নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি হবে বলে জাতীয় সংসদকে নিশ্চয়তা দিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শরিক তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি। তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে আজকের প্রধানমন্ত্রী যেমন আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন। আমিও তরিকত ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এমপি হব, এই ব্যাপারে কোনো ভুল নাই। তখন হয়তো আমি আমার বাকি কাজ করে নেব।’
আজ বুধবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি।
আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ওই নির্বাচনে বিএনপি আসুক আর না আসুক কিচ্ছু আসে যায় না। ১৪ দলীয় জোট নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচন হবে।’ ১৪ দলীয় জোট সক্রিয় আছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দেশের উন্নয়নের জন্য দরকার ক্ষমতার ধারাবাহিকতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন উল্লেখ করে নজিবুল বশর বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখন দেশ এগিয়ে যাচ্ছে তখন বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতসহ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন যারা বিরোধিতা করেছেন তাদের যোগসাজশে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।’
নজিবুল বশর বলেন, ‘তারা (বিএনপি-জামায়াত) যত ষড়যন্ত্র করুক। নির্বাচন করুক আর না করুক সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনার অধীনে জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।’
নজিবুল বশর বলেন, ‘আমার কাছে যতটুকু খবর আছে আগামী আগস্ট মাস থেকে তারা (বিএনপি-জামায়াত) আবার খুনোখুনি শুরু করবে। তাদের ষড়যন্ত্র সেভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে। আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসে দেশটাকে অন্যদিকে নিয়ে যেতে চান। খুনোখুনি, রাহাজানী, জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি করবে। এই ব্যাপারে সরকারকে সচেতন থাকার জন্য বলছি।’

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি হবে বলে জাতীয় সংসদকে নিশ্চয়তা দিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শরিক তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি। তিনি বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে আজকের প্রধানমন্ত্রী যেমন আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন। আমিও তরিকত ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এমপি হব, এই ব্যাপারে কোনো ভুল নাই। তখন হয়তো আমি আমার বাকি কাজ করে নেব।’
আজ বুধবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি।
আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ওই নির্বাচনে বিএনপি আসুক আর না আসুক কিচ্ছু আসে যায় না। ১৪ দলীয় জোট নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচন হবে।’ ১৪ দলীয় জোট সক্রিয় আছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দেশের উন্নয়নের জন্য দরকার ক্ষমতার ধারাবাহিকতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন উল্লেখ করে নজিবুল বশর বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখন দেশ এগিয়ে যাচ্ছে তখন বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতসহ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন যারা বিরোধিতা করেছেন তাদের যোগসাজশে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।’
নজিবুল বশর বলেন, ‘তারা (বিএনপি-জামায়াত) যত ষড়যন্ত্র করুক। নির্বাচন করুক আর না করুক সংবিধান অনুযায়ী শেখ হাসিনার অধীনে জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।’
নজিবুল বশর বলেন, ‘আমার কাছে যতটুকু খবর আছে আগামী আগস্ট মাস থেকে তারা (বিএনপি-জামায়াত) আবার খুনোখুনি শুরু করবে। তাদের ষড়যন্ত্র সেভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে। আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসে দেশটাকে অন্যদিকে নিয়ে যেতে চান। খুনোখুনি, রাহাজানী, জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি করবে। এই ব্যাপারে সরকারকে সচেতন থাকার জন্য বলছি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে