নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

কালুরঘাট সেতুতে ট্রেন চলাচলের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ করতে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পরামর্শক দলের সঙ্গে দুটি বৈঠক সেরেছে রেলওয়ে। বৈঠকে ৭ কোটি টাকায় পরামর্শ দিতে রাজি হয়েছে বুয়েট। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ছয় মাসের মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই করবে তারা।
পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আবু জাফর মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বুয়েটের পর্যবেক্ষক দল কালুরঘাট সেতুটি পরিদর্শন করে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা চেয়েছিল। এরপর দুই দফায় দলের সদস্যদের সঙ্গে বসেছি। তারা ৭ কোটি টাকায় পরামর্শ দিতে রাজি হয়েছে।’
কর্ণফুলী নদীতে নতুন রেলসেতু নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত কালুরঘাট সেতু দিয়েই ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেন চালাতে চায় রেলওয়ে। এ জন্য রেলওয়ের আমন্ত্রণে গত বছরের ৯ অক্টোবর ৯০ বছরের পুরোনো সেতুটি পরিদর্শন করে বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের পর্যবেক্ষক দল। পর্যবেক্ষণে তারা কালুরঘাট সেতুর জানালিহাট অংশে আবৃত প্রাচীর এবং সুরক্ষা দেয়ালে ফাটল খুঁজে পায়। এ ছাড়া আরও বড় ধরনের ছয়টি ত্রুটি চিহ্নিত করে।
ওই বছরের ৪ ডিসেম্বর রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সেতু) আহসান জাবিরের কাছে পরিদর্শনের প্রতিবেদন জমা দেয় বুয়েটের পরামর্শক দল। সেখানে সেতু সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
কালুরঘাট সেতুটি নির্মিত হয় ১৯৩১ সালে। উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামকে সংযুক্তকারী এ সেতুকে ২০০১ সালেই ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও এর ওপর দিয়ে চলাচল করছে ট্রেন এবং সব ধরনের হালকা ও ভারী যানবাহন। বর্তমানে এ সেতু দিয়ে ১১ দশমিক ৯৬ টন এক্সেল লোডের ছোট লোকোমোটিভ বা কম ওজনের কোচ চলাচল করে। যেহেতু নতুন রেলপথ এখনো নির্মাণ হয়নি, তাই সেতুটির গার্ডার ও অন্যান্য অবকাঠামো পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ সাপেক্ষে প্রতিটি এক্সেল লোডে ১৫ টন ওজনের ইঞ্জিন ব্যবহার করতে চায় রেলওয়ে।

কালুরঘাট সেতুতে ট্রেন চলাচলের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ করতে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পরামর্শক দলের সঙ্গে দুটি বৈঠক সেরেছে রেলওয়ে। বৈঠকে ৭ কোটি টাকায় পরামর্শ দিতে রাজি হয়েছে বুয়েট। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ছয় মাসের মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই করবে তারা।
পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আবু জাফর মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বুয়েটের পর্যবেক্ষক দল কালুরঘাট সেতুটি পরিদর্শন করে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য ১২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা চেয়েছিল। এরপর দুই দফায় দলের সদস্যদের সঙ্গে বসেছি। তারা ৭ কোটি টাকায় পরামর্শ দিতে রাজি হয়েছে।’
কর্ণফুলী নদীতে নতুন রেলসেতু নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত কালুরঘাট সেতু দিয়েই ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেন চালাতে চায় রেলওয়ে। এ জন্য রেলওয়ের আমন্ত্রণে গত বছরের ৯ অক্টোবর ৯০ বছরের পুরোনো সেতুটি পরিদর্শন করে বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের পর্যবেক্ষক দল। পর্যবেক্ষণে তারা কালুরঘাট সেতুর জানালিহাট অংশে আবৃত প্রাচীর এবং সুরক্ষা দেয়ালে ফাটল খুঁজে পায়। এ ছাড়া আরও বড় ধরনের ছয়টি ত্রুটি চিহ্নিত করে।
ওই বছরের ৪ ডিসেম্বর রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সেতু) আহসান জাবিরের কাছে পরিদর্শনের প্রতিবেদন জমা দেয় বুয়েটের পরামর্শক দল। সেখানে সেতু সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।
কালুরঘাট সেতুটি নির্মিত হয় ১৯৩১ সালে। উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামকে সংযুক্তকারী এ সেতুকে ২০০১ সালেই ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও এর ওপর দিয়ে চলাচল করছে ট্রেন এবং সব ধরনের হালকা ও ভারী যানবাহন। বর্তমানে এ সেতু দিয়ে ১১ দশমিক ৯৬ টন এক্সেল লোডের ছোট লোকোমোটিভ বা কম ওজনের কোচ চলাচল করে। যেহেতু নতুন রেলপথ এখনো নির্মাণ হয়নি, তাই সেতুটির গার্ডার ও অন্যান্য অবকাঠামো পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ সাপেক্ষে প্রতিটি এক্সেল লোডে ১৫ টন ওজনের ইঞ্জিন ব্যবহার করতে চায় রেলওয়ে।

নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
০১ জানুয়ারি ১৯৭০
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
১৩ মিনিট আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
১৭ মিনিট আগে
হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের রায়ের পরদিনই শাকসু নির্বাচন, অর্থাৎ কালকে রায় হলে পরশু ইলেকশন। শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সিন্ডিকেট সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শাকসুর নির্বাচনের পক্ষে ইতিবাচক রায়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ আইনি লড়াই চালিয়ে যাবে।
২০ মিনিট আগে