চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় অবৈধভাবে সার মজুত করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে মেসার্স শাহজাহান ট্রেডার্সের মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
গতকাল মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের দেওপুরা বাজারে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির মুন্সি।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের দেওপুরা বাজারে শাহজাহান আলির কীটনাশক দোকানে অবৈধভাবে মজুত করা ৪১ বস্তা ডিএপি ও ৪৫ বস্তা ইউরিয়া এবং ৮৮ বস্তা এমওপি সার সর্বমোট ১৭৪ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।
ডিলারশিপ সাব ডিলারশিপ লাইসেন্সবিহীন দোকানের সার বিক্রয় করা আইনগত দণ্ডনীয় অপরাধ। সার ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৬-এর ৮ (২) ধারা অনুযায়ী শাহজাহান আলিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পরে অভিযানস্থলে জরিমানার ২০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করে প্রতিষ্ঠানটি। অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাকলাইন হোসেন, গোমস্তাপুর থানা-পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে উপস্থিত থাকা গোমস্তাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাকলাইন জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কীটনাশক ডিলার মেসার্স শাহজাহান ট্রেডার্সের মালিক শাহজাহান আলির দোকানে ১৭৪ বস্তা বাইরে থেকে মজুত করা সার পাওয়া গেছে। ফলে আইন অনুযায়ী তাঁকে জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা সার সরকারি মূল্যে সাধারণ কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হয়েছে। এই অভিযান চলমান রয়েছে।
ইউএনও জাকির মুন্সি বলেন, ডিলারশিপ সাব-ডিলারশিপ লাইসেন্সবিহীন দোকানে সার সংরক্ষণ বা বিক্রয় করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ২০ হাজার টাকা এবং অবৈধ সারগুলো জব্দ করা হয়েছে। সংরক্ষিত সারগুলো উপস্থিত কৃষকদের কাছে সরকারি মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে বলেও জানান ইউএনও।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় অবৈধভাবে সার মজুত করে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে মেসার্স শাহজাহান ট্রেডার্সের মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
গতকাল মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের দেওপুরা বাজারে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির মুন্সি।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের দেওপুরা বাজারে শাহজাহান আলির কীটনাশক দোকানে অবৈধভাবে মজুত করা ৪১ বস্তা ডিএপি ও ৪৫ বস্তা ইউরিয়া এবং ৮৮ বস্তা এমওপি সার সর্বমোট ১৭৪ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।
ডিলারশিপ সাব ডিলারশিপ লাইসেন্সবিহীন দোকানের সার বিক্রয় করা আইনগত দণ্ডনীয় অপরাধ। সার ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৬-এর ৮ (২) ধারা অনুযায়ী শাহজাহান আলিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পরে অভিযানস্থলে জরিমানার ২০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করে প্রতিষ্ঠানটি। অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাকলাইন হোসেন, গোমস্তাপুর থানা-পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে উপস্থিত থাকা গোমস্তাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাকলাইন জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কীটনাশক ডিলার মেসার্স শাহজাহান ট্রেডার্সের মালিক শাহজাহান আলির দোকানে ১৭৪ বস্তা বাইরে থেকে মজুত করা সার পাওয়া গেছে। ফলে আইন অনুযায়ী তাঁকে জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা সার সরকারি মূল্যে সাধারণ কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হয়েছে। এই অভিযান চলমান রয়েছে।
ইউএনও জাকির মুন্সি বলেন, ডিলারশিপ সাব-ডিলারশিপ লাইসেন্সবিহীন দোকানে সার সংরক্ষণ বা বিক্রয় করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ২০ হাজার টাকা এবং অবৈধ সারগুলো জব্দ করা হয়েছে। সংরক্ষিত সারগুলো উপস্থিত কৃষকদের কাছে সরকারি মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে বলেও জানান ইউএনও।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে