
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে (আইসিপি) অভিযান চালিয়ে সোনা পাচারের সময় মো. সানি মিয়া (২৭) নামের এক পাসপোর্টধারী যাত্রীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তাঁর কাছ থেকে ২৩১ দশমিক ৮১ গ্রাম ওজনের দুটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫৩ লাখ ৯৪ হাজার ৬০০ টাকা।
বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সোনামসজিদ আইসিপি দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় বিজিবির নিয়মিত তল্লাশিতে তিনি ধরা পড়েন।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া।
আটক সানি মিয়া ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার বড়াই কাওরাইদ গ্রামের বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে।
বিজিবি জানায়, আইসিপি পার হওয়ার সময় আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টরে ধাতব পদার্থের সংকেত পাওয়া গেলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সোনা বহনের কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁকে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে এক্স-রে পরীক্ষায় তাঁর পায়ুপথে সোনার বারের উপস্থিতি ধরা পড়ে।
উদ্ধার করা সোনার মান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জুয়েলারি সমিতি যাচাই করেছে।
মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম কিবরিয়া বলেন, সোনামসজিদ সীমান্ত এলাকায় সোনাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাঁকে শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হবে।

রাত ১০টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মাইক্রোবাসের চালকসহ দুই পরিবারের ১৪ জন নিহত হয়েছেন। গভীর রাতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জনের মরদেহ মোংলায়, ৪ জনের মরদেহ কয়রায় এবং মাইক্রোবাসচালকের মরদেহ নেওয়া হয়েছে রামপালে।
১ ঘণ্টা আগে
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক দিলীপ কুমার সিংহ জানান, রমজান ও ঈদ মৌসুমে প্রতিদিন প্রায় ২০০ কেজি সেমাই বিক্রি হয়। প্রতি কেজির দাম ২৫০ টাকা। তিনি বলেন, ‘রমজানের আগে কিছু সেমাই পাইকারি বিক্রি করা হলেও এখন খুচরা ক্রেতাদের চাহিদা সামলাতেই ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে।’
২ ঘণ্টা আগে
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভৈরব শহরের রেলওয়ে স্টেশন রোডের পৌর কবরস্থানের সামনে টহল পুলিশ চেকপোস্টে তাঁদের আটক করা হয়। সে সময় চট্টগ্রামগামী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে নেমে রিকশাযোগে ভৈরব বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন তাঁরা। আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশ রিকশা থামিয়ে তল্লাশি চালায়।
২ ঘণ্টা আগে
গত বছরের লোকসান কাটিয়ে উঠতে এবার বেশি জমিতে আলু চাষ করেছিলেন রংপুরের কৃষকেরা। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে জেলার অনেক এলাকার উঠতি আলুর খেত পানিতে তলিয়ে গেছে। খেতেই নষ্ট হচ্ছে একরের পর একর জমির আলু। এতে নতুন করে লোকসানের শঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক।
৭ ঘণ্টা আগে