বাগেরহাট প্রতিনিধি

সুন্দরবন থেকে চার বনদস্যুকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা ফজলু বাহিনীর সদস্য। তাঁদের সর্দার মো. ফজলু শেখ (৪২) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আহ্বানে দস্যুতা ছেড়ে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। পুনর্বাসন সহায়তাও নিয়েছেন। কিন্তু আবার তিনি সুন্দরবনে দস্যুতা শুরু করেছেন। তাঁর বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ৫। পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। বাকি একজনকে আটক করতে পুলিশি অভিযান চলছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে বাগেরহাটের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) কে এম আরিফুল হক। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আছাদুজ্জামান, মো. রাসেলুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক এস এম আশরাফুল আলমসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার বলেন, ‘বনদস্যু ফজলু শেখ আত্মসমর্পণ করা দস্যু হিসেবে পুনর্বাসনের জন্য সরকারি সহযোগিতা পেয়েছেন। এরপরও নতুন করে দস্যুতায় লিপ্ত হয়েছেন। ফজলু বাহিনীর অন্য যে সদস্য রয়েছেন, তাঁকে আটকের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
আটক দস্যুরা বরগুনার জেলে অপহরণের সঙ্গে জড়িত কি না এমন প্রশ্নে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আদালতের কাছে তাঁদের রিমান্ড আবেদন করা হবে। আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করলে নানা আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। সেসব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আরও তথ্য পাওয়া যাবে।’
এর আগে আজ ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের শ্যালা নদীর সূর্যমুখী খাল থেকে মোংলা থানা-পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে চার বনদস্যুকে আটক করে। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মোংলা থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা করেছেন।
আটকেরা হলেন রামপাল উপজেলার আড়ুয়াডাঙ্গার বাসিন্দা মৃত আহাদ আলীর ছেলে মো. ফজলু শেখ (৪২), শিকিরডাঙ্গা এলাকার মো. মোতালেব শেখের ছেলে মজনু শেখ (৩০), পেড়িখালী মৃত জোনাব আলী মোড়লের ছেলে শাহাদাৎ মোড়ল (৪০) ও জিগিরমোল্লা এলাকার নজরুল শেখের ছেলে ফয়সাল শেখ (৩২)। তাঁদের মধ্যে ফজলু শেখ ও মজনু শেখ আত্মসমর্পণ করা বনদস্যু।
আটকের সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি কাঠের পুরোনো ডিঙি নৌকা, একটি দেশে তৈরি একনলা বন্দুক, একটি দেশে তৈরি ওয়ান শুটার গান, সাতটি সিসার কার্তুজ, দুটি কাঠের বাঁটসহ রামদা, দুটি লোহার হাতুড়ি, একটি লোহার পাইপ, চারটি টর্চলাইট, চারটি পুরোনো গামছা, ১০ টুকরা নাইলনের রশি, দুটি স্কচ টেপ, চারটি গাছের ডালের লাঠি, দুটি মাঙ্কি টুপি জব্দ করেছে পুলিশ।

সুন্দরবন থেকে চার বনদস্যুকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা ফজলু বাহিনীর সদস্য। তাঁদের সর্দার মো. ফজলু শেখ (৪২) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আহ্বানে দস্যুতা ছেড়ে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। পুনর্বাসন সহায়তাও নিয়েছেন। কিন্তু আবার তিনি সুন্দরবনে দস্যুতা শুরু করেছেন। তাঁর বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ৫। পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। বাকি একজনকে আটক করতে পুলিশি অভিযান চলছে।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে বাগেরহাটের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) কে এম আরিফুল হক। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আছাদুজ্জামান, মো. রাসেলুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক এস এম আশরাফুল আলমসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সুপার বলেন, ‘বনদস্যু ফজলু শেখ আত্মসমর্পণ করা দস্যু হিসেবে পুনর্বাসনের জন্য সরকারি সহযোগিতা পেয়েছেন। এরপরও নতুন করে দস্যুতায় লিপ্ত হয়েছেন। ফজলু বাহিনীর অন্য যে সদস্য রয়েছেন, তাঁকে আটকের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
আটক দস্যুরা বরগুনার জেলে অপহরণের সঙ্গে জড়িত কি না এমন প্রশ্নে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আদালতের কাছে তাঁদের রিমান্ড আবেদন করা হবে। আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করলে নানা আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। সেসব আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আরও তথ্য পাওয়া যাবে।’
এর আগে আজ ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের শ্যালা নদীর সূর্যমুখী খাল থেকে মোংলা থানা-পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে চার বনদস্যুকে আটক করে। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মোংলা থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা করেছেন।
আটকেরা হলেন রামপাল উপজেলার আড়ুয়াডাঙ্গার বাসিন্দা মৃত আহাদ আলীর ছেলে মো. ফজলু শেখ (৪২), শিকিরডাঙ্গা এলাকার মো. মোতালেব শেখের ছেলে মজনু শেখ (৩০), পেড়িখালী মৃত জোনাব আলী মোড়লের ছেলে শাহাদাৎ মোড়ল (৪০) ও জিগিরমোল্লা এলাকার নজরুল শেখের ছেলে ফয়সাল শেখ (৩২)। তাঁদের মধ্যে ফজলু শেখ ও মজনু শেখ আত্মসমর্পণ করা বনদস্যু।
আটকের সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি কাঠের পুরোনো ডিঙি নৌকা, একটি দেশে তৈরি একনলা বন্দুক, একটি দেশে তৈরি ওয়ান শুটার গান, সাতটি সিসার কার্তুজ, দুটি কাঠের বাঁটসহ রামদা, দুটি লোহার হাতুড়ি, একটি লোহার পাইপ, চারটি টর্চলাইট, চারটি পুরোনো গামছা, ১০ টুকরা নাইলনের রশি, দুটি স্কচ টেপ, চারটি গাছের ডালের লাঠি, দুটি মাঙ্কি টুপি জব্দ করেছে পুলিশ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে