গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মতিউর রহমানের কর্মী সমর্থকেরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে এসে রাস্তায় ভটভটি উল্টে একজন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে রহনপুর-যাতাহারা সড়কের তেঘরিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম বাদুল চান্দু (৩৫)। তিনি রাধানগর ইউনিয়নের বেগপুর গ্রামের তাজের আলীর ছেলে।
আহত লতিফ জানান, ওই দিন বিকেলে রাধানগর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মতিউর রহমানকে বেগপুর গ্রামের লোকজন দেখতে তাঁর বাড়ি জশৈল গ্রামের উদ্দেশ্য বের হয়। পথিমধ্যে তেঘরিয়া এলাকায় ভটভটিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। ভটভটিতে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন লোক ছিল।
গোমস্তাপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মী নাহিদ ইসলাম জানান, খবর পেয়ে গোমস্তাপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে আহতের উদ্ধার করে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তবে তিনি জানান, আহতের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক রাকিবুল ইসলাম মাসুদ জানান, আহতের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত ১০ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। আহতেরা হলেন, বেগপুর গ্রামের মারুফ (১২), আমিন (৬৫), ইসমাইল (৪৫), হুমায়ুন (৬০), মতিন (৩০), কেরামত (৪০), নাইম (১৩), মুরশেদ (৪৫), জুয়েল (৪৫), লতিফ (৫০)।
গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলীপ কুমার দাস জানান, গুরুতর আহত বাদল চান্দুকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে নাচোল হাসপাতালে মারা যান। অন্যান্য আহতরা গোমস্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।
এদিকে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মতিউর রহমান আহতদের দেখতে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মতিউর রহমানের কর্মী সমর্থকেরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে এসে রাস্তায় ভটভটি উল্টে একজন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে রহনপুর-যাতাহারা সড়কের তেঘরিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম বাদুল চান্দু (৩৫)। তিনি রাধানগর ইউনিয়নের বেগপুর গ্রামের তাজের আলীর ছেলে।
আহত লতিফ জানান, ওই দিন বিকেলে রাধানগর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মতিউর রহমানকে বেগপুর গ্রামের লোকজন দেখতে তাঁর বাড়ি জশৈল গ্রামের উদ্দেশ্য বের হয়। পথিমধ্যে তেঘরিয়া এলাকায় ভটভটিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। ভটভটিতে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন লোক ছিল।
গোমস্তাপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মী নাহিদ ইসলাম জানান, খবর পেয়ে গোমস্তাপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে আহতের উদ্ধার করে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তবে তিনি জানান, আহতের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক রাকিবুল ইসলাম মাসুদ জানান, আহতের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত ১০ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। আহতেরা হলেন, বেগপুর গ্রামের মারুফ (১২), আমিন (৬৫), ইসমাইল (৪৫), হুমায়ুন (৬০), মতিন (৩০), কেরামত (৪০), নাইম (১৩), মুরশেদ (৪৫), জুয়েল (৪৫), লতিফ (৫০)।
গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলীপ কুমার দাস জানান, গুরুতর আহত বাদল চান্দুকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে নাচোল হাসপাতালে মারা যান। অন্যান্য আহতরা গোমস্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।
এদিকে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মতিউর রহমান আহতদের দেখতে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে