চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় সোহরাওয়ার্দী ও শাহ আমানত আবাসিক হলে তল্লাশি চালায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত পুলিশের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আবাসিক হল থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত দেশীয় অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে রামদা, লোহার পাইপ, গুলতি, বঁটি, ছুরি ও কাচের বোতল।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অডিটোরিয়ামে অর্থনীতি বিভাগের কনসার্টে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রলীগের বিজয় ও সিএফসি গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে বিজয় গ্রুপের কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী হল ও সিএফসি গ্রুপের কর্মীরা শাহ আমানত হলের সামনে অবস্থান নিয়ে ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি করেন। পরে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ঘটনার জেরে পরদিন সন্ধ্যায় শহীদ আবদুর রব হলের ঝুপড়িতে বিজয় গ্রুপের এক সাবেক নেতাকে মারধর করেন সিএফসির কর্মীরা। এ ঘটনা ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে আবারও দুই গ্রুপের সদস্যরা দুই হলের সামনে অবস্থান নিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণের শব্দও শোনা যায়। পরে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা দুই পক্ষের মাঝখানে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ‘দুই দিনের মারামারির ঘটনায় আমরা রাতে দুটি আবাসিক হলে তল্লাশি চালাই। এ সময় বেডের নিচ থেকে বেশ কিছু ধারালো রামদা, কিরিচ, বঁটি ও লোহার রড উদ্ধার করা হয়। তবে কাউকে আটক করা হয়নি।’
মারামারির বিষয়ে প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ‘দুই দিনের মারামারির ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগও করেনি। আমরা অভিযোগ দিতে বলেছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় সোহরাওয়ার্দী ও শাহ আমানত আবাসিক হলে তল্লাশি চালায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত পুলিশের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আবাসিক হল থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত দেশীয় অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে রামদা, লোহার পাইপ, গুলতি, বঁটি, ছুরি ও কাচের বোতল।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অডিটোরিয়ামে অর্থনীতি বিভাগের কনসার্টে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রলীগের বিজয় ও সিএফসি গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে বিজয় গ্রুপের কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী হল ও সিএফসি গ্রুপের কর্মীরা শাহ আমানত হলের সামনে অবস্থান নিয়ে ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি করেন। পরে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ঘটনার জেরে পরদিন সন্ধ্যায় শহীদ আবদুর রব হলের ঝুপড়িতে বিজয় গ্রুপের এক সাবেক নেতাকে মারধর করেন সিএফসির কর্মীরা। এ ঘটনা ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে আবারও দুই গ্রুপের সদস্যরা দুই হলের সামনে অবস্থান নিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণের শব্দও শোনা যায়। পরে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা দুই পক্ষের মাঝখানে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ‘দুই দিনের মারামারির ঘটনায় আমরা রাতে দুটি আবাসিক হলে তল্লাশি চালাই। এ সময় বেডের নিচ থেকে বেশ কিছু ধারালো রামদা, কিরিচ, বঁটি ও লোহার রড উদ্ধার করা হয়। তবে কাউকে আটক করা হয়নি।’
মারামারির বিষয়ে প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ‘দুই দিনের মারামারির ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগও করেনি। আমরা অভিযোগ দিতে বলেছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে