শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

দ্বিতীয় ধাপে ১১ নভেম্বর বগুড়ার শেরপুরের নয়টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দলীয় প্রতীকে অংশ নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। এছাড়া বিএনপির নেতারা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করছেন। মাঠে আছে জামাত ও ইসলামী আন্দোলন সমর্থিত প্রার্থীরাও।
২৬ অক্টোবর বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে চেয়ারম্যান পদে চারজন, সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য পদে দুইজন ও সাধারণ সদস্য ১৭ জন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেয় বলে উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে উপজেলার নয়টি ইউনিয়নে দুটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে আছে তিনজন। এতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে আ. লীগ বিদ্রোহীরা নির্বাচনী মাঠে থাকায় স্থানীয় নেতাকর্মীরাও বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। আবার প্রার্থী বাচাই ও তৃণমূল জরিপে অসংগতি থাকায় আ. লীগ দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে অনেক ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী, স্বতন্ত্র (বিএনপি সমর্থিত) প্রার্থীর পক্ষেও গোপন প্রচারণাও চলছে বলে অভিযোগও রয়েছে। এদিকে দলীয় প্রার্থীদের বিপক্ষে বিদ্রোহীরা মাঠে থাকায় অনেকটাই বেকায়দায় রয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। ফলে জয়ের আশা নিয়ে শঙ্কিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নয়টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। এর নয়টিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন (নৌকা প্রতীক) নিয়ে নয়জন নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। তবে দুটি ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থীর (নৌকা) বিপক্ষে তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠে সরব।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শেরপুর উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের মধ্যে খানপুর ইউনিয়নে আ. লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন পরিমল দত্ত। অন্য দিকে নৌকা প্রতীক চেয়ে ব্যর্থ হয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম রাঞ্জু বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। তিনি উপজেলা কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি তারিকুল ইসলাম তারেকের বড় ভাই।
বিশালপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান শাজাহান আলী (সাজা)। তাঁর বিপক্ষে বিদ্রোহী হিসেবে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাবেক চেয়ারম্যান এস এম রাফিউল ইসলাম লাবু ও আ. লীগ মনোনয়ন বঞ্চিত সুধান্য চন্দ্র (তিনি আ. লীগ মনোনীত প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবোধ চন্দ্রের ছোট ভাই) এবং ইউনিয়ন আ. লীগের সাবেক নেতা একই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মাঠে রয়েছে। তবে জাকির হোসেন আ. লীগের দলীয় মনোনয়ন চাননি বলে জানা গেছে।
ভবানীপুর ইউনিয়নে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। সীমাবাড়ী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা আ. লীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান গৌরদাস রায় চৌধুরী। সুঘাট ইউনিয়নে আ. লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান জিন্নাহ।
এদিকে সুঘাট ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে আ. লীগ নেতা টিএম গফুর, ভবানীপুর ইউনিয়নে সাজ্জাদ হোসেন ও সীমাবাড়ী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুল ইসলাম এবং অপর একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৪ জন মনোনয়ন পত্র জমা দিলেও মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেয় বলে নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে।
এছাড়াও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নে জুলফিকার আলী সঞ্জু, খামারকান্দি ইউনিয়নে আব্দুল মমিন মন্ডল, মির্জাপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী মন্টু ও শাহবন্দেগী ইউনিয়নে আবু তালেব আকন্দ। আবু তালেব উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি।
এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস সাত্তার জানান, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যারা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাই-কমান্ডকে অবগত করা হবে।
শেরপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার মোছা. আছিয়া খাতুন বলেন, গত ১৭ অক্টোবর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ও ২৬ অক্টোবর বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে চেয়ারম্যান পদে চারজন, সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য পদে দুইজন ও সাধারণ সদস্য ১৭ জন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেয়। আগামীকাল ২৭ অক্টোবর সকালে প্রতীক বরাদ্দ। তাছাড়া আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে আমরা সর্বদায় প্রস্তুত।

দ্বিতীয় ধাপে ১১ নভেম্বর বগুড়ার শেরপুরের নয়টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দলীয় প্রতীকে অংশ নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। এছাড়া বিএনপির নেতারা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করছেন। মাঠে আছে জামাত ও ইসলামী আন্দোলন সমর্থিত প্রার্থীরাও।
২৬ অক্টোবর বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে চেয়ারম্যান পদে চারজন, সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য পদে দুইজন ও সাধারণ সদস্য ১৭ জন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেয় বলে উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে উপজেলার নয়টি ইউনিয়নে দুটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে আছে তিনজন। এতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে আ. লীগ বিদ্রোহীরা নির্বাচনী মাঠে থাকায় স্থানীয় নেতাকর্মীরাও বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। আবার প্রার্থী বাচাই ও তৃণমূল জরিপে অসংগতি থাকায় আ. লীগ দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে অনেক ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী, স্বতন্ত্র (বিএনপি সমর্থিত) প্রার্থীর পক্ষেও গোপন প্রচারণাও চলছে বলে অভিযোগও রয়েছে। এদিকে দলীয় প্রার্থীদের বিপক্ষে বিদ্রোহীরা মাঠে থাকায় অনেকটাই বেকায়দায় রয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। ফলে জয়ের আশা নিয়ে শঙ্কিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নয়টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। এর নয়টিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন (নৌকা প্রতীক) নিয়ে নয়জন নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। তবে দুটি ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থীর (নৌকা) বিপক্ষে তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠে সরব।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শেরপুর উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের মধ্যে খানপুর ইউনিয়নে আ. লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন পরিমল দত্ত। অন্য দিকে নৌকা প্রতীক চেয়ে ব্যর্থ হয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম রাঞ্জু বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। তিনি উপজেলা কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি তারিকুল ইসলাম তারেকের বড় ভাই।
বিশালপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান শাজাহান আলী (সাজা)। তাঁর বিপক্ষে বিদ্রোহী হিসেবে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাবেক চেয়ারম্যান এস এম রাফিউল ইসলাম লাবু ও আ. লীগ মনোনয়ন বঞ্চিত সুধান্য চন্দ্র (তিনি আ. লীগ মনোনীত প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবোধ চন্দ্রের ছোট ভাই) এবং ইউনিয়ন আ. লীগের সাবেক নেতা একই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মাঠে রয়েছে। তবে জাকির হোসেন আ. লীগের দলীয় মনোনয়ন চাননি বলে জানা গেছে।
ভবানীপুর ইউনিয়নে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ। সীমাবাড়ী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা আ. লীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান গৌরদাস রায় চৌধুরী। সুঘাট ইউনিয়নে আ. লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান জিন্নাহ।
এদিকে সুঘাট ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে আ. লীগ নেতা টিএম গফুর, ভবানীপুর ইউনিয়নে সাজ্জাদ হোসেন ও সীমাবাড়ী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুল ইসলাম এবং অপর একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৪ জন মনোনয়ন পত্র জমা দিলেও মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেয় বলে নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে।
এছাড়াও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নে জুলফিকার আলী সঞ্জু, খামারকান্দি ইউনিয়নে আব্দুল মমিন মন্ডল, মির্জাপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী মন্টু ও শাহবন্দেগী ইউনিয়নে আবু তালেব আকন্দ। আবু তালেব উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি।
এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস সাত্তার জানান, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যারা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাই-কমান্ডকে অবগত করা হবে।
শেরপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার মোছা. আছিয়া খাতুন বলেন, গত ১৭ অক্টোবর ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ও ২৬ অক্টোবর বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে চেয়ারম্যান পদে চারজন, সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য পদে দুইজন ও সাধারণ সদস্য ১৭ জন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেয়। আগামীকাল ২৭ অক্টোবর সকালে প্রতীক বরাদ্দ। তাছাড়া আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে আমরা সর্বদায় প্রস্তুত।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে