
আজ সকালে শাহ আলম নামে ঢাকা জেলা প্রশাসক অফিসের উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আদালতে হাজিরা দেন। বিচারক মো. আছাদুজ্জামান বেলা ৩টার সময় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সময় নির্ধারণ করে দেন।
বেলা ৩টার আগে রাষ্ট্রপক্ষ ও আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা আদালতে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার ও ওমর ফারুকের নেতৃত্বে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা মিছিল নিয়ে আদালতের বারান্দায় যান। ওই সময় তাঁরা হ্যান্ডমাইকে স্লোগান দেন। অন্যদিক থেকে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরাও মিছিল নিয়ে বারান্দায় হাজির হন। উভয়পক্ষের পাল্টাপাল্টি মিছিলে আদালত ভবনে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের বাধার মুখে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা আদালত ভবন থেকে বের হয়ে বটতলায় মিছিল করেন। এদিকে আদালতের ভেতরে বেলা সোয়া ৩টার সময় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।
ঢাকার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ সহকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহ আলম আদালতকে বলেন, ২০০৭ সালের ৮ নভেম্বর তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তখন এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দৈনিক দিনকালের মালিকানা ও প্রকাশনা সংক্রান্ত বেশ কিছু কাগজপত্র ডিসি অফিস থেকে জব্দ করেন। তিনি বলেন, ওই সব কাগজপত্র তাঁর সম্মুখে জব্দ করা হয় এবং এই জব্দ তালিকায় তিনি স্বাক্ষর করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হওয়ার পর আদালত অন্য মামলার শুনানি শুরু করেন।
গতকাল মঙ্গলবার আদালতে বিএনপি ও আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে তুমুল হট্টগোল হয়। পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে দুজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। কাল বৃহস্পতিবারও এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।
তারেক ও জোবাইদা পলাতক থাকায় তাঁদের পক্ষে কোনো আইনজীবী মামলার শুনানিতে অংশ নিতে পারছেন না। গত বৃহস্পতিবার ও সোমবার পাঁচজন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন। ২১ মে মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. জহিরুল হুদা সাক্ষ্য দেন।
এর আগে গত ১৩ এপ্রিল তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন আদালত। মামলার বিবরণে বলা হয়, ঘোষিত আয়ের বাইরে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া এবং সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় এই মামলা করে দুদক। মামলায় তারেক রহমান, জোবাইদা রহমান ও তাঁর মা অর্থাৎ তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। তারেক রহমানের শাশুড়িকে মামলা থেকে হাইকোর্ট অব্যাহতি দেন।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জোবাইদা রহমানের মামলায় আদালতে যখন সাক্ষ্য গ্রহণ হয়। বাইরে তখন বিএনপি ও আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা মিছিল করেন। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ও জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে এ ঘটনা ঘটে।
আজ সকালে শাহ আলম নামে ঢাকা জেলা প্রশাসক অফিসের উপপ্রশাসনিক কর্মকর্তা সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আদালতে হাজিরা দেন। বিচারক মো. আছাদুজ্জামান বেলা ৩টার সময় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য সময় নির্ধারণ করে দেন।
বেলা ৩টার আগে রাষ্ট্রপক্ষ ও আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা আদালতে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার ও ওমর ফারুকের নেতৃত্বে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা মিছিল নিয়ে আদালতের বারান্দায় যান। ওই সময় তাঁরা হ্যান্ডমাইকে স্লোগান দেন। অন্যদিক থেকে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরাও মিছিল নিয়ে বারান্দায় হাজির হন। উভয়পক্ষের পাল্টাপাল্টি মিছিলে আদালত ভবনে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের বাধার মুখে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা আদালত ভবন থেকে বের হয়ে বটতলায় মিছিল করেন। এদিকে আদালতের ভেতরে বেলা সোয়া ৩টার সময় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।
ঢাকার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ সহকারি প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহ আলম আদালতকে বলেন, ২০০৭ সালের ৮ নভেম্বর তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তখন এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দৈনিক দিনকালের মালিকানা ও প্রকাশনা সংক্রান্ত বেশ কিছু কাগজপত্র ডিসি অফিস থেকে জব্দ করেন। তিনি বলেন, ওই সব কাগজপত্র তাঁর সম্মুখে জব্দ করা হয় এবং এই জব্দ তালিকায় তিনি স্বাক্ষর করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হওয়ার পর আদালত অন্য মামলার শুনানি শুরু করেন।
গতকাল মঙ্গলবার আদালতে বিএনপি ও আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে তুমুল হট্টগোল হয়। পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে দুজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। কাল বৃহস্পতিবারও এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।
তারেক ও জোবাইদা পলাতক থাকায় তাঁদের পক্ষে কোনো আইনজীবী মামলার শুনানিতে অংশ নিতে পারছেন না। গত বৃহস্পতিবার ও সোমবার পাঁচজন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন। ২১ মে মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. জহিরুল হুদা সাক্ষ্য দেন।
এর আগে গত ১৩ এপ্রিল তারেক রহমান ও জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন আদালত। মামলার বিবরণে বলা হয়, ঘোষিত আয়ের বাইরে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া এবং সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় এই মামলা করে দুদক। মামলায় তারেক রহমান, জোবাইদা রহমান ও তাঁর মা অর্থাৎ তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। তারেক রহমানের শাশুড়িকে মামলা থেকে হাইকোর্ট অব্যাহতি দেন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে