নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

বিশিষ্ট চিন্তাবিদ, লেখক অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান বলেছেন, ‘মেধা একটি স্বাধীন শক্তি। কেউ মেধা নিয়ে জন্মায়, কেউ আবার মেধা নিয়ে জন্মায় না। এটা প্রাকৃতিক ব্যাপার। আমরা মেধাকে স্বাধীন শক্তি মনে করি, তবে এটা না–ও হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, সপ্তম শ্রেণিতে ক্যাডেট কলেজে যদি আমি ভর্তি হই, তাহলে আমাকে শৃঙ্খলার সঙ্গে যে পড়াশোনা করানো হবে, তাতে আমার পরীক্ষায় ভালো করার সম্ভাবনাটা বেড়ে যাবে। প্রমাণ হবে আমি মেধাবী বেশি। আবার ক্যাডেট কলেজে সব সময় মেধাবীদের ভর্তি করানো হয়ে থাকে। কিন্তু এর আগে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মেধার বিচার করা হয়। তাই আমি মনে করি, গণতন্ত্রকেও আগে একটি পরীক্ষায় পাস করতে হবে। গণতন্ত্র ন্যায়ভিত্তিক হতে হবে। ন্যায় মানে যার যার প্রাপ্য তাঁকে তাঁকে দিতে হবে।’
আজ শুক্রবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের আলী আহম্মদ চুনকা পাঠাগারে সাহিত্য আন্দোলন ‘ধাবমান’-এর উদ্যোগে আয়োজিত গণতান্ত্রিক বিপ্লবে জাতীয় সংবিধানের রূপরেখা শীর্ষক আলোচনা কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর মানুষ ঠিকমতো ভোট দিতে পারে নাই, তা সত্য। আপনাদের কাছে সেটাই মনে হবে দেশের বড় সমস্যা। কিন্তু তার পেছনে অনেক সমস্যা রয়েছে। ভোট দিয়ে অনেক কিছুই হচ্ছে না। অনেক কিছু ভোটের আওতায় বাইরে চলে যাচ্ছে। আমাদের দেশে নতুন করে যেভাবে গণতন্ত্রের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তা রক্ষা করতে হলে আমাদের ঘরে বসে থাকলে চলবে না। তা না হলে যেকোনো মুহূর্তে এটি হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। আমাদের মূল দাবি হবে, সবার জন্য সমান অধিকার। প্রতিটি ক্ষেত্রে সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ধন–সম্পদের ক্ষেত্রে যদি সমতা প্রতিষ্ঠা করা না হয়, তাহলে শুধু ভোটাধিকার দিয়ে তেমন কিছুরই পরিবর্তন ঘটানো যায় না। আমরা সমাজেও তাই দেখতে পাই। বড় লোকেরা শুধু নির্বাচিত হতে পারে। আর গরিবদের কাজ শুধু এই পক্ষকে ভোট দেও, নয়তো অন্য পক্ষকে ভোট দেও। গণতন্ত্রের ধারণাকে যদি ভোটের অধিকার থেকে সরিয়ে আনি তাহলে সবাইকে সমান সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। সর্বশেষ যে আন্দোলন হলো সেটাও গণতন্ত্রের একটি উদাহরণ।’
বক্তব্য শেষে সলিমুল্লাহ খান উপস্থিত দর্শক শ্রোতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

বিশিষ্ট চিন্তাবিদ, লেখক অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান বলেছেন, ‘মেধা একটি স্বাধীন শক্তি। কেউ মেধা নিয়ে জন্মায়, কেউ আবার মেধা নিয়ে জন্মায় না। এটা প্রাকৃতিক ব্যাপার। আমরা মেধাকে স্বাধীন শক্তি মনে করি, তবে এটা না–ও হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, সপ্তম শ্রেণিতে ক্যাডেট কলেজে যদি আমি ভর্তি হই, তাহলে আমাকে শৃঙ্খলার সঙ্গে যে পড়াশোনা করানো হবে, তাতে আমার পরীক্ষায় ভালো করার সম্ভাবনাটা বেড়ে যাবে। প্রমাণ হবে আমি মেধাবী বেশি। আবার ক্যাডেট কলেজে সব সময় মেধাবীদের ভর্তি করানো হয়ে থাকে। কিন্তু এর আগে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মেধার বিচার করা হয়। তাই আমি মনে করি, গণতন্ত্রকেও আগে একটি পরীক্ষায় পাস করতে হবে। গণতন্ত্র ন্যায়ভিত্তিক হতে হবে। ন্যায় মানে যার যার প্রাপ্য তাঁকে তাঁকে দিতে হবে।’
আজ শুক্রবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের আলী আহম্মদ চুনকা পাঠাগারে সাহিত্য আন্দোলন ‘ধাবমান’-এর উদ্যোগে আয়োজিত গণতান্ত্রিক বিপ্লবে জাতীয় সংবিধানের রূপরেখা শীর্ষক আলোচনা কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর মানুষ ঠিকমতো ভোট দিতে পারে নাই, তা সত্য। আপনাদের কাছে সেটাই মনে হবে দেশের বড় সমস্যা। কিন্তু তার পেছনে অনেক সমস্যা রয়েছে। ভোট দিয়ে অনেক কিছুই হচ্ছে না। অনেক কিছু ভোটের আওতায় বাইরে চলে যাচ্ছে। আমাদের দেশে নতুন করে যেভাবে গণতন্ত্রের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তা রক্ষা করতে হলে আমাদের ঘরে বসে থাকলে চলবে না। তা না হলে যেকোনো মুহূর্তে এটি হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। আমাদের মূল দাবি হবে, সবার জন্য সমান অধিকার। প্রতিটি ক্ষেত্রে সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ধন–সম্পদের ক্ষেত্রে যদি সমতা প্রতিষ্ঠা করা না হয়, তাহলে শুধু ভোটাধিকার দিয়ে তেমন কিছুরই পরিবর্তন ঘটানো যায় না। আমরা সমাজেও তাই দেখতে পাই। বড় লোকেরা শুধু নির্বাচিত হতে পারে। আর গরিবদের কাজ শুধু এই পক্ষকে ভোট দেও, নয়তো অন্য পক্ষকে ভোট দেও। গণতন্ত্রের ধারণাকে যদি ভোটের অধিকার থেকে সরিয়ে আনি তাহলে সবাইকে সমান সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। সর্বশেষ যে আন্দোলন হলো সেটাও গণতন্ত্রের একটি উদাহরণ।’
বক্তব্য শেষে সলিমুল্লাহ খান উপস্থিত দর্শক শ্রোতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে