ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৪৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন নয়জন। তাঁদের স্থায়ীভাবে দল থেকে বহিষ্কারের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের কাছে লিখিতভাবে সুপারিশ করেছেন।
গতকাল রোববার দুপুরে ধুনট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই খোকন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উপজেলা নির্বাচন অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধুনট উপজেলায় তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ আগামী ২৮ নভেম্বর।
উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে পাঁচটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন ৯ জন। বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন: এলাঙ্গী ইউনিয়নে এলাঙ্গী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এমএ তারেক হেলাল ও আওয়ামী লীগের সমর্থক মাসুদ রানা। ধুনট ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান ও কৃষক লীগের সাবেক সদস্য আলমগীর আকন্দ। নিমগাছি ইউনিয়নে নিমগাছি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নবাব আলী ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন। গোসাইবাড়ি ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মাকছুদুল হক। চিকাশি ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সমর্থক আব্দুর রাজ্জাক আকন্দ ও আরিফুর রহমান।
এই নয় নেতা কর্মী দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। ফলে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁদের দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি টি আইএম নুরুন্নবী তারিক ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই কেন্দ্রীয় নির্দেশ মোতাবেক জেলা কমিটির নিকট সুপারিশ করা হয়েছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই বলেন, ‘পাঁচটি ইউনিয়নের নয়জন বিদ্রোহী প্রার্থীর নাম স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য জেলা আওয়ামী লীগের নিকট লিখিতভাবে সুপারিশ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে জেলা আওয়ামী লীগ।’

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৪৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন নয়জন। তাঁদের স্থায়ীভাবে দল থেকে বহিষ্কারের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের কাছে লিখিতভাবে সুপারিশ করেছেন।
গতকাল রোববার দুপুরে ধুনট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই খোকন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উপজেলা নির্বাচন অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধুনট উপজেলায় তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ আগামী ২৮ নভেম্বর।
উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে পাঁচটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন ৯ জন। বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন: এলাঙ্গী ইউনিয়নে এলাঙ্গী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এমএ তারেক হেলাল ও আওয়ামী লীগের সমর্থক মাসুদ রানা। ধুনট ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান ও কৃষক লীগের সাবেক সদস্য আলমগীর আকন্দ। নিমগাছি ইউনিয়নে নিমগাছি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নবাব আলী ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন। গোসাইবাড়ি ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মাকছুদুল হক। চিকাশি ইউনিয়নে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সমর্থক আব্দুর রাজ্জাক আকন্দ ও আরিফুর রহমান।
এই নয় নেতা কর্মী দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। ফলে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁদের দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি টি আইএম নুরুন্নবী তারিক ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই কেন্দ্রীয় নির্দেশ মোতাবেক জেলা কমিটির নিকট সুপারিশ করা হয়েছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই বলেন, ‘পাঁচটি ইউনিয়নের নয়জন বিদ্রোহী প্রার্থীর নাম স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য জেলা আওয়ামী লীগের নিকট লিখিতভাবে সুপারিশ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে জেলা আওয়ামী লীগ।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে