বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে পারিবারিক বিরোধের জেরে নুর ইসলাম মীর (৫৪) নামের এক গরুর মালিককে মারধর ও গরু বিক্রির টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে ভাগনে শরিফুল সরদারের (৩২) বিরুদ্ধে।
গতকাল শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার দেপাড়া গরুর হাট থেকে বাড়ি ফেরার পথে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের সাজোখালি এলাকায় এ মারধর ও টাকা লুটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নুর ইসলাম ছয়জনের নাম উল্লেখ ও চারজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে বাগেরহাট মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
আহত নুর ইসলাম মীর বাগেরহাট সদর উপজেলার বেশরগাতী এলাকার শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার মীরের ছেলে। হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শরিফুল সরদার একই এলাকার আহত নুর ইসলামের ভাগনে।
আহত নুর ইসলাম মীর বলেন, তিন-চার দিন আগে শরিফুল ও তার স্ত্রীর সঙ্গে আমি ও আমার ছোট ছেলের কথা-কাটাকাটি হয়। সে সময় শরিফুল আমাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। ঘটনার দিন দেপাড়া হাটে দুইটি গরু বিক্রি করে টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। রাত সাড়ে আটটার দিকে বিষ্ণুপুরের সাজোখালি এলাকায় রাজিবের সারের দোকানের কিছুদূর সামনে আসলে শরিফুল ও তার সঙ্গে থাকা সোহেল, হামজা, ওলিয়ার, সোহেল হোসেন, মাহাফুজ ও রাজ্জাক আমাকে ঘিরে ধরে এবং হাতুড়ি-রড দিয়ে মারধর শুরু করে। এ সময় আমি রাস্তায় পড়ে গেলে আমার লুংগিতে বেঁধে রাখা ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় তাঁরা। পরে একটি ভ্যানে উঠিয়ে আমাকে বাড়ির দিকে পাঠিয়ে দেয়। বাড়ির সামনে থেকে আমার ছেলে ও স্থানীয়রা আমাকে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহতের ছেলে সাগরের মীর বলেন, আমরা এই হামলার বিচার ও টাকা ফেরত চাই।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শরিফুল সরদার বলেন, আমাদের পারিবারিক বিরোধ আছে এটা সত্য। কিন্তু মারধর বা টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমাকে ফাঁসানোর জন্য এই সব কথা বলা হচ্ছে।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, নুর ইসলাম নামের এক ব্যক্তির একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ রয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। ঘটনার সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাগেরহাটে পারিবারিক বিরোধের জেরে নুর ইসলাম মীর (৫৪) নামের এক গরুর মালিককে মারধর ও গরু বিক্রির টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে ভাগনে শরিফুল সরদারের (৩২) বিরুদ্ধে।
গতকাল শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার দেপাড়া গরুর হাট থেকে বাড়ি ফেরার পথে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের সাজোখালি এলাকায় এ মারধর ও টাকা লুটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নুর ইসলাম ছয়জনের নাম উল্লেখ ও চারজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে বাগেরহাট মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
আহত নুর ইসলাম মীর বাগেরহাট সদর উপজেলার বেশরগাতী এলাকার শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার মীরের ছেলে। হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শরিফুল সরদার একই এলাকার আহত নুর ইসলামের ভাগনে।
আহত নুর ইসলাম মীর বলেন, তিন-চার দিন আগে শরিফুল ও তার স্ত্রীর সঙ্গে আমি ও আমার ছোট ছেলের কথা-কাটাকাটি হয়। সে সময় শরিফুল আমাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। ঘটনার দিন দেপাড়া হাটে দুইটি গরু বিক্রি করে টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। রাত সাড়ে আটটার দিকে বিষ্ণুপুরের সাজোখালি এলাকায় রাজিবের সারের দোকানের কিছুদূর সামনে আসলে শরিফুল ও তার সঙ্গে থাকা সোহেল, হামজা, ওলিয়ার, সোহেল হোসেন, মাহাফুজ ও রাজ্জাক আমাকে ঘিরে ধরে এবং হাতুড়ি-রড দিয়ে মারধর শুরু করে। এ সময় আমি রাস্তায় পড়ে গেলে আমার লুংগিতে বেঁধে রাখা ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় তাঁরা। পরে একটি ভ্যানে উঠিয়ে আমাকে বাড়ির দিকে পাঠিয়ে দেয়। বাড়ির সামনে থেকে আমার ছেলে ও স্থানীয়রা আমাকে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহতের ছেলে সাগরের মীর বলেন, আমরা এই হামলার বিচার ও টাকা ফেরত চাই।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শরিফুল সরদার বলেন, আমাদের পারিবারিক বিরোধ আছে এটা সত্য। কিন্তু মারধর বা টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমাকে ফাঁসানোর জন্য এই সব কথা বলা হচ্ছে।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজিজুল ইসলাম বলেন, নুর ইসলাম নামের এক ব্যক্তির একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধ রয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। ঘটনার সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে