প্রতিনিধি চাঁপাইনবাবগঞ্জ

করোনাকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে একটি স্কুল ভবন মাটিসহ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে। শিবগঞ্জ পৌর এলাকার রসুলপুর গ্রামের রসুলপুর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
এ নিয়ে গ্রামবাসীর পক্ষে শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিবগঞ্জ এবং মেয়র বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো. আফজাল হোসেন। অভিযোগের কপির সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে ৭৪ জন গ্রামবাসীর স্বাক্ষর। যারা সাবেক শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক ছিলেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিবগঞ্জ পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ১৯৯৭ সালে রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করা হয়। যা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক ২০০২ সালের ১৬ নভেম্বর (এম/ ৩৭৫-ম/ ০২ / ১৯০৪৮-ম) একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে। অনিবার্য কারণ বসত পাঠদান সাময়িক বন্ধ থাকে। যার কারণে স্কুলটি পরিত্যক্ত থাকে। বর্তমানে কিছু অসাধু স্থানীয় ব্যক্তি নিজ স্বার্থের জন্য ওই বিদ্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টা করছে এবং দুইটি আধা পাকা ঘর ভেঙে ফেলেছে। এদের মধ্যে স্কুলের কেরানি আশরাফ আলীও জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসী এ নিয়ে বাধা দিতে গেলে প্রতারক চক্রটি মারপিটের হুমকি দিচ্ছে বলেও জানা যায়।
অভিযোগ পেয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর মেয়র উভয় পক্ষকে শুনানির জন্য গত ১৩ সেপ্টেম্বর নিজ নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য নোটিশ জারি করেন। কিন্তু একই সময়ে পৌরসভা এবং উপজেলাতে হাজির হতে বলায় এ নিয়ে কোনো সমাধান হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জমির ক্রেতা দাবিদার মো. বাবু মিঞা ও শামীম রেজা বলেন, ‘বৈধ কমিটির কাছ থেকে রেজুলেশনের মাধ্যমে ন্যায্য মূল্য দিয়ে জমি ক্রয় করেছি। জমিটি ইতি মধ্যে খারিজও করা হয়েছে। যারা জমিতে বাধা দিতে আসছে তারাই স্কুলটির বিরোধিতা করে আসছিল। জমি এবং ভবন আমাদের দখলেই আছে।’
এ নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অভিযোগের কপি পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করা হবে।

করোনাকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে একটি স্কুল ভবন মাটিসহ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে। শিবগঞ্জ পৌর এলাকার রসুলপুর গ্রামের রসুলপুর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
এ নিয়ে গ্রামবাসীর পক্ষে শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিবগঞ্জ এবং মেয়র বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো. আফজাল হোসেন। অভিযোগের কপির সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে ৭৪ জন গ্রামবাসীর স্বাক্ষর। যারা সাবেক শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক ছিলেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিবগঞ্জ পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ১৯৯৭ সালে রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করা হয়। যা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক ২০০২ সালের ১৬ নভেম্বর (এম/ ৩৭৫-ম/ ০২ / ১৯০৪৮-ম) একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে। অনিবার্য কারণ বসত পাঠদান সাময়িক বন্ধ থাকে। যার কারণে স্কুলটি পরিত্যক্ত থাকে। বর্তমানে কিছু অসাধু স্থানীয় ব্যক্তি নিজ স্বার্থের জন্য ওই বিদ্যালয়ের জমি দখলের চেষ্টা করছে এবং দুইটি আধা পাকা ঘর ভেঙে ফেলেছে। এদের মধ্যে স্কুলের কেরানি আশরাফ আলীও জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসী এ নিয়ে বাধা দিতে গেলে প্রতারক চক্রটি মারপিটের হুমকি দিচ্ছে বলেও জানা যায়।
অভিযোগ পেয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর মেয়র উভয় পক্ষকে শুনানির জন্য গত ১৩ সেপ্টেম্বর নিজ নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য নোটিশ জারি করেন। কিন্তু একই সময়ে পৌরসভা এবং উপজেলাতে হাজির হতে বলায় এ নিয়ে কোনো সমাধান হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জমির ক্রেতা দাবিদার মো. বাবু মিঞা ও শামীম রেজা বলেন, ‘বৈধ কমিটির কাছ থেকে রেজুলেশনের মাধ্যমে ন্যায্য মূল্য দিয়ে জমি ক্রয় করেছি। জমিটি ইতি মধ্যে খারিজও করা হয়েছে। যারা জমিতে বাধা দিতে আসছে তারাই স্কুলটির বিরোধিতা করে আসছিল। জমি এবং ভবন আমাদের দখলেই আছে।’
এ নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অভিযোগের কপি পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করা হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে