নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ভোরের আলো সবে ফুটেছে। ঢিমেতালে কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছেন প্রিসাইডিং অফিসাররা। কারণ কোনো তাড়া নেই। ভোটারদের অপেক্ষায় গল্প-গুজব করছেন পোলিং অফিসারসহ অন্যরা। সকাল ৮টার দিকেও কোনো লাইন তৈরি হয়নি ঢাকা-৯ আসনের ফয়জুর রহমান আইডিয়াল ইনস্টিটিউটের চারটি কেন্দ্রে। ফাঁকা মাঠ। একজন-দুজন একটু পরে ভোটকেন্দ্রে ঢুকছেন। মধ্যবয়স্ক একজন ভোট দিয়ে বের হয়ে বললেন, ‘ভোট দেওয়ার চেয়ে ঘুমানোই ভালো ছিল।’ তবে তিনি নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।
এদিকে বেলা বাড়লেও সকালের পরিস্থিতি থেকে ভোটার আসার পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন নেই। হঠাৎ দেখা গেল একটি ইজিবাইক ঘিরে বেশ জটলা। তাতে লাগানো নৌকার প্রার্থী সাবের হোসেন চৌধুরীর পোস্টার। একজন জিজ্ঞেস করলেন, ‘এই এইডা কি ভোটারের গাড়ি? বাসায় যামু। ভোট দেওন শ্যাষ। দেখা গেল এমনই বেশ কয়েকটি ইজিবাইক ভোটার আনা-নেওয়া করছে।’
প্রিসাইডিং অফিসার তারিক মাহমুদ বলেন, ঢাকায় লোকজন বেশ বেলা পর্যন্ত ঘুমায়। তাই ১২টা নাগাদ বোঝা যাবে ভোটারদের অবস্থা কী।
সকাল ১০টা পর্যন্ত চারটি কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৬৩ নম্বর কেন্দ্রের মোট ভোটার ১ হাজার ৯৩৫ (পুরুষ) ভোট দিয়েছেন ৮৫ জন, ৬৪ নম্বর কেন্দ্রের মোট ভোটার ২ হাজার ৩৫২ (পুরুষ) ভোট দিয়েছেন ৯৫ জন, ৬৫ নম্বর কেন্দ্রে মোট ভোটার ১ হাজার ৯৩৬ জন (মহিলা) ভোট দিয়েছেন ৩৬ জন, ৬৬ নম্বর কেন্দ্রে ২ হাজার ২০৫ (মহিলা), ভোট দিয়েছেন ৩৯ জন।
ঢাকা-৯ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী লড়াই করছেন। এই আসনে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী নেই। তাঁরা হলেন কাজী আবুল খায়ের (জাতীয় পার্টি) লাঙ্গল, তাহমিনা আক্তার (গণফ্রন্ট) মাছ, মোসা. রুবিনা আক্তার রুবি (তৃণমূল বিএনপি) সোনালি আঁশ, মোহাম্মদ কফিল (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি) আম, মোহাম্মদ শফি উল্লাহ চৌধুরী (ন্যাশনালিস্ট ঐক্যফ্রন্ট) টেলিভিশন, মো. আনোয়ারুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি) কাঁঠাল, মো. নুরুল হোসাইন (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট) ছড়ি, মো. মাহিদুল ইসলাম (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি) একতারা, সাবের হোসেন চৌধুরী (আওয়ামী লীগ) নৌকা।

ভোরের আলো সবে ফুটেছে। ঢিমেতালে কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছেন প্রিসাইডিং অফিসাররা। কারণ কোনো তাড়া নেই। ভোটারদের অপেক্ষায় গল্প-গুজব করছেন পোলিং অফিসারসহ অন্যরা। সকাল ৮টার দিকেও কোনো লাইন তৈরি হয়নি ঢাকা-৯ আসনের ফয়জুর রহমান আইডিয়াল ইনস্টিটিউটের চারটি কেন্দ্রে। ফাঁকা মাঠ। একজন-দুজন একটু পরে ভোটকেন্দ্রে ঢুকছেন। মধ্যবয়স্ক একজন ভোট দিয়ে বের হয়ে বললেন, ‘ভোট দেওয়ার চেয়ে ঘুমানোই ভালো ছিল।’ তবে তিনি নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।
এদিকে বেলা বাড়লেও সকালের পরিস্থিতি থেকে ভোটার আসার পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন নেই। হঠাৎ দেখা গেল একটি ইজিবাইক ঘিরে বেশ জটলা। তাতে লাগানো নৌকার প্রার্থী সাবের হোসেন চৌধুরীর পোস্টার। একজন জিজ্ঞেস করলেন, ‘এই এইডা কি ভোটারের গাড়ি? বাসায় যামু। ভোট দেওন শ্যাষ। দেখা গেল এমনই বেশ কয়েকটি ইজিবাইক ভোটার আনা-নেওয়া করছে।’
প্রিসাইডিং অফিসার তারিক মাহমুদ বলেন, ঢাকায় লোকজন বেশ বেলা পর্যন্ত ঘুমায়। তাই ১২টা নাগাদ বোঝা যাবে ভোটারদের অবস্থা কী।
সকাল ১০টা পর্যন্ত চারটি কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৬৩ নম্বর কেন্দ্রের মোট ভোটার ১ হাজার ৯৩৫ (পুরুষ) ভোট দিয়েছেন ৮৫ জন, ৬৪ নম্বর কেন্দ্রের মোট ভোটার ২ হাজার ৩৫২ (পুরুষ) ভোট দিয়েছেন ৯৫ জন, ৬৫ নম্বর কেন্দ্রে মোট ভোটার ১ হাজার ৯৩৬ জন (মহিলা) ভোট দিয়েছেন ৩৬ জন, ৬৬ নম্বর কেন্দ্রে ২ হাজার ২০৫ (মহিলা), ভোট দিয়েছেন ৩৯ জন।
ঢাকা-৯ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী লড়াই করছেন। এই আসনে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী নেই। তাঁরা হলেন কাজী আবুল খায়ের (জাতীয় পার্টি) লাঙ্গল, তাহমিনা আক্তার (গণফ্রন্ট) মাছ, মোসা. রুবিনা আক্তার রুবি (তৃণমূল বিএনপি) সোনালি আঁশ, মোহাম্মদ কফিল (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি) আম, মোহাম্মদ শফি উল্লাহ চৌধুরী (ন্যাশনালিস্ট ঐক্যফ্রন্ট) টেলিভিশন, মো. আনোয়ারুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি) কাঁঠাল, মো. নুরুল হোসাইন (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট) ছড়ি, মো. মাহিদুল ইসলাম (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি) একতারা, সাবের হোসেন চৌধুরী (আওয়ামী লীগ) নৌকা।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আমরা অতিরিক্ত সুবিধা চাই না, ন্যায়বিচার চাই। তাহরিমা জান্নাত সুরভী নাগরিক সুবিধা পাননি। তাঁর সাথে কোনো ন্যায়বিচার করা হয়নি। একটি মিথ্যা মামলায় তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।’
১২ মিনিট আগে
দেশে আগামী মাসের ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই গণভোট সামনে রেখে এরই মধ্যে সরকারের তরফ থেকে শুরু হয়েছে প্রচারণা। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ভোটের গাড়ি। তবে মৌলভীবাজারে এই প্রচারণা সীমাবদ্ধ রয়েছে কেবল জেলা শহর পর্যন্ত। কিন্তু জেলার ৯২টি চা-বাগানের ভোটার এবং
৬ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণের কাজ আট বছরেও শুরু হয়নি। জমি অধিগ্রহণ ও সাইনবোর্ড স্থাপনেই থেমে আছে প্রকল্প। এদিকে উপজেলার কোথাও অগ্নিকাণ্ড ঘটলে সময়মতো ফায়ার সার্ভিসের সেবা মিলছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
তীব্র শীত এবং ঘন কুয়াশার কারণে গাইবান্ধা ও নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় বোরো ধানের বীজতলায় ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। অনেক জায়গায় চারা মরে যাচ্ছে, আবার জীবিত চারাগুলো হলদে হয়ে পাতা নষ্ট হচ্ছে। ছত্রাকনাশক ও বালাইনাশক প্রয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে জমিতে চারা রোপণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকে
৭ ঘণ্টা আগে