কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ভেসে গিয়ে ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দুই শিশু ও এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। দুই শিশু শহরের নাজিরারটেক এলাকার খালে খেলতে নেমে ভেসে সাগরে চলে যায়। গতকাল সোমবার বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর রাত ৯টার দিকে শাহীন বিচ থেকে একজন এবং রাত ১২টায় নাজিরারটেক সৈকতে আরকেজনের মরদেহ ভেসে ওঠে। মৃতরা হলো পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কুতুবদিয়াপাড়ার মোহাম্মদ মফিজের ছেলে মোহাম্মদ জায়েদ (৪) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ রিয়াদ উদ্দিন (৫)।
অন্যদিকে শহরের সিগাল পয়েন্টে গোসল করতে নেমে তানভীর উল হক তামিম (১৩) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। নিহত তামিম কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার নুরুল হকের ছেলে এবং বায়তুশ শরফ উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
এ সময় মোহাম্মদ মাহিম (১৩) নামের আরও একজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাহিম কক্সবাজার শহরের জেলগেট এলাকার নুরুল ইসলাম ভুট্টোর ছেলে এবং উত্তরণ মডেল স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
তামিমের বন্ধু ইকবাল নাহিদ জানায়, বিকেলে তারা ছয় বন্ধু টায়ার টিউব নিয়ে সিগাল পয়েন্টে গোসল করতে নামে। তাদের মধ্যে তিনজন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি ও তিনজন উত্তরণ মডেল স্কুলের ছাত্র। গোসলের একপর্যায়ে তামিম ও মাহিম হঠাৎ স্রোতের টানে ভেসে যায়। খবরটি তারা তাৎক্ষণিকভাবে লাইফগার্ড কর্মীদের অবহিত করে।
কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আক্তার কামাল বলেন, নাজিরারটেক শুঁটকিপল্লী দিয়ে প্রবাহিত খালে খেলতে নেমে দুই শিশু সাগরে ভেসে যায়। পরে সৈকতের দুই পয়েন্ট থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিচের কর্মী বেলাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে জানান, প্রায় সময় সিগাল পয়েন্টে গোসলে নেমে দুর্ঘটনা ঘটে। এই পয়েন্টে ঝুঁকি থাকার কথা বললেও কেউ শোনে না। এ বছর গোসলে নেমে এই তিনজনসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সি-সেভ লাইফ গার্ডের সুপারভাইজার মো. ওসমান জানান, খবর পেয়ে প্রথমে মাহিম ও পরে তামিমকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তামিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ভেসে গিয়ে ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে দুই শিশু ও এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। দুই শিশু শহরের নাজিরারটেক এলাকার খালে খেলতে নেমে ভেসে সাগরে চলে যায়। গতকাল সোমবার বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর রাত ৯টার দিকে শাহীন বিচ থেকে একজন এবং রাত ১২টায় নাজিরারটেক সৈকতে আরকেজনের মরদেহ ভেসে ওঠে। মৃতরা হলো পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কুতুবদিয়াপাড়ার মোহাম্মদ মফিজের ছেলে মোহাম্মদ জায়েদ (৪) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ রিয়াদ উদ্দিন (৫)।
অন্যদিকে শহরের সিগাল পয়েন্টে গোসল করতে নেমে তানভীর উল হক তামিম (১৩) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। নিহত তামিম কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার নুরুল হকের ছেলে এবং বায়তুশ শরফ উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
এ সময় মোহাম্মদ মাহিম (১৩) নামের আরও একজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাহিম কক্সবাজার শহরের জেলগেট এলাকার নুরুল ইসলাম ভুট্টোর ছেলে এবং উত্তরণ মডেল স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
তামিমের বন্ধু ইকবাল নাহিদ জানায়, বিকেলে তারা ছয় বন্ধু টায়ার টিউব নিয়ে সিগাল পয়েন্টে গোসল করতে নামে। তাদের মধ্যে তিনজন কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি ও তিনজন উত্তরণ মডেল স্কুলের ছাত্র। গোসলের একপর্যায়ে তামিম ও মাহিম হঠাৎ স্রোতের টানে ভেসে যায়। খবরটি তারা তাৎক্ষণিকভাবে লাইফগার্ড কর্মীদের অবহিত করে।
কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আক্তার কামাল বলেন, নাজিরারটেক শুঁটকিপল্লী দিয়ে প্রবাহিত খালে খেলতে নেমে দুই শিশু সাগরে ভেসে যায়। পরে সৈকতের দুই পয়েন্ট থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিচের কর্মী বেলাল হোসেন আজকের পত্রিকাকে জানান, প্রায় সময় সিগাল পয়েন্টে গোসলে নেমে দুর্ঘটনা ঘটে। এই পয়েন্টে ঝুঁকি থাকার কথা বললেও কেউ শোনে না। এ বছর গোসলে নেমে এই তিনজনসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সি-সেভ লাইফ গার্ডের সুপারভাইজার মো. ওসমান জানান, খবর পেয়ে প্রথমে মাহিম ও পরে তামিমকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তামিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে