প্রতিনিধি, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম)

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর ইছানগর খোয়াজনগর-চরপাথরঘাটা আইকেসি সড়কে গড়ে উঠেছে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়। রাস্তার পাশে ফেলা হচ্ছে বিভিন্ন শিল্পকারখানা থেকে শুরু করে দোকানের ময়লা। ময়লার দুর্গন্ধে গ্রামের মানুষজনসহ চলাচলরত যানবাহন ও স্থানীয় বাসিন্দারা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। এসব ময়লায় জন্ম নিচ্ছে মশা-মাছি, ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু।
আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে ওই সড়ক এলাকায় গিয়ে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর ১৩৫০ মিটার ওই সড়কের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন বর্তমান ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি। পটিয়া এলজিইডির অধীনে কাজটি বাস্তবায়ন করেন মেসার্স জুলধা ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। উদ্বোধনের পর থেকে নামফলক ঘেঁষে সড়কে ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা।
স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুল হক বলেন, রাতের আঁধারে ওই এলাকার শিল্পপ্রতিষ্ঠান, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ স্থানীয়রাও প্রতিদিন ময়লা-আবর্জনা ওই সড়কে ফেলে রেখে যান। তা ছাড়া ওই এলাকায় ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় সাধারণ মানুষ, দোকানপাট ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সব ধরনের ময়লা-আবর্জনা কর্ণফুলী নদীতে ফেলা হচ্ছে। প্রতিদিন ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখায় এখানকার পরিবেশ বিষিয়ে উঠেছে।
অপর এক বাসিন্দা মুহাম্মদ সেলিম হক বলেন, এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। জনবসতি ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ময়লা-আবর্জনা ফেলে স্তূপ করে রাখাটা খুবই দুঃখজনক।
কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিনা সুলতানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, যারা সড়কের পাশে ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করছে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর ইছানগর খোয়াজনগর-চরপাথরঘাটা আইকেসি সড়কে গড়ে উঠেছে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়। রাস্তার পাশে ফেলা হচ্ছে বিভিন্ন শিল্পকারখানা থেকে শুরু করে দোকানের ময়লা। ময়লার দুর্গন্ধে গ্রামের মানুষজনসহ চলাচলরত যানবাহন ও স্থানীয় বাসিন্দারা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। এসব ময়লায় জন্ম নিচ্ছে মশা-মাছি, ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু।
আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে ওই সড়ক এলাকায় গিয়ে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর ১৩৫০ মিটার ওই সড়কের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন বর্তমান ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি। পটিয়া এলজিইডির অধীনে কাজটি বাস্তবায়ন করেন মেসার্স জুলধা ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। উদ্বোধনের পর থেকে নামফলক ঘেঁষে সড়কে ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা।
স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুল হক বলেন, রাতের আঁধারে ওই এলাকার শিল্পপ্রতিষ্ঠান, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ স্থানীয়রাও প্রতিদিন ময়লা-আবর্জনা ওই সড়কে ফেলে রেখে যান। তা ছাড়া ওই এলাকায় ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় সাধারণ মানুষ, দোকানপাট ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সব ধরনের ময়লা-আবর্জনা কর্ণফুলী নদীতে ফেলা হচ্ছে। প্রতিদিন ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখায় এখানকার পরিবেশ বিষিয়ে উঠেছে।
অপর এক বাসিন্দা মুহাম্মদ সেলিম হক বলেন, এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে। জনবসতি ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ময়লা-আবর্জনা ফেলে স্তূপ করে রাখাটা খুবই দুঃখজনক।
কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিনা সুলতানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, যারা সড়কের পাশে ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করছে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে