রাতুল মণ্ডল, শ্রীপুর

গাজীপুরের শ্রীপুরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলঘেঁষা কৃষিজমির মাটি ১০০ ফুট গভীরে খনন করে লুটপাট করা হচ্ছে। গভীর খননের ফলে নিচের স্তরে মাটির পরিবর্তে দেখা মিলেছে সিলিকন বালু। এতে করে মাটিখেকোদের দাপট বেড়েই চলেছে। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে ভোররাত পর্যন্ত চলে এই দাপট। তাদের দাপটে আশপাশের আঞ্চলিক সড়কগুলোয় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। হুমকিতে রয়েছে আশপাশের সংরক্ষিত বনাঞ্চল। প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতেও থামছে না মাটি লুট।
সরেজমিনে এবং ওই এলাকার একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের বাদশানগর এলাকায় কয়েক একর কৃষিজমি থেকে রাতের আঁধারে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। চিহ্নিত মাটিখেকো শহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি রাতের আঁধারে এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি কেটে ডাম্প ট্রাকের মাধ্যমে পৌঁছে দিচ্ছেন বিভিন্ন সিরামিক কারখানায়। এতে করে আশপাশের আঞ্চলিক সড়কগুলো ভেঙে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। কৃষিজমির কোনো কোনো স্থানে ১০০ ফুট গভীর খনন করা হয়েছে। মাটির কয়েক স্তরের নিচে বের হচ্ছে দামি সিলিকন বালু। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে ভোররাত পর্যন্ত চলে মাটিখেকোদের দাপট।
একরের পর একর কৃষিজমির মাটি কেটে নিচ্ছে তারা। স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে নামমাত্র মূল্যে এসব মাটি ক্রয় করা হচ্ছে। সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘেঁষে কৃষিজমির মাটি খননের ফলে হুমকিতে আশপাশের সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, ‘সন্ধ্যার পর থেকে চারপাশের কোনো শব্দ কানে আসে না, শুধু ডাম্প ট্রাকের শব্দ। একের পর এক মাটিভর্তি ডাম্প ট্রাক যাতায়াত করে রাস্তা দিয়ে। আশপাশের সব রাস্তা ভেঙে গেছে। অনেক জায়গায় গর্ত হয়ে গেছে। সড়কের আশপাশের মানুষ রাতে ঘুমাতে পারে না ডাম্প ট্রাকের শব্দে। আমরা প্রতিবাদ করতে সাহস পাই না।’
বাদশানগর এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় কৃষকেরা নামমাত্র মূল্যে কৃষকদের কাছ জমির মাটি কিনে নিয়ে গভীর খনন শুরু করে। বাদশানগর এলাকায় কৃষিজমিতে আনুমানিক ১০০ ফুট গভীর খনন করা হয়েছে। নিচের স্তরে মাটি নেই, শুধু সিলিকন বালু।
এই এলাকার মাটি বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে শহিদুল ইসলাম শহীদের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, ‘আমি কৃষকদের কাছ থেকে মাটি কিনে কেটে বিক্রি করি। এত গভীর হবে না। কিছু কম হবে। এ পর্যন্ত কোনো সরকারি জমির মাটি কেটে নিইনি। আপাতত মাটিকাটা বন্ধ রয়েছে।’
শ্রীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মোকলেছুর রহমান বলেন, যেখানে কৃষিজমির মাটি গভীরে খনন করে কেটে নেওয়া হচ্ছে, তার পাশে বিশাল সংরক্ষিত বনাঞ্চল। মাটি লুটপাটের ফলে বনাঞ্চল হুমকিতে পড়বে। এ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজীব আহমেদ বলেন, মাটিখেকোদের ধরতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে, বিশেষ করে মাটিখেকো শহীদকে ধরতে প্রতিরাতে অভিযান চালানো হচ্ছে। বর্তমানে বাদশানগর এলাকায় মাটি কাটা বন্ধ রয়েছে।

গাজীপুরের শ্রীপুরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলঘেঁষা কৃষিজমির মাটি ১০০ ফুট গভীরে খনন করে লুটপাট করা হচ্ছে। গভীর খননের ফলে নিচের স্তরে মাটির পরিবর্তে দেখা মিলেছে সিলিকন বালু। এতে করে মাটিখেকোদের দাপট বেড়েই চলেছে। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে ভোররাত পর্যন্ত চলে এই দাপট। তাদের দাপটে আশপাশের আঞ্চলিক সড়কগুলোয় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। হুমকিতে রয়েছে আশপাশের সংরক্ষিত বনাঞ্চল। প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতেও থামছে না মাটি লুট।
সরেজমিনে এবং ওই এলাকার একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের বাদশানগর এলাকায় কয়েক একর কৃষিজমি থেকে রাতের আঁধারে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। চিহ্নিত মাটিখেকো শহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি রাতের আঁধারে এক্সকাভেটর দিয়ে মাটি কেটে ডাম্প ট্রাকের মাধ্যমে পৌঁছে দিচ্ছেন বিভিন্ন সিরামিক কারখানায়। এতে করে আশপাশের আঞ্চলিক সড়কগুলো ভেঙে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। কৃষিজমির কোনো কোনো স্থানে ১০০ ফুট গভীর খনন করা হয়েছে। মাটির কয়েক স্তরের নিচে বের হচ্ছে দামি সিলিকন বালু। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে ভোররাত পর্যন্ত চলে মাটিখেকোদের দাপট।
একরের পর একর কৃষিজমির মাটি কেটে নিচ্ছে তারা। স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে নামমাত্র মূল্যে এসব মাটি ক্রয় করা হচ্ছে। সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘেঁষে কৃষিজমির মাটি খননের ফলে হুমকিতে আশপাশের সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, ‘সন্ধ্যার পর থেকে চারপাশের কোনো শব্দ কানে আসে না, শুধু ডাম্প ট্রাকের শব্দ। একের পর এক মাটিভর্তি ডাম্প ট্রাক যাতায়াত করে রাস্তা দিয়ে। আশপাশের সব রাস্তা ভেঙে গেছে। অনেক জায়গায় গর্ত হয়ে গেছে। সড়কের আশপাশের মানুষ রাতে ঘুমাতে পারে না ডাম্প ট্রাকের শব্দে। আমরা প্রতিবাদ করতে সাহস পাই না।’
বাদশানগর এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় কৃষকেরা নামমাত্র মূল্যে কৃষকদের কাছ জমির মাটি কিনে নিয়ে গভীর খনন শুরু করে। বাদশানগর এলাকায় কৃষিজমিতে আনুমানিক ১০০ ফুট গভীর খনন করা হয়েছে। নিচের স্তরে মাটি নেই, শুধু সিলিকন বালু।
এই এলাকার মাটি বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে শহিদুল ইসলাম শহীদের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, ‘আমি কৃষকদের কাছ থেকে মাটি কিনে কেটে বিক্রি করি। এত গভীর হবে না। কিছু কম হবে। এ পর্যন্ত কোনো সরকারি জমির মাটি কেটে নিইনি। আপাতত মাটিকাটা বন্ধ রয়েছে।’
শ্রীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মোকলেছুর রহমান বলেন, যেখানে কৃষিজমির মাটি গভীরে খনন করে কেটে নেওয়া হচ্ছে, তার পাশে বিশাল সংরক্ষিত বনাঞ্চল। মাটি লুটপাটের ফলে বনাঞ্চল হুমকিতে পড়বে। এ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজীব আহমেদ বলেন, মাটিখেকোদের ধরতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে, বিশেষ করে মাটিখেকো শহীদকে ধরতে প্রতিরাতে অভিযান চালানো হচ্ছে। বর্তমানে বাদশানগর এলাকায় মাটি কাটা বন্ধ রয়েছে।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে শিয়ালের কামড়ে জাহেরা বেগম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কামারখন্দ ইউনিয়নের হাটখোলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। তিনি ওই এলাকার মৃত আমজাদ আলীর স্ত্রী।
৭ মিনিট আগে
রাজশাহীতে একটি লবণের কার্গো ট্রাক থেকে ১২৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে র্যাব। এ সময় হাসানুর রহমান (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাঁর বাড়ি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার মাঝেরপাড়া গ্রামে।
১৬ মিনিট আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে ব্যাডমিন্টন খেলা নিয়ে ঝগড়ার একপর্যায়ে ছেলেকে রক্ষা করতে গিয়ে সাবিনা ইয়াসমিন (৩৫) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত ৯টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পশ্চিম খণ্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত সাবিনা ইয়াসমিন ওই এলাকার সৌকত হোসেনের স্ত্রী।
১৯ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে অপহৃত এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে