
কুমিল্লার মুরাদনগরের আলোচিত ধর্ষণ ও নির্যাতন-কাণ্ডে নতুন আরও একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা মুহাম্মদ আলী সুমনের নেতৃত্বে দলবদ্ধভাবে এক নারী ও পুরুষকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন চালানো হচ্ছে।
সোমবার (৩০ জুন) সকালে ‘তোদের বাপ আইছে’ নামক একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। মুহূর্তেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায়, শুরু হয় নতুন করে উত্তেজনা ও সমালোচনা।
এর আগে ওই নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যা দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও তোলপাড় সৃষ্টি করেছিল।
নতুন ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মুহাম্মদ আলী সুমন ও তাঁর সহযোগী রমজান, অনিক, আরিফসহ ৭-৮ জন মিলে ফজর আলীর হাত-পা বেঁধে নির্যাতন চালাচ্ছেন।
ফজর আলী সেই নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত। ভিডিওতে সুমনের সহযোগী অনিককে চৌকির ওপরে শোয়ানো অবস্থায় নির্যাতিত নারীকে নিজ হাতে বিবস্ত্র করতে দেখা যায়।
পাশেই এক নারী কান্না ও চিৎকার করে ঘটনার প্রতিবাদ করছেন। তবে কেউ তাঁকে থামানোর চেষ্টা করেনি; বরং অন্যরা ঘটনার ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিলেন।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান জানান, ‘ঘটনাটির সর্বশেষ ভিডিও আমরা পেয়েছি। এতে আরও যেসব ব্যক্তি জড়িত, তাদের শনাক্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ধর্ষণের প্রধান অভিযুক্ত ফজর আলী এবং ভিডিও ধারণ ও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভিডিওর অন্যান্য দৃশ্য ও বক্তব্য বিশ্লেষণ করে আমরা নিশ্চিত হচ্ছি কে বা কারা আর জড়িত আছে। প্রমাণ পেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।’
এদিকে এ ঘটনায় এলাকায় নতুন করে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ বিচার দাবি করে বলছেন, এ ধরনের বর্বর নির্যাতন শুধু আইন নয়, মানবতারও চরম লঙ্ঘন। দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।

‘আমার মা সকালে কাজে গিয়ে দুপুরে ফিরেছিল। আমি মাকে বাড়িতে রেখে বিকেলে ভ্যান চালাতে গিয়েছিলাম। মা সুস্থ ছিল। আমার সঙ্গে কথা বলেছে। রাতে মনিরামপুর বাজারে থাকতেই ফোনে শুনি, আমার মা বেঁচে নেই। তড়িঘড়ি বাড়ি এসে দেখি, মায়ের লাশ বারান্দায় শোয়ানো। থুতনির নিচে কাটা দাগ, রক্ত বের হয়ে আছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে
৯ মিনিট আগে
দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মাদক সংগ্রহ করে শ্যামপুরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করতেন। এঁদের মধ্যে মোহাম্মদ ফোরকানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় সাতটি মাদক মামলা রয়েছে। অন্যদিকে ইমরান শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।
১২ মিনিট আগে
অভিযানকালে শটগানের ১৭টি গুলি, চায়না রাইফেলের ৩টি গুলি, ৫ কেজি ১৮০ গ্রাম গাঁজা, ২ হাজার ৬৮৩টি ইয়াবা, ২ দশমিক ০৪ গ্রাম ইয়াবা ট্যাবলেটের গুঁড়া,৯টি মোবাইল ফোন সেট এবং নগদ ২ লাখ ৮০ হাজার ৪৯০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
২৮ মিনিট আগে
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার গারদে বসে আজমেরী ওসমানের পক্ষে ১০ অনুসারীর ভিডিও বার্তা এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রেপ্তারের পর আসামিদের হাতে মোবাইল ফোন কীভাবে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গনে...
১ ঘণ্টা আগে