প্রতিনিধি, কক্সবাজার

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মো. নাহিদুজ্জামানকে ঘুষের টাকাসহ গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া সাব–রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের তিনটি লকার থেকে ঘুষের ছয় লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২–এর সহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এ গ্রেপ্তার ও অর্থ উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে অফিস মোহরার দূর্জয় কান্তি পালকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অফিস সহকারী শ্যামল বড়ুয়া কৌশলে অফিসের ছাদ থেকে লাফয়ে পালিয়ে গেছেন।
দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, সাব–রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে জমি রেজিস্ট্রির সময় অবৈধ লেনদেনের ৬ লাখ ৪২ হাজার ১০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে সাব–রেজিস্ট্রার নাহিদুজ্জামানের ব্যবহৃত রেকর্ড রুমের লকারের ড্রয়ার থেকে ১ লাখ ৯২ হাজার ৫৫০ টাকা, অফিস সহকারী শ্যামল বড়ুয়া ও অফিস মোহরার দুর্জয় কান্তি পালের ড্রয়ার থেকে যথাক্রমে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৫৫০ টাকা এবং ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
তিনটি ড্রয়ার থেকে ঘুষ লেনদেনের হাতে লেখা ৪১টি স্লিপও জব্দ করা হয়েছে বলে জানান রিয়াজ উদ্দিন। অফিসের আরো কয়েকজন কর্মচারি দুদকের নজরদারিতে থাকার কথা জানান তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সাব–রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের বিরুদ্ধে ঘুষ ও কমিশন আদায়ের অভিযোগে দুদকের হটলাইন ১০৬- নম্বরে অভিযোগ দেন এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে দুদকের একদল গোয়েন্দা সেবাগ্রহীতার ছদ্মবেশে অবস্থান করে প্রকাশ্যে ঘুষ লেনদেন দেখতে পান। সন্ধ্যা ৬টা থেকে অভিযান শুরু করে দুদক।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, দুদকের অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মো. নাহিদুজ্জামানকে ঘুষের টাকাসহ গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া সাব–রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের তিনটি লকার থেকে ঘুষের ছয় লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২–এর সহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এ গ্রেপ্তার ও অর্থ উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে অফিস মোহরার দূর্জয় কান্তি পালকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অফিস সহকারী শ্যামল বড়ুয়া কৌশলে অফিসের ছাদ থেকে লাফয়ে পালিয়ে গেছেন।
দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, সাব–রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে জমি রেজিস্ট্রির সময় অবৈধ লেনদেনের ৬ লাখ ৪২ হাজার ১০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে সাব–রেজিস্ট্রার নাহিদুজ্জামানের ব্যবহৃত রেকর্ড রুমের লকারের ড্রয়ার থেকে ১ লাখ ৯২ হাজার ৫৫০ টাকা, অফিস সহকারী শ্যামল বড়ুয়া ও অফিস মোহরার দুর্জয় কান্তি পালের ড্রয়ার থেকে যথাক্রমে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৫৫০ টাকা এবং ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।
তিনটি ড্রয়ার থেকে ঘুষ লেনদেনের হাতে লেখা ৪১টি স্লিপও জব্দ করা হয়েছে বলে জানান রিয়াজ উদ্দিন। অফিসের আরো কয়েকজন কর্মচারি দুদকের নজরদারিতে থাকার কথা জানান তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সাব–রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের বিরুদ্ধে ঘুষ ও কমিশন আদায়ের অভিযোগে দুদকের হটলাইন ১০৬- নম্বরে অভিযোগ দেন এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে দুদকের একদল গোয়েন্দা সেবাগ্রহীতার ছদ্মবেশে অবস্থান করে প্রকাশ্যে ঘুষ লেনদেন দেখতে পান। সন্ধ্যা ৬টা থেকে অভিযান শুরু করে দুদক।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, দুদকের অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে