চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহনাজ খাতুনকে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। সাইবুর রহমান নামের এক ব্যক্তির করা হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ রোববার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও দায়রা আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৩ জুন ভোলাহাট উপজেলার চরধরমপুর মিস্ত্রিপাড়া এলাকার সাইবুর রহমানের (৪৪) স্ত্রী তাজকেরা খাতুন পারিবারিক কলহের জের ধরে তাঁর স্বামীর গায়ে গরম ডাল ঢেলে দেন। এতে তাঁর স্বামীর শরীর ঝলসে যায়। এ ঘটনায় শাহনাজ খাতুনকে উসকানিদাতা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করে মামলা করেন সাইবুর রহমানে বড় ভাই। এতে বিএনপির এই নেত্রীকে ৬ নম্বর আসামি করা হয়।
গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার মেডিকেল মোড় এলাকা থেকে শাহনাজকে আটক করা হয়। এরপর তাঁকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়। আজ রোববার দুপুরে ওই থানার একটি এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ জানিয়েছেন।
এদিকে, শাহনাজ খাতুনের বড় ভাই শাহ কবির বলেন, ‘আমার ছোট বোনকে যখন আটক করা হয়, তখন আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম। তাঁকে মামলা ছাড়াই জোরপূর্বক তিন গাড়ি পুলিশ গিয়ে উঠিয়ে এনে রাতভর নাটকের পরে এখন নিজেদের তৈরি করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আমার বোনের প্রতি অন্যায় করা হয়েছে। তাকে আজ (রোববার) বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আদালতে তোলা হয়নি।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, গতকাল (শনিবার) রাতে শাহনাজ খাতুনকে আটক করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছিল। তাঁর মেডিকেল রিপোর্ট সম্পন্ন করে তাঁকে আদালতে তোলা হয়। তিনি ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। আদালতের বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহনাজ খাতুনকে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। সাইবুর রহমান নামের এক ব্যক্তির করা হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ রোববার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও দায়রা আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৩ জুন ভোলাহাট উপজেলার চরধরমপুর মিস্ত্রিপাড়া এলাকার সাইবুর রহমানের (৪৪) স্ত্রী তাজকেরা খাতুন পারিবারিক কলহের জের ধরে তাঁর স্বামীর গায়ে গরম ডাল ঢেলে দেন। এতে তাঁর স্বামীর শরীর ঝলসে যায়। এ ঘটনায় শাহনাজ খাতুনকে উসকানিদাতা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করে মামলা করেন সাইবুর রহমানে বড় ভাই। এতে বিএনপির এই নেত্রীকে ৬ নম্বর আসামি করা হয়।
গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার মেডিকেল মোড় এলাকা থেকে শাহনাজকে আটক করা হয়। এরপর তাঁকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়। আজ রোববার দুপুরে ওই থানার একটি এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ জানিয়েছেন।
এদিকে, শাহনাজ খাতুনের বড় ভাই শাহ কবির বলেন, ‘আমার ছোট বোনকে যখন আটক করা হয়, তখন আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম। তাঁকে মামলা ছাড়াই জোরপূর্বক তিন গাড়ি পুলিশ গিয়ে উঠিয়ে এনে রাতভর নাটকের পরে এখন নিজেদের তৈরি করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আমার বোনের প্রতি অন্যায় করা হয়েছে। তাকে আজ (রোববার) বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আদালতে তোলা হয়নি।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, গতকাল (শনিবার) রাতে শাহনাজ খাতুনকে আটক করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছিল। তাঁর মেডিকেল রিপোর্ট সম্পন্ন করে তাঁকে আদালতে তোলা হয়। তিনি ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। আদালতের বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৪ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে