বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানে এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিজ ঘর থেকে আজ শনিবার সকালে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর নাম দেলোয়ার হোসেন (১৮)। তিনি বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের চড়ইপাড়ার বাসিন্দা আহমদ হোসেনের ছেলে।
দেলোয়ারের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, দেলোয়ারকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দেলোয়ারের গলায় ও শরীরের আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
জানা গেছে, দেলোয়ার বিয়ের পর থেকে স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা থাকতেন। আজ শনিবার মরদেহ উদ্ধারের সময় দেলোয়ার ঘরে একাই ছিলেন।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছেন বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল।
অশোক কুমার পাল বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।’
দেলোয়ারের বড় ভাই আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘দেলোয়ার রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। প্রায় এক বছর আগে তিনি প্রেম করে বিয়ে করেন। দেলোয়ারকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমরা এই হত্যার সুষ্ঠু ও সঠিক বিচার চাই।’
দেলোয়ারের স্ত্রী জানান, শুক্রবার তাঁর স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। তাই তিনি বাবার বাড়িতে যান। শনিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়িতে এসে দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে দেখেন তাঁর স্বামীর শরীর অর্ধেক খাটে আর অর্ধেক শরীর মাটিতে শোয়া অবস্থায় রয়েছে। এ খবর প্রতিবেশীদের জানানো হলে তাঁরা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে জানায়।

বান্দরবানে এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিজ ঘর থেকে আজ শনিবার সকালে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর নাম দেলোয়ার হোসেন (১৮)। তিনি বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের চড়ইপাড়ার বাসিন্দা আহমদ হোসেনের ছেলে।
দেলোয়ারের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, দেলোয়ারকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দেলোয়ারের গলায় ও শরীরের আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
জানা গেছে, দেলোয়ার বিয়ের পর থেকে স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা থাকতেন। আজ শনিবার মরদেহ উদ্ধারের সময় দেলোয়ার ঘরে একাই ছিলেন।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছেন বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল।
অশোক কুমার পাল বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।’
দেলোয়ারের বড় ভাই আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘দেলোয়ার রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। প্রায় এক বছর আগে তিনি প্রেম করে বিয়ে করেন। দেলোয়ারকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমরা এই হত্যার সুষ্ঠু ও সঠিক বিচার চাই।’
দেলোয়ারের স্ত্রী জানান, শুক্রবার তাঁর স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। তাই তিনি বাবার বাড়িতে যান। শনিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়িতে এসে দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে বাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে দেখেন তাঁর স্বামীর শরীর অর্ধেক খাটে আর অর্ধেক শরীর মাটিতে শোয়া অবস্থায় রয়েছে। এ খবর প্রতিবেশীদের জানানো হলে তাঁরা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে জানায়।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে