প্রতিনিধি, টেকনাফ (কক্সবাজার)

কক্সবাজারের টেকনাফে ঈদ আনন্দের মধ্যে বিদ্যুতায়িত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহপরীর দ্বীপ দক্ষিণ পাড়া এলাকায় বিদ্যুতের প্রধান লাইনের তার ছিঁড়ে বাড়ির টিনের চালার ওপর পড়লে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাবিরছড়া এলাকার আব্দুল করিমের ছেলে কলিম উল্লাহ (১৮) ও স্থানীয় মোহাম্মদ হোসেনের কন্যা রমিদা বেগম (২৮)।
আহত দুজন হলো রমিদার পাঁচ বছরের শিশু নাইমা ও আব্দুল আমিনের মেয়ে বকেয়া (১২)। বকেয়াকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শাহপরীর দ্বীপ দক্ষিণপাড়ার আব্দুল আমিন প্রকাশ বাইট্যার বাড়িতে সবাই ঈদ আনন্দে মেতেছিলেন। অন্যান্য এলাকা থেকে অনেকে ঈদ উপলক্ষে বেড়াতে আসেন সেখানে।
হঠাৎ করে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ওই এলাকার বিদ্যুতের প্রধান তার ছিঁড়ে বাইট্যার বাড়ির টিনের চালে পড়ে। এমন সময় বিদ্যুতায়িত হন পরিবার ও বেড়াতে আসা চারজন। ঘটনাস্থলে ওই দুজন মারা যান। অপর দুজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান স্থানীয়রা। ঈদ উপলক্ষে কলিম উল্লাহ পাশের এলাকা থেকে বেড়াতে এসে মৃত্যুবরণ করেন। পরিবারের লোকজন জানায়, দুর্ঘটনার সময় বাড়িতে সাতজন ছিল।
টেকনাফ উপজেলা বিদ্যুতের এজিএম উদয়ন দাশগুপ্ত জানান, বৃষ্টির কারণে গাছের ডাল পড়ে তারটি ছিঁড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ওই এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টিটু চন্দ্রশীল জানান, কিশোরীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার পা পুড়ে গেছে বলেও জানান তিনি।
শাহপরীর দ্বীপ পুলিশ ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক জায়েদ হাসান দুজন মারা যাওয়ার বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, বিদ্যুতের প্রধান তার ছিঁড়ে টিনের চালের ওপর পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুজনের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কক্সবাজারের টেকনাফে ঈদ আনন্দের মধ্যে বিদ্যুতায়িত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহপরীর দ্বীপ দক্ষিণ পাড়া এলাকায় বিদ্যুতের প্রধান লাইনের তার ছিঁড়ে বাড়ির টিনের চালার ওপর পড়লে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাবিরছড়া এলাকার আব্দুল করিমের ছেলে কলিম উল্লাহ (১৮) ও স্থানীয় মোহাম্মদ হোসেনের কন্যা রমিদা বেগম (২৮)।
আহত দুজন হলো রমিদার পাঁচ বছরের শিশু নাইমা ও আব্দুল আমিনের মেয়ে বকেয়া (১২)। বকেয়াকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শাহপরীর দ্বীপ দক্ষিণপাড়ার আব্দুল আমিন প্রকাশ বাইট্যার বাড়িতে সবাই ঈদ আনন্দে মেতেছিলেন। অন্যান্য এলাকা থেকে অনেকে ঈদ উপলক্ষে বেড়াতে আসেন সেখানে।
হঠাৎ করে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ওই এলাকার বিদ্যুতের প্রধান তার ছিঁড়ে বাইট্যার বাড়ির টিনের চালে পড়ে। এমন সময় বিদ্যুতায়িত হন পরিবার ও বেড়াতে আসা চারজন। ঘটনাস্থলে ওই দুজন মারা যান। অপর দুজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান স্থানীয়রা। ঈদ উপলক্ষে কলিম উল্লাহ পাশের এলাকা থেকে বেড়াতে এসে মৃত্যুবরণ করেন। পরিবারের লোকজন জানায়, দুর্ঘটনার সময় বাড়িতে সাতজন ছিল।
টেকনাফ উপজেলা বিদ্যুতের এজিএম উদয়ন দাশগুপ্ত জানান, বৃষ্টির কারণে গাছের ডাল পড়ে তারটি ছিঁড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ওই এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টিটু চন্দ্রশীল জানান, কিশোরীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার পা পুড়ে গেছে বলেও জানান তিনি।
শাহপরীর দ্বীপ পুলিশ ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক জায়েদ হাসান দুজন মারা যাওয়ার বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, বিদ্যুতের প্রধান তার ছিঁড়ে টিনের চালের ওপর পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুজনের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে