নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকরভাবে টানা দুই সপ্তাহ লকডাউনের প্রয়োজন বলে মনে করেন জাতীয় কারিগরি বিশেষজ্ঞ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘টানা দুই সপ্তাহ লকডাউনে কিছু মানুষের সাময়িক দুর্ভোগ হলেও, করোনা সংক্রমণ অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো। বর্তমান করোনা পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে। এটাকে আমরা ভয়াবহ যদি না বলি, তাহলে আমরা ভুল করবো। গত কয়েক দিন করোনা শনাক্তের সংখ্যা সাত হাজারের ওপরে। মৃত্যু ৬০ এর ওপরে। সংক্রমণের হারও ২০ শতাংশের ওপরে রয়েছে। করোনা পরিস্থিতি যদি আমরা নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারি, তাহলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে ঠেকবে আমরা কেউ তা জানি না। এভাবে চলতে থাকলে কিছু দিন পরে দৈনিক শনাক্তের হার ১৫ থেকে ২০ হাজারে গিয়ে দাঁড়াবে। মৃত্যু হবে কয়েক শ।’
লকডাউন প্রসঙ্গে ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ‘লকডাউন বলেন আর সাধারণ ছুটি বলেন। এর মধ্যে কিছু কিছু ব্যাপারে অস্পষ্টতা রয়েছে। সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছে না। অফিসে লোক কমানোর কথা বলা হয়েছে। যে লোকগুলো অফিসে যাবে, অফিস ব্যবস্থাপনায় তাদের পরিবহন ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু তা কেউ করেনি, সবাই গণপরিবহনের ওপর নির্ভর করায় গণপরিবহন আবার চালু করতে হলো। কেউ অফিস নির্দেশনা মানেনি।’
এই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা ঈদের আগে তাদের ব্যবসার কথা ভাবছেন, কিন্তু জীবনের কথা ভাবছেন না। এক বছর ধরে আমরা করোনা মোকাবিলা করছি কিন্তু স্বাস্থ্য খাতে অনেক বিষয়ে আমরা সক্ষমতা বাড়াতে পারিনি। দেশের বেশির ভাগ হাসপাতালে এখনও সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম নেই। তাই আমাদের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার আরও সম্প্রসারণ লাগবে।’
প্রথম ধাপে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়ে কোনো সংকট নেই জানিয়ে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, 'করোনা টিকা আমাদের হাতে এসেছিল এক কোটি দুই লাখ ডোজ। প্রথম ধাপে প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছে প্রায় ৫৫ লাখের মতো মানুষ। এই মানুষদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট টিকা আছে। এর মধ্যে চুক্তি অনুসারে আরও টিকা আসবে।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকরভাবে টানা দুই সপ্তাহ লকডাউনের প্রয়োজন বলে মনে করেন জাতীয় কারিগরি বিশেষজ্ঞ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘টানা দুই সপ্তাহ লকডাউনে কিছু মানুষের সাময়িক দুর্ভোগ হলেও, করোনা সংক্রমণ অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো। বর্তমান করোনা পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে। এটাকে আমরা ভয়াবহ যদি না বলি, তাহলে আমরা ভুল করবো। গত কয়েক দিন করোনা শনাক্তের সংখ্যা সাত হাজারের ওপরে। মৃত্যু ৬০ এর ওপরে। সংক্রমণের হারও ২০ শতাংশের ওপরে রয়েছে। করোনা পরিস্থিতি যদি আমরা নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারি, তাহলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে ঠেকবে আমরা কেউ তা জানি না। এভাবে চলতে থাকলে কিছু দিন পরে দৈনিক শনাক্তের হার ১৫ থেকে ২০ হাজারে গিয়ে দাঁড়াবে। মৃত্যু হবে কয়েক শ।’
লকডাউন প্রসঙ্গে ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ‘লকডাউন বলেন আর সাধারণ ছুটি বলেন। এর মধ্যে কিছু কিছু ব্যাপারে অস্পষ্টতা রয়েছে। সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছে না। অফিসে লোক কমানোর কথা বলা হয়েছে। যে লোকগুলো অফিসে যাবে, অফিস ব্যবস্থাপনায় তাদের পরিবহন ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু তা কেউ করেনি, সবাই গণপরিবহনের ওপর নির্ভর করায় গণপরিবহন আবার চালু করতে হলো। কেউ অফিস নির্দেশনা মানেনি।’
এই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা ঈদের আগে তাদের ব্যবসার কথা ভাবছেন, কিন্তু জীবনের কথা ভাবছেন না। এক বছর ধরে আমরা করোনা মোকাবিলা করছি কিন্তু স্বাস্থ্য খাতে অনেক বিষয়ে আমরা সক্ষমতা বাড়াতে পারিনি। দেশের বেশির ভাগ হাসপাতালে এখনও সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম নেই। তাই আমাদের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার আরও সম্প্রসারণ লাগবে।’
প্রথম ধাপে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়ে কোনো সংকট নেই জানিয়ে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, 'করোনা টিকা আমাদের হাতে এসেছিল এক কোটি দুই লাখ ডোজ। প্রথম ধাপে প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছে প্রায় ৫৫ লাখের মতো মানুষ। এই মানুষদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট টিকা আছে। এর মধ্যে চুক্তি অনুসারে আরও টিকা আসবে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে