ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইলমা চৌধুরীর বাবা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী অভিযোগ করে বলেছেন, ‘আমার মেয়েকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা মিলে তিন দিন ধরে অত্যাচার করে হত্যা করেছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীর ফাঁসি চাই। এ হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে দেশের কোনো মানুষ নিরাপদ থাকবে না।’
আজ রোববার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক মানববন্ধনে ইলমার বাবা এই অভিযোগ করেন। ইলমার পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীরা এই মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এ সময় তাঁরা ইলমার স্বামীর পরিবারের সবাইকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
ইলমার বাবা কান্নাজড়িত কণ্ঠে মেয়ে হত্যার বিচারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, ‘আমার মেয়ের মতো আর কেউ যেন এমন পরিস্থিতির শিকার না হয়।’
ইলমার মা শিল্পী চৌধুরী বলেন, ‘ইলমাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল। কিন্তু সেটা ভেঙে গেল। মিষ্টি মিষ্টি মিথ্যা কথা বলে সে (ইলমার স্বামী) তাকে বিয়ে করে। ইলমার খুনের পেছনে তার (ইলমার স্বামী) পরিবারের সবাই জড়িত। আমি প্রশাসনকে অনুরোধ করছি তার পরিবারের সবাইকে গ্রেপ্তার করেন। তাহলে সব তথ্য পাবেন।’
মানববন্ধনে ইলমার বান্ধবী তিথি বলেন, ‘ইলমাকে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন ক্লাসে আসতে দিত না। তাকে সার্বক্ষণিক পাহারা দিয়ে রাখত। তাকে মানসিকভাবে অনেক নির্যাতন করা হয়েছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। সে একটা সময় বাসা থেকে বের হতে চেয়েছিল, কিন্তু তাকে বের হতে দেওয়া হয়নি।’
নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষক এ্যাগনেস প্যারিস বলেন, ‘আজকে এখানে এভাবে দাঁড়াতে হবে কখনো ভাবতেও পারিনি। মানুষ হত্যার মতো জঘন্য কিছু আর হতে পারে না। ইলমা যদি আমাদের একবার জানাত, এই জঘন্য মানুষটির সঙ্গে আমরা তাকে থাকতে দিতাম না। তাকে বাঁচানোর জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করতাম।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইলমা চৌধুরীর বাবা সাইফুল ইসলাম চৌধুরী অভিযোগ করে বলেছেন, ‘আমার মেয়েকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা মিলে তিন দিন ধরে অত্যাচার করে হত্যা করেছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীর ফাঁসি চাই। এ হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে দেশের কোনো মানুষ নিরাপদ থাকবে না।’
আজ রোববার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক মানববন্ধনে ইলমার বাবা এই অভিযোগ করেন। ইলমার পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীরা এই মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এ সময় তাঁরা ইলমার স্বামীর পরিবারের সবাইকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
ইলমার বাবা কান্নাজড়িত কণ্ঠে মেয়ে হত্যার বিচারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, ‘আমার মেয়ের মতো আর কেউ যেন এমন পরিস্থিতির শিকার না হয়।’
ইলমার মা শিল্পী চৌধুরী বলেন, ‘ইলমাকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল। কিন্তু সেটা ভেঙে গেল। মিষ্টি মিষ্টি মিথ্যা কথা বলে সে (ইলমার স্বামী) তাকে বিয়ে করে। ইলমার খুনের পেছনে তার (ইলমার স্বামী) পরিবারের সবাই জড়িত। আমি প্রশাসনকে অনুরোধ করছি তার পরিবারের সবাইকে গ্রেপ্তার করেন। তাহলে সব তথ্য পাবেন।’
মানববন্ধনে ইলমার বান্ধবী তিথি বলেন, ‘ইলমাকে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন ক্লাসে আসতে দিত না। তাকে সার্বক্ষণিক পাহারা দিয়ে রাখত। তাকে মানসিকভাবে অনেক নির্যাতন করা হয়েছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। সে একটা সময় বাসা থেকে বের হতে চেয়েছিল, কিন্তু তাকে বের হতে দেওয়া হয়নি।’
নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষক এ্যাগনেস প্যারিস বলেন, ‘আজকে এখানে এভাবে দাঁড়াতে হবে কখনো ভাবতেও পারিনি। মানুষ হত্যার মতো জঘন্য কিছু আর হতে পারে না। ইলমা যদি আমাদের একবার জানাত, এই জঘন্য মানুষটির সঙ্গে আমরা তাকে থাকতে দিতাম না। তাকে বাঁচানোর জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করতাম।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে