প্রতিনিধি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

বিয়ের তিন দিন পর গতকাল বুধবার ভাগনে এবং ভাগনের বউ আনার জন্য নৌকাযোগে শিবগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ পাকা ১৩ রশিয়া যাচ্ছিলেন সূর্য নারায়ণপুর গ্রামের সাদিকুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী টকিয়ারা বেগম এবং পাঁচ বছর বয়সী কন্যা তাজরিন খাতুন। নদীর ধার দিয়ে নৌকা বয়ে যাচ্ছিল গন্তব্যের দিকে। পথে হঠাৎ শুরু হয় প্রচুর বৃষ্টি। বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য নৌকা ভিড়ানো হয় পাকার তেলি খাড়ি ঘাটে। সবাই আশ্রয় নেন একটি টিন শেড ছাউনিতে। এমন সময় হঠাৎ বজ্রপাত ঘটলে ঘটনাস্থলেই এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান ১৭ নারী-পুরুষ এবং শিশু। এখনো চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বেশ কয়েকজন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তবর্তী নারায়ণপুর ইউনিয়নের সূর্যনারায়ণপুর-ডাইল পাড়া গিয়ে দেখা যায়, একটি বাড়ির ভেতর তিন শিশুকে ঘিরে কিছু মানুষের জটলা। জিজ্ঞেস করলেই কয়েকজন নারী জানালেন শিশুদের মা-বাবা মারা গেছে বুধবারের বজ্রপাতে। আর সেই শিশুদের আদরের আরও একটি ছোট বোন তাজরিন (৫) বজ্রপাতে অসুস্থ হয়ে এখনো রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বাবা-মা হারানো শিশু শিহাব (১৩), তাঁর ছোট বোন সোনিয়া (১০), তানিয়া (৬) এবং তাজরিন (৫) এখনো বাকরুদ্ধ, কোন কথাই বলতে পারছে না তাঁরা। আত্মীয়স্বজনরা তাঁদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
মেয়ে এবং জামাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে বুধবার দুপুরেই চরবাগডাঙা থেকে জামাইয়ের বাড়িতে এসেছেন শিশুদের বৃদ্ধ নানি ফুনিয়ারা বেগম। এক সঙ্গে জামাই মেয়েকে হারিয়ে তিনিও বাকরুদ্ধ, অঝোরে কাঁদছেন।
ফুনিয়ারা বেগম জানান, কৃষিসহ বিভিন্ন কাজ করে সংসার চালাতো জামাই সাদিকুল ইসলাম। তাঁদের আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো না। এখন কীভাবে সংসার চলবে, কে দায়িত্ব নেবে অসহায় চার ভাই বোনের। এ এ ছাড়া আর কোন কথা বলতে পারেনি ফুনিয়ারা বেগম।

বিয়ের তিন দিন পর গতকাল বুধবার ভাগনে এবং ভাগনের বউ আনার জন্য নৌকাযোগে শিবগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ পাকা ১৩ রশিয়া যাচ্ছিলেন সূর্য নারায়ণপুর গ্রামের সাদিকুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী টকিয়ারা বেগম এবং পাঁচ বছর বয়সী কন্যা তাজরিন খাতুন। নদীর ধার দিয়ে নৌকা বয়ে যাচ্ছিল গন্তব্যের দিকে। পথে হঠাৎ শুরু হয় প্রচুর বৃষ্টি। বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য নৌকা ভিড়ানো হয় পাকার তেলি খাড়ি ঘাটে। সবাই আশ্রয় নেন একটি টিন শেড ছাউনিতে। এমন সময় হঠাৎ বজ্রপাত ঘটলে ঘটনাস্থলেই এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান ১৭ নারী-পুরুষ এবং শিশু। এখনো চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বেশ কয়েকজন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তবর্তী নারায়ণপুর ইউনিয়নের সূর্যনারায়ণপুর-ডাইল পাড়া গিয়ে দেখা যায়, একটি বাড়ির ভেতর তিন শিশুকে ঘিরে কিছু মানুষের জটলা। জিজ্ঞেস করলেই কয়েকজন নারী জানালেন শিশুদের মা-বাবা মারা গেছে বুধবারের বজ্রপাতে। আর সেই শিশুদের আদরের আরও একটি ছোট বোন তাজরিন (৫) বজ্রপাতে অসুস্থ হয়ে এখনো রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বাবা-মা হারানো শিশু শিহাব (১৩), তাঁর ছোট বোন সোনিয়া (১০), তানিয়া (৬) এবং তাজরিন (৫) এখনো বাকরুদ্ধ, কোন কথাই বলতে পারছে না তাঁরা। আত্মীয়স্বজনরা তাঁদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।
মেয়ে এবং জামাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে বুধবার দুপুরেই চরবাগডাঙা থেকে জামাইয়ের বাড়িতে এসেছেন শিশুদের বৃদ্ধ নানি ফুনিয়ারা বেগম। এক সঙ্গে জামাই মেয়েকে হারিয়ে তিনিও বাকরুদ্ধ, অঝোরে কাঁদছেন।
ফুনিয়ারা বেগম জানান, কৃষিসহ বিভিন্ন কাজ করে সংসার চালাতো জামাই সাদিকুল ইসলাম। তাঁদের আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো না। এখন কীভাবে সংসার চলবে, কে দায়িত্ব নেবে অসহায় চার ভাই বোনের। এ এ ছাড়া আর কোন কথা বলতে পারেনি ফুনিয়ারা বেগম।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে