শাহরাস্তি (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে মায়ের হাতে নির্যাতিত শিশুকে (২) চট্টগ্রামের ছোটমণি নিবাসে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদপুরের শিশু আদালতে ভুক্তভোগী শিশুটিকে হাজির করলে বিচারক জান্নাতুল ফেরদাউস চৌধুরী এ নির্দেশ দেন।
অন্যদিকে আদালতের অপর নির্দেশে শিশুটির মা পারভীন আক্তারকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলে জানান শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মান্নান।
এ ব্যাপারে ওসি বলেন, ‘মায়ের হাতে নির্যাতিত শিশুটিকে পরিচর্যা ও ভরণ-পোষণের দায়িত্ব কে নেবে—এই সিদ্ধান্ত জানতে বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদপুর আদালতে ওই শিশুকে হাজির করানো হয়। সেখানে থেকে তাকে চট্টগ্রামের ছোটমণি নিবাসে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী শিশুটিকে চট্টগ্রামের রৌফাবাদ ছোটমণি নিবাসে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
ওসি আরও জানান, স্বামীর সঙ্গে রাগ করে দুই বছরের শিশুকে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনার পর মঙ্গলবার রাতে উপজেলা প্রশাসন ও চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শিশুটিকে তার নানাবাড়ি থেকে উদ্ধার করে। এরপর শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গতকাল বুধবার দুপুরে শিশুটির মা পারভীন আক্তারকে (২৩) আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠান। নির্যাতনের শিকার শিশুটিকে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার মাধ্যমে আজ বৃহস্পতিবার নারী ও শিশু আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে শিশুটিকে ওই আদালতে হাজির করা হলে শিশুটির দাদা আ. করিম ও খালা নুরজাহান আক্তার তাদের জিম্মায় ফাহাদকে নেওয়ার আবেদন করেন। আদালতের বিচারক জান্নাতুল ফেরদাউস চৌধুরী শিশুটির কল্যাণার্থে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পর্যন্ত তাকে চট্টগ্রামের ছোটমণি নিবাসে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ন রশীদ জানান, আদালতের নির্দেশ মোতাবেক শিশুটিকে নিরাপদে চট্টগ্রামের ছোটমণি নিবাসে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের হাড়িয়া গ্রামের নূরুল আমিনের মেয়ে পারভীন আক্তারের (২৩) সঙ্গে তিন বছর আগে বিয়ে হয় কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার আশিয়াদারি গ্রামের আবদুল করিমের ছেলে প্রবাসী মহিনউদ্দিনের। তাঁদের সংসারে ফাহাদ (২) নামের একটি শিশুসন্তান রয়েছে। বিয়ের এক বছর পর থেকে তাঁদের দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়। এ নিয়ে স্ত্রী পারভীন আক্তার বাবার বাড়িতে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। চাঁদপুর লিগ্যাল এইড কার্যালয়ের সিদ্ধান্তমতে ভরণপোষণ বাবদ প্রতি মাসে স্বামীর কাছ থেকে ৮ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
প্রবাসী স্বামী মহিনউদ্দিন ঠিকমতো ওই টাকা না দিতে পারায় সম্প্রতি পারভীন তাঁদের দুই বছরের শিশুসন্তানকে নির্যাতন করে তার ভিডিও ধারণ করে স্বামীকে পাঠান। শিশুটির বাবা ওই ভিডিও দেখে সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মনোহরগঞ্জ এলাকার বিভিন্নজনকে অনুরোধ করেন। এরই মধ্যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দৃষ্টিতে আসে।

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে মায়ের হাতে নির্যাতিত শিশুকে (২) চট্টগ্রামের ছোটমণি নিবাসে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদপুরের শিশু আদালতে ভুক্তভোগী শিশুটিকে হাজির করলে বিচারক জান্নাতুল ফেরদাউস চৌধুরী এ নির্দেশ দেন।
অন্যদিকে আদালতের অপর নির্দেশে শিশুটির মা পারভীন আক্তারকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলে জানান শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মান্নান।
এ ব্যাপারে ওসি বলেন, ‘মায়ের হাতে নির্যাতিত শিশুটিকে পরিচর্যা ও ভরণ-পোষণের দায়িত্ব কে নেবে—এই সিদ্ধান্ত জানতে বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদপুর আদালতে ওই শিশুকে হাজির করানো হয়। সেখানে থেকে তাকে চট্টগ্রামের ছোটমণি নিবাসে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী শিশুটিকে চট্টগ্রামের রৌফাবাদ ছোটমণি নিবাসে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
ওসি আরও জানান, স্বামীর সঙ্গে রাগ করে দুই বছরের শিশুকে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ ঘটনার পর মঙ্গলবার রাতে উপজেলা প্রশাসন ও চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শিশুটিকে তার নানাবাড়ি থেকে উদ্ধার করে। এরপর শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গতকাল বুধবার দুপুরে শিশুটির মা পারভীন আক্তারকে (২৩) আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠান। নির্যাতনের শিকার শিশুটিকে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার মাধ্যমে আজ বৃহস্পতিবার নারী ও শিশু আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে শিশুটিকে ওই আদালতে হাজির করা হলে শিশুটির দাদা আ. করিম ও খালা নুরজাহান আক্তার তাদের জিম্মায় ফাহাদকে নেওয়ার আবেদন করেন। আদালতের বিচারক জান্নাতুল ফেরদাউস চৌধুরী শিশুটির কল্যাণার্থে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পর্যন্ত তাকে চট্টগ্রামের ছোটমণি নিবাসে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ন রশীদ জানান, আদালতের নির্দেশ মোতাবেক শিশুটিকে নিরাপদে চট্টগ্রামের ছোটমণি নিবাসে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের হাড়িয়া গ্রামের নূরুল আমিনের মেয়ে পারভীন আক্তারের (২৩) সঙ্গে তিন বছর আগে বিয়ে হয় কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার আশিয়াদারি গ্রামের আবদুল করিমের ছেলে প্রবাসী মহিনউদ্দিনের। তাঁদের সংসারে ফাহাদ (২) নামের একটি শিশুসন্তান রয়েছে। বিয়ের এক বছর পর থেকে তাঁদের দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়। এ নিয়ে স্ত্রী পারভীন আক্তার বাবার বাড়িতে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। চাঁদপুর লিগ্যাল এইড কার্যালয়ের সিদ্ধান্তমতে ভরণপোষণ বাবদ প্রতি মাসে স্বামীর কাছ থেকে ৮ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
প্রবাসী স্বামী মহিনউদ্দিন ঠিকমতো ওই টাকা না দিতে পারায় সম্প্রতি পারভীন তাঁদের দুই বছরের শিশুসন্তানকে নির্যাতন করে তার ভিডিও ধারণ করে স্বামীকে পাঠান। শিশুটির বাবা ওই ভিডিও দেখে সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মনোহরগঞ্জ এলাকার বিভিন্নজনকে অনুরোধ করেন। এরই মধ্যে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দৃষ্টিতে আসে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে