টেকনাফ (কক্সবাজার) সংবাদদাতা

কক্সবাজারের টেকনাফে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার। গত সোমবার উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় অপহরণের এ ঘটনা ঘটে।
অপহৃত মাহমুদুল হক (৩৮) টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর লেঙ্গুরবিল এলাকার মোহাম্মদ ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় একজন মৎস্য ব্যবসায়ী।
বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শক) দুর্জয় বিশ্বাস এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী রোকেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘সোমবার (১৮ আগস্ট) সকালে আমার স্বামী ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পৌঁছার পর তিনি বড় ডেইল বাজারে নামেন। পরে রাতেও বাড়িতে না ফেরায় সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর নিতে থাকি।
‘পরে ওই দিন রাতে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে আমার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে স্বামীর ব্যবহৃত নম্বর থেকে একটি কল আসে। কল রিসিভ করলে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি আমার স্বামীকে ছেড়ে দিতে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। আর মুক্তিপণ দিতে ব্যর্থ হলে স্বামীকে প্রাণনাশেরও হুমকি দেয় দুর্বৃত্তরা।’
তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার সকালে ঘটনার ব্যাপারে টেকনাফ থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছে। আর ঘটনার তিন দিন পরও তাঁর স্বামীর কোনো ধরনের খোঁজ মেলেনি।
এ বিষয়ে পরিদর্শক দুর্জয় বিশ্বাস জানান, গতকাল সকালে রোকেয়া বেগম নামের এক নারী তাঁর স্বামী মাহমুদুল হককে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণের অভিযোগে টেকনাফ থানায় লিখিত জানিয়েছেন।
পরে অভিযোগের একটি কপি থানা থেকে বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগটি পাওয়ার পর থেকে পুলিশ ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি অপহৃতকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, তদন্তে প্রাথমিক প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, জনৈক নারীর ফাঁদে ফেলে দুর্বৃত্তরা কৌশলে ডেকে নিয়ে জিম্মি করে রেখেছে। এটি অপহরণ নাকি অন্য কিছু, তা জানতে পুলিশ তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত রেখেছে।

কক্সবাজারের টেকনাফে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার। গত সোমবার উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় অপহরণের এ ঘটনা ঘটে।
অপহৃত মাহমুদুল হক (৩৮) টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর লেঙ্গুরবিল এলাকার মোহাম্মদ ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় একজন মৎস্য ব্যবসায়ী।
বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শক) দুর্জয় বিশ্বাস এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী রোকেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘সোমবার (১৮ আগস্ট) সকালে আমার স্বামী ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পৌঁছার পর তিনি বড় ডেইল বাজারে নামেন। পরে রাতেও বাড়িতে না ফেরায় সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজখবর নিতে থাকি।
‘পরে ওই দিন রাতে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে আমার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে স্বামীর ব্যবহৃত নম্বর থেকে একটি কল আসে। কল রিসিভ করলে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি আমার স্বামীকে ছেড়ে দিতে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। আর মুক্তিপণ দিতে ব্যর্থ হলে স্বামীকে প্রাণনাশেরও হুমকি দেয় দুর্বৃত্তরা।’
তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার সকালে ঘটনার ব্যাপারে টেকনাফ থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ করা হয়েছে। আর ঘটনার তিন দিন পরও তাঁর স্বামীর কোনো ধরনের খোঁজ মেলেনি।
এ বিষয়ে পরিদর্শক দুর্জয় বিশ্বাস জানান, গতকাল সকালে রোকেয়া বেগম নামের এক নারী তাঁর স্বামী মাহমুদুল হককে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণের অভিযোগে টেকনাফ থানায় লিখিত জানিয়েছেন।
পরে অভিযোগের একটি কপি থানা থেকে বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগটি পাওয়ার পর থেকে পুলিশ ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি অপহৃতকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, তদন্তে প্রাথমিক প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, জনৈক নারীর ফাঁদে ফেলে দুর্বৃত্তরা কৌশলে ডেকে নিয়ে জিম্মি করে রেখেছে। এটি অপহরণ নাকি অন্য কিছু, তা জানতে পুলিশ তথ্য সংগ্রহ অব্যাহত রেখেছে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৮ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪১ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে