প্রতিনিধি

কুমিল্লা: চলমান লকডাউনে কুমিল্লায় ওষুধ, কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খোলা থাকছে। তবে অন্যান্য দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসনও।
তবে কুমিল্লার দোকানিরা কৌশলে বেচাকেনা চালিয়ে যাচ্ছেন। নগরীর বড় শপিংমলগুলো বন্ধ থাকলেও নিয়মিত বেচাকেনা চলছে ছোট দোকানগুলোতে।
এসব দোকানে কেনাকাটা চলছে ফজরের নামাজের পর থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত। কারণ এসময়টাতে পুলিশ বা প্রশাসনের কেউ মাঠে থাকে না।
এ নিয়ে নগরীর কান্দিরপাড়ের একাধিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা হয়। তারা বলেন, সামনে ঈদ, দোকানের খরচ, নিজের ও কর্মচারীদের পেটের চিন্তা করতে হয়, তাই ফজর নামাজ পড়ে চলে আসি। দোকানে দুই–আড়াই ঘণ্টায় কিছু বেচাকেনা হয়। তাছাড়া এ সময়টাতে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট থাকে না। আর শহর ফাঁকা থাকায় তেমন একটা জনসমাগমও হয় না। তাছাড়া আমরা সব স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কেনাবেচা করি।
নগরীর চকবাজার থেকে রাজগঞ্জ পর্যন্ত, রাজগঞ্জ থেকে কান্দিরপাড় পর্যন্ত, রানীরবাজার রোড, মোঘলটুলি রোডসহ নগরীর প্রায় ছোট মার্কেট ও দোকানে নিয়মিত বেচাকেনা চলছে। প্রতিটি দোকানের এক পাশের শাটার খোলা রেখে কর্মচারী সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। ক্রেতা এলেই ভেতরে নিয়ে শাটার নামিয়ে দেওয়া হয়। এভাবে সকাল ৮টা পর্যন্ত বেচাকেনা হয়।
বিক্রেতারা জানান, এ সময়টাতে পোশাক, প্রসাধনীসহ ঈদের কেনাকাটার জন্যই বেশিরভাগ ক্রেতা আসে। এখন ক্রেতারাও জেনে গেছেন কখন দোকান খোলা থাকে।
অনেকে আবার শহরে অন্য কাজে এসে এই কাণ্ড দেখে অবাক হচ্ছেন। ভোর বেলায় নগরীর কান্দিরপাড়ে একটি কাজে এসেছিলেন সোহাগ চৌধুরী। তিনি বলেন, আসছি অন্য একটা কাজে। এসে দেখি দোকানপাটে বেচাকেনা হচ্ছে, তাই একটু দেখতে আসলাম।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়ার বাজার থেকে আসা মোস্তফা নামে এক ক্রেতা জানান, স্ত্রী–সন্তানদের আবদার রাখতে ভোরে সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে শহরে চলে আসছি কেনাকাটা করতে, সকালবেলার পরিবেশটাও ঠান্ডা থাকে। পুলিশের কোনো ঝামেলা নেই!

কুমিল্লা: চলমান লকডাউনে কুমিল্লায় ওষুধ, কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খোলা থাকছে। তবে অন্যান্য দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসনও।
তবে কুমিল্লার দোকানিরা কৌশলে বেচাকেনা চালিয়ে যাচ্ছেন। নগরীর বড় শপিংমলগুলো বন্ধ থাকলেও নিয়মিত বেচাকেনা চলছে ছোট দোকানগুলোতে।
এসব দোকানে কেনাকাটা চলছে ফজরের নামাজের পর থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত। কারণ এসময়টাতে পুলিশ বা প্রশাসনের কেউ মাঠে থাকে না।
এ নিয়ে নগরীর কান্দিরপাড়ের একাধিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা হয়। তারা বলেন, সামনে ঈদ, দোকানের খরচ, নিজের ও কর্মচারীদের পেটের চিন্তা করতে হয়, তাই ফজর নামাজ পড়ে চলে আসি। দোকানে দুই–আড়াই ঘণ্টায় কিছু বেচাকেনা হয়। তাছাড়া এ সময়টাতে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট থাকে না। আর শহর ফাঁকা থাকায় তেমন একটা জনসমাগমও হয় না। তাছাড়া আমরা সব স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কেনাবেচা করি।
নগরীর চকবাজার থেকে রাজগঞ্জ পর্যন্ত, রাজগঞ্জ থেকে কান্দিরপাড় পর্যন্ত, রানীরবাজার রোড, মোঘলটুলি রোডসহ নগরীর প্রায় ছোট মার্কেট ও দোকানে নিয়মিত বেচাকেনা চলছে। প্রতিটি দোকানের এক পাশের শাটার খোলা রেখে কর্মচারী সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। ক্রেতা এলেই ভেতরে নিয়ে শাটার নামিয়ে দেওয়া হয়। এভাবে সকাল ৮টা পর্যন্ত বেচাকেনা হয়।
বিক্রেতারা জানান, এ সময়টাতে পোশাক, প্রসাধনীসহ ঈদের কেনাকাটার জন্যই বেশিরভাগ ক্রেতা আসে। এখন ক্রেতারাও জেনে গেছেন কখন দোকান খোলা থাকে।
অনেকে আবার শহরে অন্য কাজে এসে এই কাণ্ড দেখে অবাক হচ্ছেন। ভোর বেলায় নগরীর কান্দিরপাড়ে একটি কাজে এসেছিলেন সোহাগ চৌধুরী। তিনি বলেন, আসছি অন্য একটা কাজে। এসে দেখি দোকানপাটে বেচাকেনা হচ্ছে, তাই একটু দেখতে আসলাম।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়ার বাজার থেকে আসা মোস্তফা নামে এক ক্রেতা জানান, স্ত্রী–সন্তানদের আবদার রাখতে ভোরে সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে শহরে চলে আসছি কেনাকাটা করতে, সকালবেলার পরিবেশটাও ঠান্ডা থাকে। পুলিশের কোনো ঝামেলা নেই!

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে