
চাঁদাবাজি, দখলদারত্ব, সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লংমার্চের পথসভা চলা অবস্থায় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) ওপর খেপলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। শনিবার রাতে লংমার্চ শেষে পঞ্চগড়ের শেরেবাংলা পার্ক মোড়ে সমাপনী পথসভায় সারজিস আলম বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়।
বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ সারজিস আলম বলেন, ‘একবার নয়, দুইবার নয়, এবার নিয়ে তিনবার এনসিপির অনুষ্ঠান চলাকালে বিদ্যুৎ-বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। নেসকোর যে মালিক, তাকে এবং তার বাপকে জবাব দিতে হবে—এনসিপির প্রোগ্রামের সময় এটা হয় কেন? যারা এই কাজ করেছে, মূলত রাজনৈতিক দেউলিয়াদেরকে আমরা দেখে নেব। তাদের কলিজা কত বড় হইছে। কলিজা ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে রাখব। এরপর দেখব পঞ্চগড়ের নেসকোর দায়িত্বে কে আছে।’
সারজিস আলম আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি আপনারা রাজনৈতিক দেউলিয়া, চাটুকার ও পা চাটা তোষামোদকারী। এই জন্যই এনসিপির প্রোগ্রামের সময় প্রত্যেকবার এইটা হয়। আমি সারজিস আলম এখানে ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছি—এর পর থেকে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান পঞ্চগড়ে রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলক আচরণ করে, ওই প্রতিষ্ঠান এই পঞ্চগড়ে থাকবে না। এটা আমার নিজের কমিটমেন্ট।’
এর আগে শনিবার দুপুরে পঞ্চগড় পৌরসভার সুগার মিল এলাকা থেকে শত শত মোটরসাইকেল লংমার্চে অংশগ্রহণ করে। এ সময় সারজিস আলম একটি পিকআপ ভ্যানে চড়ে অংশ নেন এবং দুর্নীতিবিরোধী নানা স্লোগান দেন।
লংমার্চটি পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘি, চাকলাহাট, হাড়িভাসা, হাফিজাবাদ, অমরখানা, সাতমেরা ও তেঁতুলিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন অতিক্রম করে বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের সিপাইপাড়া বাজারে গিয়ে শেষ হয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে