কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লায় পকেটমার বলে মামলার বাদীকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে আসামিরা। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা আদালত চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। মারধরে গুরুতর আহত সুমন মিয়াকে (২২) উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়ে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকেরা তাঁকে আইসিইউতে রেফার্ড করেছেন।
আহত সুমন মিয়া হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন হোমনার শ্রীমদ্দি এলাকার গনি মিয়ার ছেলে আবদুল মতিন (৫৬) ও আবদুল খালেক সাদ্দাম হোসেন (২৯)। জমি-সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তাঁদের মধ্যে এর আগেও দ্বন্দ্ব ছিল।
আহত সুমনের বড় বোন ইয়াসমিন আরা জানান, গত ১৫ জানুয়ারি জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনায় তাঁদের প্রতিবেশী মতিন মিয়া ও সাদ্দাম হোসেনের বাবা খালেক মিয়াসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন সুমন। এই ঘটনার জেরে ১৫ ফেব্রুয়ারি সুমনের বাবা দৌলত মিয়াকে আবারও পেটায় আসামিপক্ষ। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ আবারও থানায় অভিযোগ দায়ের করে। এসব মামলার বিষয়ে খোঁজ নিতে আজ রোববার আসামিরা আদালতে আসেন। তখন বাদী সুমন ও তাঁর বোন ইয়াসমিন আদালতে প্রবেশ করলে সুমনকে পকেটমার বলে মারধর শুরু করে আসামিপক্ষের লোকজন।
তখন সুমন অচেতন হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন প্রথমে পকেটমার মনে করলেও পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে সুমনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক সালাহ উদ্দিন জানান, আদালতে সাধারণ মানুষের হাতে আটক মতিন ও সাদ্দামকে কোতোয়ালি থানায় নেওয়া হয়েছে। আহত সুমনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার গাজী আরিফুল ইসলাম বলেন, সুমনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে আইসিইউতে রেফার্ড করা হয়েছে।
কুমিল্লা আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. শহীদুল্লাহ জানান, এ ঘটনায়ও বাদী চাইলে আলাদা মামলা করতে পারে। যারা সুমনকে মেরেছে তাদের আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লায় পকেটমার বলে মামলার বাদীকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে আসামিরা। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা আদালত চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। মারধরে গুরুতর আহত সুমন মিয়াকে (২২) উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়ে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকেরা তাঁকে আইসিইউতে রেফার্ড করেছেন।
আহত সুমন মিয়া হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন হোমনার শ্রীমদ্দি এলাকার গনি মিয়ার ছেলে আবদুল মতিন (৫৬) ও আবদুল খালেক সাদ্দাম হোসেন (২৯)। জমি-সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে তাঁদের মধ্যে এর আগেও দ্বন্দ্ব ছিল।
আহত সুমনের বড় বোন ইয়াসমিন আরা জানান, গত ১৫ জানুয়ারি জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনায় তাঁদের প্রতিবেশী মতিন মিয়া ও সাদ্দাম হোসেনের বাবা খালেক মিয়াসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন সুমন। এই ঘটনার জেরে ১৫ ফেব্রুয়ারি সুমনের বাবা দৌলত মিয়াকে আবারও পেটায় আসামিপক্ষ। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ আবারও থানায় অভিযোগ দায়ের করে। এসব মামলার বিষয়ে খোঁজ নিতে আজ রোববার আসামিরা আদালতে আসেন। তখন বাদী সুমন ও তাঁর বোন ইয়াসমিন আদালতে প্রবেশ করলে সুমনকে পকেটমার বলে মারধর শুরু করে আসামিপক্ষের লোকজন।
তখন সুমন অচেতন হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন প্রথমে পকেটমার মনে করলেও পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে সুমনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক সালাহ উদ্দিন জানান, আদালতে সাধারণ মানুষের হাতে আটক মতিন ও সাদ্দামকে কোতোয়ালি থানায় নেওয়া হয়েছে। আহত সুমনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার গাজী আরিফুল ইসলাম বলেন, সুমনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে আইসিইউতে রেফার্ড করা হয়েছে।
কুমিল্লা আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. শহীদুল্লাহ জানান, এ ঘটনায়ও বাদী চাইলে আলাদা মামলা করতে পারে। যারা সুমনকে মেরেছে তাদের আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
২৪ মিনিট আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব জটিলতায় এর আগে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শেরপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করেন। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে ওই রায় এখনো অপেক্ষমাণ রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গুলশান কালাচাঁদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামের এক তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাদিয়া একটি পারলারে ও বারে কাজ করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২ ঘণ্টা আগে