কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল জোনের গেস্টহাউসে স্কুলছাত্রীকে আটক রেখে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি মো. আশিক (২৭), কামরুল ও মো. শাহীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার র্যাব-১৫ কক্সবাজারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অধিনায়ক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার। এর আগে গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আশিক কক্সবাজারের উত্তর নুনিয়াছড়া এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলামের ছেলে। কামরুল একই এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে।
জানা যায়, ১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ওই স্কুলছাত্রী বাড়িতে ফেরার সময় মো. আশিকসহ ৩-৪ জন যুবক জোর করে গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যান। পরে ওই ছাত্রীকে শহরের হোটেল-মোটেল জোনের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সামনে অবস্থিত মমস্ গেস্টহাউসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে দুই দিন জিম্মি রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়।
এ বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে খায়রুল ইসলাম সরকার বলেন, হোটেলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর র্যাবের একটি দল গতকাল রাত সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ধর্ষণে অভিযুক্ত আশিককে গ্রেপ্তার করা হয়। অপরদিকে, পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত ৪ নম্বর আসামি মো. কামরুল ও মমস্ গেস্টহাউসের ব্যবস্থাপক মো. শাহীনকে গ্রেপ্তার করে।
ওই ছাত্রীর বাবা অভিযোগ করে বলেন, ‘১৮ ডিসেম্বর বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৪ জনসহ মোট ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি। মামলা দায়ের করার পর কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বরং আসামিরা আমাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি হত্যা করে মরদেহ গুম করে ফেলার হুমকিও দেন আশিক।’
এ বিষয়ে লে. কর্নেল খাইরুল বলেন, কক্সবাজারে স্কুলছাত্রীকে আবাসিক হোটেলে জিম্মি করে রেখে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত ছিল। গতকাল রাতে মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি আশিককে আত্মগোপন থাকা অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আশিককে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল জোনের গেস্টহাউসে স্কুলছাত্রীকে আটক রেখে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি মো. আশিক (২৭), কামরুল ও মো. শাহীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার র্যাব-১৫ কক্সবাজারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অধিনায়ক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার। এর আগে গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আশিক কক্সবাজারের উত্তর নুনিয়াছড়া এলাকার বাসিন্দা নজরুল ইসলামের ছেলে। কামরুল একই এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে।
জানা যায়, ১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ওই স্কুলছাত্রী বাড়িতে ফেরার সময় মো. আশিকসহ ৩-৪ জন যুবক জোর করে গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যান। পরে ওই ছাত্রীকে শহরের হোটেল-মোটেল জোনের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সামনে অবস্থিত মমস্ গেস্টহাউসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে দুই দিন জিম্মি রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়।
এ বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে খায়রুল ইসলাম সরকার বলেন, হোটেলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর র্যাবের একটি দল গতকাল রাত সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ধর্ষণে অভিযুক্ত আশিককে গ্রেপ্তার করা হয়। অপরদিকে, পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত ৪ নম্বর আসামি মো. কামরুল ও মমস্ গেস্টহাউসের ব্যবস্থাপক মো. শাহীনকে গ্রেপ্তার করে।
ওই ছাত্রীর বাবা অভিযোগ করে বলেন, ‘১৮ ডিসেম্বর বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৪ জনসহ মোট ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি। মামলা দায়ের করার পর কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বরং আসামিরা আমাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি হত্যা করে মরদেহ গুম করে ফেলার হুমকিও দেন আশিক।’
এ বিষয়ে লে. কর্নেল খাইরুল বলেন, কক্সবাজারে স্কুলছাত্রীকে আবাসিক হোটেলে জিম্মি করে রেখে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত ছিল। গতকাল রাতে মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি আশিককে আত্মগোপন থাকা অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আশিককে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
৩৪ মিনিট আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
৩৫ মিনিট আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
৩৭ মিনিট আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে