বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়া শহরে এক নারীকে জিম্মি করে তাঁরই ব্যক্তিগত গাড়িচালক নাজমুল হোসেন সাজাত (৪২) নগদ ও স্বর্ণালংকারসহ ২১ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটে নেন। গত সোমবারের এ ঘটনায় মামলা হলে গাড়িচালককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তার সাজাত বগুড়া শহরের মধ্য বৃন্দাবনপাড়ার বাসিন্দা। তিনি বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর এলাকায় রানার সিটিতে বসবাসকারী শাপলা শাহীন নামের এক নারীর ব্যক্তিগত গাড়িচালক ছিলেন।
মামলার বাদী শাপলা শাহীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, তাঁর প্রবাসী স্বামীর অনুপস্থিতিতে তিনি দুই শিশুসন্তান নিয়ে রানার সিটিতে নিজের বাসায় থাকতেন। নাজমুল হোসেন সাজাত এক বছর ধরে তাঁর ব্যক্তিগত গাড়িচালকের কাজ করতেন।
শাপলা শাহীন বলেন, সোমবার ভোরে গাড়িচালক সাজাত বাসায় আসেন। সকাল ৭টার দিকে ছোট সন্তানকে স্কুলে দিয়ে আসেন। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বড় সন্তানকে স্কুলে দিয়ে সোয়া ১০টায় বাসায় ফেরেন তিনি। গ্যারেজে ঢোকার পর বাসার প্রধান ফটক বন্ধ করে চালক তাঁর দুই হাত বেঁধে ফেলেন এবং মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে দেন। এরপর চাকু বের করে ভয় দেখিয়ে তাঁকে নিয়ে বাসায় ঢোকেন।
শাপলা শাহীন আরও বলেন, এ সময় তাঁর কাছ থেকে চাবি নিয়ে আলমারি খুলে নগদ ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ৭০০ ইউএস ডলার, ১৩ ভরি স্বর্ণের গয়নাসহ ২১ লাখ ৬০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে পালিয়ে যান সাজাত। এ ঘটনায় পরদিন রাতে তিনি বাদী হয়ে গাড়িচালক সাজাতের নামে বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন।
এদিকে র্যাবের কোম্পানি কমান্ডার পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা এলাকা থেকে গাড়িচালক নামজুল হোসেন সাজাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর হেফাজত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার টাকা, সমুদয় স্বর্ণালংকার, বিভিন্ন দেশের ২৬০টি কয়েন, ডলার সদৃশ তিনটি ম্যাগনেটিক শোপিচ এবং একটি মোবাইল ফোন সেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার আসামিকে বগুড়া সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

বগুড়া শহরে এক নারীকে জিম্মি করে তাঁরই ব্যক্তিগত গাড়িচালক নাজমুল হোসেন সাজাত (৪২) নগদ ও স্বর্ণালংকারসহ ২১ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটে নেন। গত সোমবারের এ ঘটনায় মামলা হলে গাড়িচালককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তার সাজাত বগুড়া শহরের মধ্য বৃন্দাবনপাড়ার বাসিন্দা। তিনি বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর এলাকায় রানার সিটিতে বসবাসকারী শাপলা শাহীন নামের এক নারীর ব্যক্তিগত গাড়িচালক ছিলেন।
মামলার বাদী শাপলা শাহীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, তাঁর প্রবাসী স্বামীর অনুপস্থিতিতে তিনি দুই শিশুসন্তান নিয়ে রানার সিটিতে নিজের বাসায় থাকতেন। নাজমুল হোসেন সাজাত এক বছর ধরে তাঁর ব্যক্তিগত গাড়িচালকের কাজ করতেন।
শাপলা শাহীন বলেন, সোমবার ভোরে গাড়িচালক সাজাত বাসায় আসেন। সকাল ৭টার দিকে ছোট সন্তানকে স্কুলে দিয়ে আসেন। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বড় সন্তানকে স্কুলে দিয়ে সোয়া ১০টায় বাসায় ফেরেন তিনি। গ্যারেজে ঢোকার পর বাসার প্রধান ফটক বন্ধ করে চালক তাঁর দুই হাত বেঁধে ফেলেন এবং মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে দেন। এরপর চাকু বের করে ভয় দেখিয়ে তাঁকে নিয়ে বাসায় ঢোকেন।
শাপলা শাহীন আরও বলেন, এ সময় তাঁর কাছ থেকে চাবি নিয়ে আলমারি খুলে নগদ ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ৭০০ ইউএস ডলার, ১৩ ভরি স্বর্ণের গয়নাসহ ২১ লাখ ৬০ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে পালিয়ে যান সাজাত। এ ঘটনায় পরদিন রাতে তিনি বাদী হয়ে গাড়িচালক সাজাতের নামে বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন।
এদিকে র্যাবের কোম্পানি কমান্ডার পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা এলাকা থেকে গাড়িচালক নামজুল হোসেন সাজাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর হেফাজত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার টাকা, সমুদয় স্বর্ণালংকার, বিভিন্ন দেশের ২৬০টি কয়েন, ডলার সদৃশ তিনটি ম্যাগনেটিক শোপিচ এবং একটি মোবাইল ফোন সেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার আসামিকে বগুড়া সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে