বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোংলায় প্রতিবেশীদের ভয়ে কলেজ ছাত্রীসহ দুই মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অসহায় এক মা। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েও বাড়ি ফিরতে পারছেন না মোংলা পৌরসভার মাদ্রাসা রোডের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের পরিবার।
আজ সোমবার বিকেলে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন আব্দুর রাজ্জাকের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে মোছা. সুরাইয়া আক্তার (২১)।
সুরাইয়া আক্তার বলেন, ‘গত শনিবার সন্ধ্যায় আমার ছোট বোন মোছা. অমি আক্তার (৮) তার গৃহ শিক্ষককে ডাকতে বাইরে যায়। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে আমাদের প্রতিবেশী ইছাহাক গাছি (৫৫) ও তাঁর ছেলে মো. লাভলু গাছি (২৩) আমার ছোট বোনকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। গালিগালাজের কারণ জানতে চাইলে আমাকে ও আমার মাকেও গালিগালাজ করে মারতে আসে। আমরা প্রাণ ভয়ে ছোট বোনকে নিয়ে বাড়ির মধ্যে চলে আসি। পরে রোববার রাত পৌনে ৯টার দিকে বাসার সামনে দাড়িয়ে মোবাইলে কথা বলার সময়, ইছাহাক গাছি ও মো. লাভলু গাছিসহ ৭-৮ জন আমাকে মারধর করে তাঁদের বাসার মধ্যে নিয়ে যায়। আমার গলায় থাকা আট আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায় তাঁরা। আমার চিৎকার শুনে স্থানীয় নাজমা বেগম, টুলু বিথিসহ কয়েকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্যে কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরবর্তীতে আমরা মোংলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লাভলুর নানা অপরাধের সহযোগী স্থানীয় সন্ত্রাসী জলিল শিকদার ওরফে টাইগার জলিল আমাদের পরিবারের সকলকে মেরে ফেলার হুমকি-ধমকি দেয়। মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রাম ছাড়া করার কথাও বলে তাঁরা। এই মুহূর্তে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
কলেজ শিক্ষার্থীর মা নাজমা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী ঢাকায় চাকরি করেন। দুই মেয়ে নিয়ে আমি বাড়িতে থাকি। কিন্তু টাইগার জলিল ও মো. লাভলু গাছির অত্যাচারে এখন বাড়িতে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তারা আমার মেয়েকে নানা সময় উত্ত্যক্ত করেছে। মারধরও করেছে আমার মেয়েকে। আমি বাড়ি গেলেই তাঁরা আমাকে মেরে ফেলবে। মেয়েদের নিয়ে এক ধরনের পলাতক জীবন যাপন করছি আমি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
এ বিষয়ে যুবলীগ নেতা জলিল শিকদার ওরফে টাইগার জলিল বলেন, ‘ইছাহাক গাছি ও মো. লাভলু গাছিকে আমি ভালোভাবে চিনিও না। রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই নারী আমার বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার চালাচ্ছেন।’
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘এই ঘটনায় দুই পক্ষের কাছ থেকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া পালিয়ে বেড়ানোর বিষয়ে তাঁরা আমাকে কোনো কিছু অবহিত করেননি।’

বাগেরহাটের মোংলায় প্রতিবেশীদের ভয়ে কলেজ ছাত্রীসহ দুই মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অসহায় এক মা। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েও বাড়ি ফিরতে পারছেন না মোংলা পৌরসভার মাদ্রাসা রোডের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের পরিবার।
আজ সোমবার বিকেলে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন আব্দুর রাজ্জাকের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে মোছা. সুরাইয়া আক্তার (২১)।
সুরাইয়া আক্তার বলেন, ‘গত শনিবার সন্ধ্যায় আমার ছোট বোন মোছা. অমি আক্তার (৮) তার গৃহ শিক্ষককে ডাকতে বাইরে যায়। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে আমাদের প্রতিবেশী ইছাহাক গাছি (৫৫) ও তাঁর ছেলে মো. লাভলু গাছি (২৩) আমার ছোট বোনকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। গালিগালাজের কারণ জানতে চাইলে আমাকে ও আমার মাকেও গালিগালাজ করে মারতে আসে। আমরা প্রাণ ভয়ে ছোট বোনকে নিয়ে বাড়ির মধ্যে চলে আসি। পরে রোববার রাত পৌনে ৯টার দিকে বাসার সামনে দাড়িয়ে মোবাইলে কথা বলার সময়, ইছাহাক গাছি ও মো. লাভলু গাছিসহ ৭-৮ জন আমাকে মারধর করে তাঁদের বাসার মধ্যে নিয়ে যায়। আমার গলায় থাকা আট আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায় তাঁরা। আমার চিৎকার শুনে স্থানীয় নাজমা বেগম, টুলু বিথিসহ কয়েকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্যে কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরবর্তীতে আমরা মোংলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লাভলুর নানা অপরাধের সহযোগী স্থানীয় সন্ত্রাসী জলিল শিকদার ওরফে টাইগার জলিল আমাদের পরিবারের সকলকে মেরে ফেলার হুমকি-ধমকি দেয়। মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রাম ছাড়া করার কথাও বলে তাঁরা। এই মুহূর্তে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
কলেজ শিক্ষার্থীর মা নাজমা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী ঢাকায় চাকরি করেন। দুই মেয়ে নিয়ে আমি বাড়িতে থাকি। কিন্তু টাইগার জলিল ও মো. লাভলু গাছির অত্যাচারে এখন বাড়িতে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তারা আমার মেয়েকে নানা সময় উত্ত্যক্ত করেছে। মারধরও করেছে আমার মেয়েকে। আমি বাড়ি গেলেই তাঁরা আমাকে মেরে ফেলবে। মেয়েদের নিয়ে এক ধরনের পলাতক জীবন যাপন করছি আমি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
এ বিষয়ে যুবলীগ নেতা জলিল শিকদার ওরফে টাইগার জলিল বলেন, ‘ইছাহাক গাছি ও মো. লাভলু গাছিকে আমি ভালোভাবে চিনিও না। রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই নারী আমার বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার চালাচ্ছেন।’
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘এই ঘটনায় দুই পক্ষের কাছ থেকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া পালিয়ে বেড়ানোর বিষয়ে তাঁরা আমাকে কোনো কিছু অবহিত করেননি।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে