মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি

বরিশালের মুলাদী উপজেলায় আঙুল দিয়ে খুঁচিয়ে সেজ ভাইয়ের দুই চোখ উপড়ে ফেলার মামলায় গ্রেপ্তার তাঁর ছোট ভাই স্বপন ব্যাপারীর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রোববার বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ফজলুর রহমান পুলিশের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৮ আগস্ট স্বপন ব্যাপারীকে তাঁর শ্বশুরবাড়ি উজিরপুর মশাং গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে মুলাদী থানার পুলিশ। স্বপন ব্যাপারী মুলাদীর নাজিরপুর ইউনিয়নের সাহেবেরচর গ্রামের আরশেদ ব্যাপারীর ছেলে। তিনি ও তাঁর মেজ ভাই রোকন ব্যাপারী লোকজন নিয়ে সেজ ভাই রিপন ব্যাপারীর দুই চোখ তুলে নেন। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রিপন ব্যাপারী অবৈধপথে উপার্জিত টাকা ও স্বর্ণালংকার তাঁর মেজ ভাই রোকন ব্যাপারীর কাছে গচ্ছিত রাখেন। ওই টাকা ও স্বর্ণালংকার এবং বাবার জায়গাজমির ভাগ চাইলে তাঁদের মধ্যে বিরোধ বাধে। এর জের ধরে ২২ আগস্ট রাত ১১টার দিকে আরশেদ আলী ব্যাপারীর নির্দেশে তাঁর অপর ছেলে রোকন ব্যাপারী, স্বপন ব্যাপারী ও তাঁদের লোকজন সেজ ছেলে রিপন ব্যাপারীর দুই চোখ তুলে নেন।
ওই ঘটনায় রিপন ব্যাপারীর স্ত্রী নূরজাহান বেগম বাদী হয়ে স্বপন ব্যাপারী, রোকন ব্যাপারী, আরশেদ আলী ব্যাপারীসহ আটজনকে আসামি করে বরিশাল আদালতে মামলা করেন। ২৭ আগস্ট বিকেলে মামলার কপি মুলাদী থানায় পৌঁছালে ওই দিনই তা নথিভুক্ত হয়। ২৮ আগস্ট ভোর রাতে স্বপন ব্যাপারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত ২৮ আগস্ট পুলিশ স্বপন ব্যাপারীকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। আজ সকালে শুনানি শেষে আদালত তাঁর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।’

বরিশালের মুলাদী উপজেলায় আঙুল দিয়ে খুঁচিয়ে সেজ ভাইয়ের দুই চোখ উপড়ে ফেলার মামলায় গ্রেপ্তার তাঁর ছোট ভাই স্বপন ব্যাপারীর ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রোববার বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ফজলুর রহমান পুলিশের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৮ আগস্ট স্বপন ব্যাপারীকে তাঁর শ্বশুরবাড়ি উজিরপুর মশাং গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে মুলাদী থানার পুলিশ। স্বপন ব্যাপারী মুলাদীর নাজিরপুর ইউনিয়নের সাহেবেরচর গ্রামের আরশেদ ব্যাপারীর ছেলে। তিনি ও তাঁর মেজ ভাই রোকন ব্যাপারী লোকজন নিয়ে সেজ ভাই রিপন ব্যাপারীর দুই চোখ তুলে নেন। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রিপন ব্যাপারী অবৈধপথে উপার্জিত টাকা ও স্বর্ণালংকার তাঁর মেজ ভাই রোকন ব্যাপারীর কাছে গচ্ছিত রাখেন। ওই টাকা ও স্বর্ণালংকার এবং বাবার জায়গাজমির ভাগ চাইলে তাঁদের মধ্যে বিরোধ বাধে। এর জের ধরে ২২ আগস্ট রাত ১১টার দিকে আরশেদ আলী ব্যাপারীর নির্দেশে তাঁর অপর ছেলে রোকন ব্যাপারী, স্বপন ব্যাপারী ও তাঁদের লোকজন সেজ ছেলে রিপন ব্যাপারীর দুই চোখ তুলে নেন।
ওই ঘটনায় রিপন ব্যাপারীর স্ত্রী নূরজাহান বেগম বাদী হয়ে স্বপন ব্যাপারী, রোকন ব্যাপারী, আরশেদ আলী ব্যাপারীসহ আটজনকে আসামি করে বরিশাল আদালতে মামলা করেন। ২৭ আগস্ট বিকেলে মামলার কপি মুলাদী থানায় পৌঁছালে ওই দিনই তা নথিভুক্ত হয়। ২৮ আগস্ট ভোর রাতে স্বপন ব্যাপারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত ২৮ আগস্ট পুলিশ স্বপন ব্যাপারীকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। আজ সকালে শুনানি শেষে আদালত তাঁর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে