নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

অবকাঠামো উন্নয়নসহ ৩ দফা দাবিতে গত এক মাস ধরে আন্দোলন করে আসছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা। তাঁদের একটাই লক্ষ্য, সরকারের পক্ষ থেকে যেন দাবি পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ইউজিসির টনক নড়েনি। সবশেষ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গণঅনশনে বসেন ৭ শিক্ষার্থী। রাত দেড়টার দিকে সেখানে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে অনশনরতদের পাশেই তিনি একটি মশারি টানিয়ে শুয়ে পড়েন।
শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টায় ক্যাম্পাসে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপাচার্য ড. তৌফিক আলম গ্রাউন্ড ফ্লোরের লিফটের পাশে মশারি টানিয়ে ঘুমিয়ে আছেন। আর তার ডানে ঘুমাচ্ছেন অনশনরত ৭ শিক্ষার্থী। তারা হলেন: ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শারমিলা জামান সেঁজুতি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অমিয় মন্ডল, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের তাজুল ইসলাম, রসায়ন বিভাগের মো. আবুবকর সিদ্দিক, দর্শন বিভাগের পিয়াল হাসান, লোকপ্রশাসনের তামিম আহমেদ রিয়াজ এবং আইন বিভাগের শওকত ওসমান স্বাক্ষর।
এর আগে অনশন চলাবস্থায় রাত ১১টার দিকে প্রক্টোরিয়াল বডি নিয়ে উপাচার্য ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণের আশ্বাস দিলেও অনশনে অনড় ছিলেন ববির শিক্ষার্থীরা।
অনশনরত আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শওকত ওসমান স্বাক্ষর বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ যৌক্তিক ৩ দফা দাবি নিয়ে নানা কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু ইউজিসি আমাদের সঙ্গে কোনো রকমের যোগাযোগের চেষ্টা না করায় আমরণ অনশনের মতো কঠিন কর্মসূচিতে বসতে বাধ্য হয়েছি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের দাবি মানা না হবে, ততক্ষণ আমাদের এই অনশন কর্মসূচি চলবে।’
অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের শিক্ষার্থী তাইজুল ইসলাম তাজ বলেন, ‘আমরা ইউজিসির প্রতি আহ্বান করে দুবার সংবাদ সম্মেলন করেছি, এমনকি প্রতীকীভাবে নভোথিয়েটার ও বিটাক দখল করার পরও আমাদের সাথে কেউ যোগাযোগ পর্যন্ত করেনি।’
এ ব্যাপারে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল শুক্রবার সকাল ৯টায় বলেন, উপাচার্য মনে করেছেন তাঁর সন্তানদের নিরাপত্তায় সমস্যা হতে পারে। তাই তিনিও রাতে তাঁদের কাছাকাছি দূরত্বে শুয়ে পড়েছেন। প্রক্টর বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো যৌক্তিক। আমাদের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান। জমি অধিগ্রহণর নানা ধাপ এগোচ্ছে।’ তিনি বলেন, আস্থার সংকটের কারণে অনশন পর্যন্ত পৌঁছেছেন শিক্ষার্থীরা।
প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি হলো: মাত্র ৫০ একর আয়তনের ববির অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আয়তন বৃদ্ধি ও পরিবহনসংকট দূরীকরণ।
এ দাবিতে চলমান আন্দোলনের ৩৭তম দিনে বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১-এর নিচে অনশনে বসেন সাত শিক্ষার্থী।

অবকাঠামো উন্নয়নসহ ৩ দফা দাবিতে গত এক মাস ধরে আন্দোলন করে আসছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা। তাঁদের একটাই লক্ষ্য, সরকারের পক্ষ থেকে যেন দাবি পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ইউজিসির টনক নড়েনি। সবশেষ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গণঅনশনে বসেন ৭ শিক্ষার্থী। রাত দেড়টার দিকে সেখানে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে অনশনরতদের পাশেই তিনি একটি মশারি টানিয়ে শুয়ে পড়েন।
শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টায় ক্যাম্পাসে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপাচার্য ড. তৌফিক আলম গ্রাউন্ড ফ্লোরের লিফটের পাশে মশারি টানিয়ে ঘুমিয়ে আছেন। আর তার ডানে ঘুমাচ্ছেন অনশনরত ৭ শিক্ষার্থী। তারা হলেন: ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শারমিলা জামান সেঁজুতি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অমিয় মন্ডল, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের তাজুল ইসলাম, রসায়ন বিভাগের মো. আবুবকর সিদ্দিক, দর্শন বিভাগের পিয়াল হাসান, লোকপ্রশাসনের তামিম আহমেদ রিয়াজ এবং আইন বিভাগের শওকত ওসমান স্বাক্ষর।
এর আগে অনশন চলাবস্থায় রাত ১১টার দিকে প্রক্টোরিয়াল বডি নিয়ে উপাচার্য ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণের আশ্বাস দিলেও অনশনে অনড় ছিলেন ববির শিক্ষার্থীরা।
অনশনরত আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শওকত ওসমান স্বাক্ষর বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ যৌক্তিক ৩ দফা দাবি নিয়ে নানা কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু ইউজিসি আমাদের সঙ্গে কোনো রকমের যোগাযোগের চেষ্টা না করায় আমরণ অনশনের মতো কঠিন কর্মসূচিতে বসতে বাধ্য হয়েছি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের দাবি মানা না হবে, ততক্ষণ আমাদের এই অনশন কর্মসূচি চলবে।’
অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের শিক্ষার্থী তাইজুল ইসলাম তাজ বলেন, ‘আমরা ইউজিসির প্রতি আহ্বান করে দুবার সংবাদ সম্মেলন করেছি, এমনকি প্রতীকীভাবে নভোথিয়েটার ও বিটাক দখল করার পরও আমাদের সাথে কেউ যোগাযোগ পর্যন্ত করেনি।’
এ ব্যাপারে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল শুক্রবার সকাল ৯টায় বলেন, উপাচার্য মনে করেছেন তাঁর সন্তানদের নিরাপত্তায় সমস্যা হতে পারে। তাই তিনিও রাতে তাঁদের কাছাকাছি দূরত্বে শুয়ে পড়েছেন। প্রক্টর বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো যৌক্তিক। আমাদের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান। জমি অধিগ্রহণর নানা ধাপ এগোচ্ছে।’ তিনি বলেন, আস্থার সংকটের কারণে অনশন পর্যন্ত পৌঁছেছেন শিক্ষার্থীরা।
প্রসঙ্গত, শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি হলো: মাত্র ৫০ একর আয়তনের ববির অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আয়তন বৃদ্ধি ও পরিবহনসংকট দূরীকরণ।
এ দাবিতে চলমান আন্দোলনের ৩৭তম দিনে বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১-এর নিচে অনশনে বসেন সাত শিক্ষার্থী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে