চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষ পূর্ব ঘটনার জের ধরে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হল মোড়ে সংঘর্ষের সূচনা হয়। পরে তা সোহরাওয়ার্দী হলের ভেতর ও আশপাশ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্টের কক্ষসহ অন্তত আটটি কক্ষ ভাঙচুর করা হয়।
বিবদমান পক্ষ দুটি হলো, বিজয় গ্রুপের নেতা দেলোয়ার হোসেনের অনুসারী এবং মো. আল-আমিনের অনুসারী পক্ষ।
ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, হলের কক্ষ দখল, টেন্ডারের টাকা ভাগ-বাঁটোয়ারা ও গ্রুপের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে বিজয় গ্রুপে কোন্দল চলছিল। গত সোমবার একুশের প্রথম প্রহরে আল-আমিনের অনুসারীরা এ এফ রহমান হল ও আলাওল হল থেকে ফুল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী হল প্রাঙ্গণে গেলে দেলোয়ারের অনুসারীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের ১৫ কর্মী আহত হন।
এই ঘটনার জেরে দুই পক্ষে কয়েক দিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। আজ শুক্রবার বিকেলে দুই পক্ষ আবার সংঘর্ষে জড়ায়। একপর্যায়ে আল আমিনের অনুসারীরা এফ রহমান ও আলাওল হল থেকে সোহরাওয়ার্দী হলে গিয়ে হামলা চালান। পরে সোহরাওয়ার্দী হল থেকে দেলোয়ারের অনুসারীরা বের হলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের লোকজনের হাতে দেশীয় অস্ত্র দেখা গেছে। এক পক্ষ অপর পক্ষের দিকে অনবরত ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। পরে প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুরো এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছিল।
সংঘর্ষে চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব আজকের পত্রিকাকে বলেন, সংঘর্ষে আহত হয়ে চারজন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। এর মধ্যে একজনের সেলাইয়ের প্রয়োজন হয়। বাকি তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট ড. শিপক কৃষ্ণ দেবনাথ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আলাওল ও এফ রহমান হল থেকে এসে কিছু ছেলে আমাদের হলের অফিস কক্ষসহ আটটি কক্ষ ভাঙচুর করেছে। আমরা প্রক্টরিয়াল বডিকে বিষয়টি জানিয়েছি।’
এ বিষয়ে জানতে বিজয় গ্রুপের এক পক্ষের নেতা দেলোয়ার হোসেনকে ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। অন্য পক্ষের নেতা আল-আমিনকেও একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু তিনিও ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর গোলাম কুদ্দুস লাভলু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পূর্ব ঘটনার জের ধরে ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ সোহরাওয়ার্দী হলে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে হলের প্রভোস্টের কক্ষসহ আটটি কক্ষ ভাঙচুর করে। আমরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এনেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষ পূর্ব ঘটনার জের ধরে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়েছে। আজ শুক্রবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হল মোড়ে সংঘর্ষের সূচনা হয়। পরে তা সোহরাওয়ার্দী হলের ভেতর ও আশপাশ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্টের কক্ষসহ অন্তত আটটি কক্ষ ভাঙচুর করা হয়।
বিবদমান পক্ষ দুটি হলো, বিজয় গ্রুপের নেতা দেলোয়ার হোসেনের অনুসারী এবং মো. আল-আমিনের অনুসারী পক্ষ।
ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, হলের কক্ষ দখল, টেন্ডারের টাকা ভাগ-বাঁটোয়ারা ও গ্রুপের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে বিজয় গ্রুপে কোন্দল চলছিল। গত সোমবার একুশের প্রথম প্রহরে আল-আমিনের অনুসারীরা এ এফ রহমান হল ও আলাওল হল থেকে ফুল নিয়ে সোহরাওয়ার্দী হল প্রাঙ্গণে গেলে দেলোয়ারের অনুসারীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের ১৫ কর্মী আহত হন।
এই ঘটনার জেরে দুই পক্ষে কয়েক দিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। আজ শুক্রবার বিকেলে দুই পক্ষ আবার সংঘর্ষে জড়ায়। একপর্যায়ে আল আমিনের অনুসারীরা এফ রহমান ও আলাওল হল থেকে সোহরাওয়ার্দী হলে গিয়ে হামলা চালান। পরে সোহরাওয়ার্দী হল থেকে দেলোয়ারের অনুসারীরা বের হলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের লোকজনের হাতে দেশীয় অস্ত্র দেখা গেছে। এক পক্ষ অপর পক্ষের দিকে অনবরত ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। পরে প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুরো এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছিল।
সংঘর্ষে চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব আজকের পত্রিকাকে বলেন, সংঘর্ষে আহত হয়ে চারজন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। এর মধ্যে একজনের সেলাইয়ের প্রয়োজন হয়। বাকি তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট ড. শিপক কৃষ্ণ দেবনাথ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আলাওল ও এফ রহমান হল থেকে এসে কিছু ছেলে আমাদের হলের অফিস কক্ষসহ আটটি কক্ষ ভাঙচুর করেছে। আমরা প্রক্টরিয়াল বডিকে বিষয়টি জানিয়েছি।’
এ বিষয়ে জানতে বিজয় গ্রুপের এক পক্ষের নেতা দেলোয়ার হোসেনকে ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। অন্য পক্ষের নেতা আল-আমিনকেও একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়। কিন্তু তিনিও ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর গোলাম কুদ্দুস লাভলু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পূর্ব ঘটনার জের ধরে ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ সোহরাওয়ার্দী হলে অতর্কিতে হামলা চালিয়ে হলের প্রভোস্টের কক্ষসহ আটটি কক্ষ ভাঙচুর করে। আমরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এনেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
১ ঘণ্টা আগে