
ঢাকার সাভারের বিরুলিয়ার একটি হাউজিং থেকে এক কিশোরের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। কঙ্কালটি দুই মাস আগে আশুলিয়ার পাড়াগাঁও থেকে নিখোঁজ মিলন হোসেনের বলে দাবি করেছেন তাঁর মা জোসনা বেগম।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সুমন মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
মিলন হোসেন নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা থানার পারুলিয়া নোয়াপাড়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে। সে সাভারের আশুলিয়ার পাড়াগাঁও এলাকায় ইউনুস আলীর বাড়িতে ভাড়া থেকে অটোরিকশা চালাত।
পুলিশ জানায়, আজ সোমবার বিকেলে আমিন মডেল টাউনের পাশে নিহত মিলন হোসেনের পরনের গেঞ্জি ও প্যান্ট পড়ে থাকতে দেখেন নিহতের মা জোছনা বেগম। এরপর একটু সামনে গিয়ে জঙ্গলের ভেতরে কঙ্কাল দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয়দের জানালে তাঁরা সাভার মডেল থানাকে অবহিত করেন।
জোসনা বেগম বলেন, ‘গত ২৯ সেপ্টেম্বর সাভারের আশুলিয়ার পাড়াগাঁও এলাকার শামীমের রিকশার গ্যারেজ থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হয় মিলন হোসেন। এরপর আর বাসায় ফেরেনি সে। অনেক খোঁজাখুঁজি করে ছেলেকে না পেয়ে পরদিন আশুলিয়া থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করি। পরে তা মামলা হিসেবে রিপোর্ট করা হয়।’
বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল ওয়াহাব বলেন, ‘নিখোঁজ মিলনের পরনের গেঞ্জি প্যান্টের সূত্র ধরেই কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়। এ কারণে নিখোঁজ মিলন হোসেনের মা জোসনা বেগম দাবি করছেন, কঙ্কালটি তাঁর ছেলের। তবে আমরা অধিকতর নিশ্চিত হতে কঙ্কালটির ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছি।’
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাননান বলেন, মিলন নিখোঁজের ঘটনায় তার মা আশুলিয়া থানায় একটি মামলা করেছেন। মিলন হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আশুলিয়া থেকে সুমন মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

রনির সহকর্মী আবদুর রহমান জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে রনির গ্রামের বাড়ি। তাঁর বাবার নাম সাহেব আলী। ঢাকায় মোহাম্মদপুরের আরশিনগরে নির্মাণাধীন ভবনটিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন এবং সেখানেই থাকতেন তিনি।
২৭ মিনিট আগে
ফসলি জমির মাটি কাটায় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চান্দেরচর গ্রামে এখন রাতের আঁধারে মাটি কাটা চলছে। ভেকু (খননযন্ত্র) দিয়ে গর্ত করে মাটি কেটে বিক্রি করছে একটি চক্র। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে সরেজমিন কৃষিজমি থেকে মাটি কাটার এমন চিত্র দেখা গেছে।
৪৩ মিনিট আগে
কিষানি রেহেনা বেগম ৬৬ শতক জমিতে ব্রি ধান-১০৪ আবাদ করেছেন। শুরুতে শঙ্কা থাকলেও এখন ফলন দেখে তিনি আশাবাদী। তাঁর ভাষায়, ফলন দেখে সব দুশ্চিন্তা দূর হয়ে গেছে। অন্যান্য ধানের তুলনায় বেশি উৎপাদন হবে বলে মনে করছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর রেবেকা খাতুন। একসময় গার্মেন্টসে কাজ করা রেবেকা আজ পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছেন। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজার ধসের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েছিলেন তিনি। সেদিনের ভয়াবহ ধসের ঘটনায় প্রাণে বেঁচে গেলেও হারিয়েছেন তাঁর দুই পা।
১ ঘণ্টা আগে