কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দায় অচেতন শুয়ে আছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারী। প্রায় ৪০ দিন হলে গেলেও কোনো পরিচয় মেলেনি তাঁর। শুধু খাবার ছাড়া কোনো চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন না তিনি। এ নিয়ে বিপাকে পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
তবে স্বজনদের খোঁজ না পাওয়া পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা চালিয়ে নেওয়ায় হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আমানুল্লাহ আল-মামুন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় কে বা কারা কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওই নারীকে রেখে যান। সেদিন থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের সামনের বারান্দায় শুয়ে আছেন তিনি। তাঁকে চিকিৎসা সেবা দিতে গেলেও নিচ্ছেন না তিনি। তবে খাবার আর পানি দিলে তা খেয়ে আবারও শুয়ে থাকছেন।
এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমানুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় কে বা কারা ওই নারীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে রেখে যান। সেই থেকে আমরা তাঁকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি। খাবার সরবরাহ করছি। তবে এখনো পর্যন্ত তাঁর কেউ খোঁজ করেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এতে করে একটু বেকায়দা পড়েছি আমরা। তাঁকে দেখে তেমন অসুস্থ মনে হচ্ছে না। আবার চিকিৎসা সেবাও নিচ্ছেন না। তবে খাবার খেয়ে আবার শুয়ে থাকছেন।’
আমানুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘ওই অজ্ঞাত নারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪০ দিন যাবৎ আছেন। এখান থেকেই সবকিছু দেওয়া হচ্ছে। আর যত দিন তাঁর স্বজনদের না পাওয়া যায়, তত দিন পর্যন্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকেই ব্যবস্থা করা হবে।’
এ বিষয়ে কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, ‘বিষয়টি আমাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ফোন করে জানিয়েছিল। আমি তাঁদের স্থানীয় সমাজ সেবা অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছি। কারণ এ ধরনের সহায়তা একমাত্র সমাজ সেবাই দিতে পারেন।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উছেন মে বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নাই। আপনাদের কাছ থেকে জানতে পারলাম। তবে খোঁজ-খবর নিয়ে দেখব।’

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দায় অচেতন শুয়ে আছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সের অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারী। প্রায় ৪০ দিন হলে গেলেও কোনো পরিচয় মেলেনি তাঁর। শুধু খাবার ছাড়া কোনো চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন না তিনি। এ নিয়ে বিপাকে পড়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
তবে স্বজনদের খোঁজ না পাওয়া পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা চালিয়ে নেওয়ায় হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আমানুল্লাহ আল-মামুন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় কে বা কারা কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওই নারীকে রেখে যান। সেদিন থেকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের সামনের বারান্দায় শুয়ে আছেন তিনি। তাঁকে চিকিৎসা সেবা দিতে গেলেও নিচ্ছেন না তিনি। তবে খাবার আর পানি দিলে তা খেয়ে আবারও শুয়ে থাকছেন।
এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমানুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘গত ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় কে বা কারা ওই নারীকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে রেখে যান। সেই থেকে আমরা তাঁকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করছি। খাবার সরবরাহ করছি। তবে এখনো পর্যন্ত তাঁর কেউ খোঁজ করেনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এতে করে একটু বেকায়দা পড়েছি আমরা। তাঁকে দেখে তেমন অসুস্থ মনে হচ্ছে না। আবার চিকিৎসা সেবাও নিচ্ছেন না। তবে খাবার খেয়ে আবার শুয়ে থাকছেন।’
আমানুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘ওই অজ্ঞাত নারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪০ দিন যাবৎ আছেন। এখান থেকেই সবকিছু দেওয়া হচ্ছে। আর যত দিন তাঁর স্বজনদের না পাওয়া যায়, তত দিন পর্যন্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকেই ব্যবস্থা করা হবে।’
এ বিষয়ে কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, ‘বিষয়টি আমাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ফোন করে জানিয়েছিল। আমি তাঁদের স্থানীয় সমাজ সেবা অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছি। কারণ এ ধরনের সহায়তা একমাত্র সমাজ সেবাই দিতে পারেন।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উছেন মে বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নাই। আপনাদের কাছ থেকে জানতে পারলাম। তবে খোঁজ-খবর নিয়ে দেখব।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে